আবদুল মুমিন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
আবদুল মুমিন
সুলতান
রাজত্বকাল ১৮৫২ – ৩০ মে ১৮৮৫
পূর্ণ নাম সুলতান আবদুল হাক্কুল মুমিন
জন্ম ১৭৮৫
জন্মস্থান ব্রুনেই
মৃত্যু ২৯ মে ১৮৮৫ (aged 100)[১]
মৃত্যুস্থান ব্রুনেই
সমাধিস্থল খুবা মাখম দিরাজ, বানদার সেরি বেগাওয়ান, ২৯ মে ১৮৮৫
পূর্বসূরি ওমর আলি সাইফুদ্দিন ২
উত্তরসূরি হাসমি জালিলুল আলম আকোয়ামদ্দিন
রাণী আনাক জুবাইদা
সন্তানাদি নেই
রাজবংশ ব্রুনেইয়ের সুলতান
পিতা আনাক আবদুল ওয়াহাব
মাতা পেঙ্গিরান বাবু লাওইয়া
ধর্মবিশ্বাস ইসলাম (সুন্নি)

সুলতান আবদুল হাক্কুল মুমিন (আবদুল মুমিন নামে পরিচিত)( ১৭৮৫৩০ মে ১৮৮৫) ছিলেন ব্রুনেই এর চতুর্দশতম (১৪'তম) সুলতান এবং তিনি ব্রুনেই গৃহযুদ্ধ - এ সম্পৃক্ত ছিলেন। সুলতান মুহাম্মদ আলি'কে হত্যার মাধ্যমে ব্রুনেই'র শাসনলাভ করেন, তাঁর শাসনকাল ছিল ১৬৬০ সাল থেকে ১৬৭৩ সাল পর্যন্ত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

আবদুল হাক্কুল মুমিন এক সময়ে পেঙ্গিরান (Pengiran) আবদুল মুমিন নামে পরিচিত ছিলেন। 'পেঙ্গিরান' শব্দটার মানে হলো রাজকুমার/ সর্দার/ অধিপতি। ১৬৬০ সালে সুলতান মুহাম্মদ আলি 'র সন্তানের হাতে আবদুল মুবিনের ছেলে খুন হয়। প্রতিশোধস্বরূপ আবদুল মুমিন- সুলতান মুহাম্মদ আলি'কে হত্যা করেন। সিংহাসন দখলের পরপরই 'পেঙ্গিরান আবদুল মুমিন' নাম বদলিয়ে 'আবদুল হাক্কুল মুমিন' নামগ্রহণ করেন। সুলতান মুহাম্মদ আলি'র অনুসারীদের রোষানলের শিকার হবার সম্ভাবনা থেকে পরিত্রাণ পেয়েছেন। এজন্য তাঁকে প্রতিপক্ষ মুহাম্মদ আলি'র (যাকে তিনি নিজে হত্যা করেছেন) নাতি মুহিদ্দিন'কে নতুন বেন্দাহারা (Bendahara বা প্রধানমন্ত্রী) পদে নিযুক্ত করেন। এদিকে মুহাম্মদ আলি'র অনুসারীগণ প্রধানমন্ত্রী মুহিদ্দিন'কে রাজি করান প্রতিশোধ নেবার জন্য এবং উদ্বুদ্ধ করায় ব্রুনেই গৃহযুদ্ধের জন্য। আবদুল হাক্কুল মুমিন- এর শাসনামল এবং ব্রুনেই গৃহযুদ্ধ দু'টিরই অবসান হয় ১৬৭৩ সালে; মুহিদ্দিন এর বিজয়ের মাধ্যমে

বিয়ে[সম্পাদনা]

আবদুল হাক্কুল মুমিন বিয়ে করেন সুলতান ওমর আলির দ্বিতীয় কন্যা আনাক জুবাইদাকে। তাদের কোনো সন্তান ছিল না।

অনিশ্চয়তসমূহ[সম্পাদনা]

ব্রুনেই কিংবা ব্রুনেই এর সুলতানদের ব্যাপারে গোড়ার সময়কার স্বচ্ছ ও পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস বা ধারাবাহিক নথিপত্র না থাকায় সুলতানদের ব্যাপারে স্পষ্ট পরম্পরা বের করা দোষ্কর। উপরন্তু সেখানকার ইতিহাস মূলত ইসলাম ভাবাপন্ন করে তোলা হয়েছে বলে ব্রুনেই সম্পর্কে রাখা মূল নথিপত্রে লেখা ইতিহাসের সাথে অনেক অসামঞ্জস্যতা লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন দেশে রাখা নথিপত্রের সাথে তা আরোও প্রকট। ব্রুনেই সম্পর্কে লেখা The Batu Tarsilah - the genealogical record of the kings of Brunei, ১৮০৭ সালের আগে লেখা শুরুই হয়নি। আবার, ব্রুনেই সম্পর্কে তথ্য রাখে এমন নথিপত্রের অনেকগুলোই চীন' এর নথিপত্রের উপর নির্ভরশীল ছিল। চীনের উৎস অনুসারে দেখা যায় যে ব্রুনেই এর প্রাথমিক সুলতানাতের সময়কালে তাঁরা চীনের উপর নির্ভরশীল ছিল এবং পূর্বপুরুষও সেই একই এলাকা উদ্ভূত হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এমনও হতে পারে প্রাথমিক সুলতানাতের সময়কালে তাঁরা অনুশীলনশীল হিন্দু অথবা বৌদ্ধ ছিলেন। প্রাথমিক সময়কালের সুলতানদের নাম এদিকটাই ইঙ্গিত করে।

রাজত্বকাল[সম্পাদনা]

রাজত্বকাল শিরোনাম
পূর্বসূরী
ওমর আলি সাইফুদ্দিন ২
ব্রুনেইয়ের সুলতান
১৮৫২–১৮৮৫
উত্তরসূরী
হাসমি জালিলুল আলম আকোয়ামদ্দিন

মৃত্যু[সম্পাদনা]

তিনি ২৯ মে ১৮৮৫ শুক্রবার মারা যান। তার মারা যাওয়ার পার ক্ষমতা পান তার দুলাভাই আনাক হাসমি। পরবর্তীতে তিনি সুলতান হাসমি জালিলুল আলম আকোয়ামদ্দিন নামে পরিচিতি পান।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

রয়েল আর্ক

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

ব্রুনেই ইতিহাস

BRIEF HISTORY

  1. Royal Ark