আপিল বিভাগ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(আপীল বিভাগ থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আপীল বিভাগ, সুপ্রীম কোর্ট
বাংলাদেশ সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের সিলমোহর.svg
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের সিলমোহর
অধিক্ষেত্রগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
অবস্থানরমনা, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক২৩°৪৩′৫১″ উত্তর ৯০°২৪′০৯″ পূর্ব / ২৩.৭৩০৭৭৭° উত্তর ৯০.৪০২৪৫৮° পূর্ব / 23.730777; 90.402458স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৩′৫১″ উত্তর ৯০°২৪′০৯″ পূর্ব / ২৩.৭৩০৭৭৭° উত্তর ৯০.৪০২৪৫৮° পূর্ব / 23.730777; 90.402458
অনুমোদনকর্তাবাংলাদেশের সংবিধান
তথ্যক্ষেত্রsupremecourt.gov.bd
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি
সম্প্রতিসৈয়দ মাহমুদ হোসেন
হইতে৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

আপীল বিভাগ হল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রীম কোর্টের আপীল আদালত। আপীল বিভাগ হল প্রথম স্তরের আপীল আদালত, যা হাইকোর্ট বিভাগের চুড়ান্ত বিচারিক রায় পর্যালোচনা করার কর্তৃত্ব রাখে।[১]

আপীল বিভাগ প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে সাত জন বিচারক নিয়ে গঠিত। বর্তমান প্রধান বিচারপতি হলেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। 

ইতিহাস [সম্পাদনা]

আপীল বিভাগ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত এবং ন্যায় বিচারের জন্য সর্বশেষ আবেদনের আদালত। এটি পূর্বে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালত ছিল, যা ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের সময় গঠিত হয়েছিল। 

এখতিয়ার [সম্পাদনা]

আপীল এখতিয়ার[সম্পাদনা]

সংবিধান অনুযায়ী:[২]

  1. হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানীর ও তাহা নিষ্পত্তির এখতিয়ার আপীল বিভাগের থাকিবে।
  2. হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগের নিকট সেই ক্ষেত্রে অধিকারবলে আপীল করা যাইবে, [...]
  3. হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে যে মামলায় এই অনুচ্ছেদের (২) দফা প্রযোজ্য নহে, কেবল আপীল বিভাগ আপীলের অনুমতিদান করিলে সেই মামলায় আপীল চলিবে।
  4. সংসদ আইনের দ্বারা ঘোষণা করিতে পারিবেন যে, এই অনুচ্ছেদের বিধানসমূহ হাইকোর্ট বিভাগের প্রসঙ্গে যেরূপ প্রযোজ্য, অন্য কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রেও তাহা সেইরূপ প্রযোজ্য হইবে।

পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ[সম্পাদনা]

সংবিধান অনুযায়ী:[৩]

  • কোন ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোন দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করিবার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হইতে পারে, উক্ত বিভাগ সেইরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করিতে পারিবেন।

রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা[সম্পাদনা]

সংবিধান অনুযায়ী:[৪]

  • সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।

উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার[সম্পাদনা]

সংবিধান অনুযায়ী:[৫]

  • যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জন-গুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

বিধি-প্রণয়ন-ক্ষমতা[সম্পাদনা]

সংবিধান অনুযায়ী:[৬]

  1. সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লইয়া প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন যে কোন আদালতের রীতি ও পদ্ধতি-নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিতে পারিবেন।
  2. সুপ্রীম কোর্ট এই অনুচ্ছেদের (১) দফা এবং এই সংবিধানের ১১৩ ও ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীন দায়িত্বসমূহের ভার উক্ত আদালতের কোন একটি বিভাগকে কিংবা এক বা একাধিক বিচারককে অর্পণ করিতে পারিবেন।
  3. এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-সাপেক্ষে কোন্ কোন্ বিচারককে লইয়া কোন্ বিভাগের কোন্ বেঞ্চ গঠিত হইবে এবং কোন্ কোন্ বিচারক কোন্ উদ্দেশ্যে আসন গ্রহণ করিবেন, তাহা প্রধান বিচারপতি নির্ধারণ করিবেন।
  4. প্রধান বিচারপতি সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারককে সেই বিভাগে এই অনুচ্ছেদের (৩) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-দ্বারা অর্পিত যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ভার প্রদান করিতে পারিবেন।

বিচারক[সম্পাদনা]

ক্রমিক নম্বর নাম [৭] অবসর গ্রহণের তারিখ জন্ম তারিখ আপীল বিভাগে নিয়োগের তারিখ হাইকোর্ট বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হিসাবে নিয়োগের তারিখ হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসাবে নিয়োগের তারিখ হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসাবে নিয়োগকালীন রাষ্ট্রপতি হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসাবে নিয়োগকালীন প্রধানমন্ত্রী হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসাবে নিয়োগকালীন আইনমন্ত্রী বিচারপতি হিসাবে নিয়োগের পূর্বের বিচারবিভাগীয় পদ আইন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
০১ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ৩০ ডিসেম্বর ২০২১ ৩১ ডিসেম্বর ১৯৫৪ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১ [৮] ২২ ফেব্রুয়ারি ২০০৩ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০০১ শাহাবুদ্দিন আহমেদ শেখ হাসিনা (আওয়ামী লীগ) আব্দুল মতিন খসরু (আওয়ামী লীগ) ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
০২ বিচারপতি মোঃ ঈমান আলী ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ ০১ জানুয়ারি ১৯৫৬ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০০৩ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০০১ শাহাবুদ্দিন আহমেদ শেখ হাসিনা (আওয়ামী লীগ) আব্দুল মতিন খসরু (আওয়ামী লীগ) সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; লিংকন'স ইন
০৩ বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬ ৩১ মার্চ ২০১৩ ২৫ মার্চ ২০০৯ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০০১ শাহাবুদ্দিন আহমেদ শেখ হাসিনা (আওয়ামী লীগ) আব্দুল মতিন খসরু আওয়ামী লীগ) সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
০৪ বিচারপতি মির্জা হোসাইন হায়দার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০১ মার্চ ১৯৫৪ ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৩ জুলাই ২০০৩ ০৩ জুলাই ২০০১ শাহাবুদ্দিন আহমেদ শেখ হাসিনা (আওয়ামী লীগ) আব্দুল মতিন খসরু (আওয়ামী লীগ) সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
০৫ বিচারপতি জিনাত আরা [১] ১৪ মার্চ ২০২০ ১৫ মার্চ ১৯৫৩ ০৯ অক্টোবর ২০১৮ ২৭ এপ্রিল ২০০৫ ২৭ এপ্রিল ২০০৩ ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ (বিএনপি) খালেদা জিয়া (বিএনপি) মওদুদ আহমেদ (বিএনপি) জেলা ও দায়রা জজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, হার্ভার্ড আইন বিদ্যালয়
০৬ বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকী ২৮ জুলাই ২০২১ ২৯ জুলাই ১৯৫৪ ০৯ অক্টোবর ২০১৮ ৩০ জুন ২০১১ ৩০ জুন ২০০৯ জিল্লুর রহমান (আওয়ামী লীগ) শেখ হাসিনা (আওয়ামী লীগ) শফিক আহমেদ জেলা ও দায়রা জজ, জজকোর্টের আইনজীবী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
০৭ বিচারপতি মোঃ নুরুজ্জামান ৩০ জুন ২০২৩ ০১ জুলাই ১৯৫৬ ০৯ অক্টোবর ২০১৮ ৩০ জুন ২০১১ ৩০ জুন ২০০৯ জিল্লুর রহমান (আওয়ামী লীগ) শেখ হাসিনা (আওয়ামী লীগ) শফিক আহমেদ সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবী অজ্ঞাত

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]