আনাই মগিনি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আনাই মগিনি
ব্যক্তিগত তথ্য
জন্ম (2003-03-01) ১ মার্চ ২০০৩ (বয়স ১৬)
জন্ম স্থান খাগড়াছড়ি
মাঠে অবস্থান রক্ষণভাগ
যুব পর্যায়ের খেলোয়াড়ী জীবন
বছর দল
২০১৩– গার্গা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়
জাতীয় দল
বছর দল উপস্থিতি (গোল)
২০১৬ বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৪[১] (১)
২০১৬– বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ (০)

† উপস্থিতি(গোল সংখ্যা)।

‡ জাতীয় দলের হয়ে খেলার সংখ্যা এবং গোল অক্টোবর ২৫, ২০১৬ তারিখ অনুযায়ী সঠিক।

আনাই মগিনি (জন্ম ১ মার্চ ২০০৩[৩]) হচ্ছে বাংলাদেশেরনারী ফুটবল দলের রক্ষণভাগের খেলোয়াড়। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় নারী ফুটবল দল এ খেলে। তিনি এএফসি অনূর্ধ্ব-১৪ নারী স্থানীয় চ্যাম্পিয়নশিপ - দক্ষিণ এবং মধ্য এর বিজয়ী দলের সদস্য ছিল ২০১৬ সালে তাজিকিস্তানে[১] তিনি ওই টুর্নামেন্ট এর মধ্যে একটি গোল করে। তিনি আনুচিং মগিনি এর জমজ বড় বোন, যেও ফুটবল খেলে।[৪]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

মগিনি জন্মগ্রহণ করে ২০০৩ সালে খাগড়াছড়ি জেলায়। তার বাবা রিপ্রু মগ, হচ্ছেন একজন কৃষক। যে ভেষজ ঔষধ বিক্রি করে। তার মা অপুর্মা মগিনি[৫] তিনি নবম শ্রেণীতে গার্গা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ছে রাঙ্গামাটি জেলায়[৬]

ক্রীড়া জীবন[সম্পাদনা]

মগিনি ২০১১ সাল থেকে ফুটবল খেলা শুরু করে।

জাতীয়[সম্পাদনা]

তিনি বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে মগাছড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হয়ে খেলে। যেটি নারীদের জন্য একটি বার্ষিক ফুটবল প্রতিযোগিয়া। দলটি ২০১২ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়।[৬] তার জেলা খাগড়াছড়ি কেএফসি জাতীয় নারী চ্যাম্পিয়নশিপ-এ অংশগ্রহণ না করায় তিনি রাঙ্গামাটির প্রতিনিধিত্ব করে ২০১৪ সালে।

মগিনি বর্তমানে তার বিদ্যালয়, গার্গা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের হয়ে খেলে। তিনি দলটিকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে রানার-আপ হতে সাহায্য করে ২০১৩, ২০১৪, এবং ২০১৫ সালে।[৭]

আন্তর্জাতিক[সম্পাদনা]

আনাই মগিনি এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বের খেলায় নির্বাচিত হয় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী ফুটবল দলের হয়ে খেলার জন্য। তিনি টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মত খেলে কাজাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৭ নারী দলের বিপক্ষে ২০১৬ সালে ৩১ আগস্ট।[৮] গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাংলাদেশ ২০১৭ এফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ এ অংশগ্রহণ করে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে থাইল্যান্ডে।[৯]

সম্মাননা[সম্পাদনা]

এএফসি অনূর্ধ্ব-১৪ নারী স্থানীয় চ্যাম্পিয়নশিপ – দক্ষিণ এবং মধ্য
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৪ নারী'
  • চ্যাম্পিয়ন: ২০১৬

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "BD U-16 Women's team ready for AFC battle"ডেইলি সান (ঢাকা) (ইংরেজি ভাষায়)। Dhaka। ২০১৬-০৮-২২। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১০-১৮ 
  2. "Schedule & Results"এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১০-০২ 
  3. Hoque, Shishir (২০১৬-০৯-০২)। "Meet our supergirls"ঢাকা ট্রিবিউন (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৯-২১ 
  4. "পাহাড়ের ৩ ফুটবল কন্যার বিজয়গাথা"দৈনিক আমাদের সময়। ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১৮ 
  5. মারমা, ময়োনকথায় (২০১৬-০৯-০৮)। "দেড় কিলোমিটার হেঁটে টিভিতে মেয়েদের খেলা দেখেন আনুচিং-আনাইয়ের বাবা মা"প্রিয়। ২০১৬-১০-৩০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১০-৩০ 
  6. "Unrelenting Passion"দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ) (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা। ২০১৬-১০-০৭। ২০১৬-১০-০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১০-২৬ 
  7. "ঘাগড়া উচ্চবিদ্যালয় যেন আরেক কলসিন্দুর"দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা। ২০১৬-০৯-১১। ২০১৬-১০-৩০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১০-৩০ 
  8. "AFC U-16 Women's Championship 2017"এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৬-০৮-৩১। ২০১৬-০৯-২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৮-৩০ 
  9. "Bangladesh, Australia through to AFC U-16 Women's C'ship 2017"এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৬-০৯-০৪। ২০১৬-০৯-০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৯-০৬