অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
Abhisekh Banerjee.jpg
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
সাংসদ, লোকসভা
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
১৬ই মে, ২০১৪
পূর্বসূরীসোমেন মিত্র
সংসদীয় এলাকাডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্র
সংখ্যাগরিষ্ঠ৩২০,৫৯৪ (২০১৯)
সাধারণ সম্পাদক, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস
কাজের মেয়াদ
৫ই জুন, ২০২১
পূর্বসূরীসুব্রত বক্সী
সভাপতি, সর্বভারতীয় তৃণমূল যুব কংগ্রেস
কাজের মেয়াদ
৫ই জুন, ২০১৫ – ৫ই জুন, ২০২১
পূর্বসূরীশুভেন্দু অধিকারী
উত্তরসূরীসায়নী ঘোষ
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1987-11-07) ৭ নভেম্বর ১৯৮৭ (বয়স ৩৩)
কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
দাম্পত্য সঙ্গীরুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় (née নারুলা)
আত্মীয়স্বজনমমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (পিসি)
প্রাক্তন শিক্ষার্থীনব নালন্দা হাইস্কুল;
এম পি বিড়লা ফাউন্ডেশন হাই স্কুল;
ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ প্ল্যানিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, নতুন দিল্লি (বিবিএ ও এমবিএ)
জীবিকারাজনীতি, ব্যবসায়ী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ৭ নভেম্বর, ১৯৮৭) হলেন একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ। তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত ১৬শ লোকসভার সদস্য। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে উক্ত আসন থেকে নির্বাচিত হন। তিনি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের যুব শাখা সর্বভারতীয় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি। ২০২১ সালে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। [১]

ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মজীবন[সম্পাদনা]

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভ্রাতুষ্পুত্র। তিনি এম. পি. বিড়লা ফাউন্ডেশন হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে পড়াশোনা করেন। নতুন দিল্লির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ প্ল্যানিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট থেকে বিবিএ পাস করার পর তিনি উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকেই এমবিএ করেন।[২]

তার স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় থাইল্যান্ডে জন্মেছেন। সে দেশেরই নাগরিক। তবে তার ভারতীয় বংশোদ্ভূত জনমানস কার্ড (পিআইও কার্ড) রয়েছে।

রাজনৈতিক কর্মজীবন[সম্পাদনা]

২০১২ সালের জুলাই মাসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বভারতীয় তৃণমূল যুবার জাতীয় সভাপতি রূপে তার রাজনৈতিক কর্মজীবন শুরু করেন। [৩] ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্র(যা মূলত দক্ষিণ হুগলীর পূর্ব তট অঞ্চল নিয়ে গঠিত) থেকে প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতা করে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)-র ড. আবুল হাসনতকে পরাজিত করেন। [৪] তাকে ‘১৬শ লোকসভার শিশু’ বলা হয়। কারণ তিনি উক্ত লোকসভার কনিষ্ঠতম সদস্য।

২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে তিনি সর্বভারতীয় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি ঘোষিত হন।[১]

তাকে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস-এর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Mamata Banerjee sets stage for nephew Abhishek for bigger role in Trinamool Congress" 
  2. "Elections India - Abhishek Banerjee Biography" 
  3. "Didi looking to stem rot with image makeover"। Hindustan Times। ২০১৩-০১-১৯। ২০১৩-০৪-০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৬-১২ 
  4. "TMC shines in West Bengal, bags 34 of 42 Lok Sabha seats"। ২০১৪-০৫-১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-১০-২৮