তনচংগা
| মোট জনসংখ্যা |
|---|
| 51,773 [১] |
| উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার অঞ্চলসমূহ |
| Majority populations in Bangladesh
In Bangladesh the Tanchangya reside in the Chittagong Hill Tracts area and also in India and Myanmar |
| ভাষাসমূহ |
|
Tanchangya |
| ধর্ম |
তনচংগা/তনচংগ্যা অথবা তঞ্চংগ্যা পার্বত্য চটগ্রামে বসবাসকারী একটি উপজাতি। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যার দিক থেকে এদের স্তান ৫ম। ১৯৯১ সালের আদমশুমারি অনুসারে এদের জনসংখ্যা ২১,০৫৭ জন এবং পরিবার সংখ্যা ৪,০৪৩টি। পার্বত্য চটগ্রামের রাংগামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায়, চটগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া থানার রইস্যাবিলি এলাকায় কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফে তঞ্চংগ্যা জনজাতির বসবাস। অন্যান্য পাহাড়ি জাতির মতো তনচংগ্যাদের আবাসভূমি গড়ে ওঠে পাহাড়ের অরণ্য অঞ্চলে। ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্যের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলেও তঞ্চংগ্যাদের আবাসভূমি রয়েছে। মায়ানমারের আরাকান এবং ছিন রাজ্যের এবং ইয়াংগুন শহরেও তনচংগ্যা রয়েছে। সেখানে তারা ‘দোইনাক’ নামে পরিচিত। নৃতাত্বিক ব্যাখ্যায় তনচংগ্যারা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর লোক। তনচংগ্যা জনগোষ্ঠী ভারতীয় আরয ভাষার অন্তরগত পালি, প্রাকৃত, আদিবাংলা ভাষায় কথা বলে। তনচংগ্যাদের স্বভাপ বেশ নম্র। তারা কিছু লাজুক স্বভাবেরও বটে।
তঞ্চঙ্গ্যাদের পেশা মূলত কৃষি। বিভিন্ন পাহাড়ে, টিলায় বা উঁচু ভূমিতে প্রস্তত করা বাগান-বাগিচা বৃক্ষ রোপণ করেও কেউ কেউ জীবিকা নির্বাহ করে। অতীতে তারাও ব্যাপকভাবে জুমচাজ করতো যা র্বতমানেও অব্যাহত, তুলনামূলকভাবে অনেকটা কম। তঞ্চঙ্গ্যাদের মধে শিক্ষিতের হার খুব বেশি নয়। র্বতমানে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষটানে কেউ কেউ চাকরি করে।
তঞ্চঙ্গ্যাদের ঐতিহ্যবাহী নিজস্ব পোশাক রয়েছে। তঞ্চঙ্গ্যা নারী তাদের নিজস্ব পোশাকে দেখতে খুবই আকর্ষণীয় । পাহাড়ি নারিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পোশাক-পরিচ্ছদ ও অলংকার পরিধান করে তঞ্চঙ্গ্যা নারী। তাদের পোশাক-পরিচ্ছদে বৈচিত্র্যও বিশেষভাবে লক্ষণীয়। তঞ্চঙ্গ্যা রমণীর পরনে থাকে প্রথমত সাত রঙের পিনুইন বা পিনন। পিননের দুই প্রান্তে লম্বালম্বি স্ট্রাইপ, মাঝখানে দুই প্রান্তে রঙের লম্বালম্বি স্ট্রাইপ এবং সমগ্র পিননে বিবিন্ন রঙের সুতার স্ট্রাইপ থাকে। তঞ্চঙ্গ্যা রমণীরা অতীতে নানা ধরনের অলংকার পরত। তাদের ব্যবহ্রত অলংকারের মধ্যে কানে রাজ্জু ও ঝংকা, কবজিতে বাঘোর, কুচিখারু, বাহুতে তাজজুর, গলায় চন্দ্রহার, হাচুলি, সিকছড়া প্রভৃতি উল্লেখযগ্য। এসব অলংকার সাধারণত রুপা দিয়ে তৈরি।
বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]
আরও দেখুন[সম্পাদনা]
|
|
|||||
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু কোনো <references/> ট্যাগ নেই