ইন্টারনেটের ইতিহাস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

ইন্টারনেটের ইতিহাসের শুরু হয় ১৯শতকে টেলিগ্রাফ ব্যবস্থা আবিষ্কারের সময় যদিও এটা বিতর্কিত। আধুনিক ইন্টারনেটের ইতিহাস শুরু হয়েছিল ১৯৫০ দশকের থেকে ১৯৬০র দশকে কম্পিউটারের উন্নয়নের সময়। এটা শুরু হয়েছিল মেইনফ্রেম কম্পিউটার ও টার্মিনালগুলোর পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট যোগাযোগ (point-to-point communication) এর মাধ্যমে, যেটা বেড়ে হয়েছিল কম্পিউটার পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট সংযোগ (point-to-point connection) এবং পরে প্রথমদিকের প্যাকেট সুইচিং গবেষনায়। প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক যেমন অর্পানেট(ARPANET), (মার্ক ১)Mark I, সাইক্লেডস (CYCLADES),মেরিট নেটওয়ার্ক (Merit Network),টাইমনেট (Tymnet), এবং টেলিনেট (Telenet) ইত্যাদির উন্নয়ন হয়েছিল ১৯৬০এর দশকের শেষের দিকে এবং ১৯৭০ দশকের শুরুর দিকে বিভিন্ন ধরনের প্রোটোকল ব্যবহার করে, অর্পানেট এইক্ষেত্রে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে। তারা এমন একটি প্রোটোকল তৈরী করে ইন্টারনেটওয়ার্কিং এর জন্য যাতে একই সঙ্গে দুইএর অধিক কিন্তু আলাদা আলাদা নেটওয়ার্ক যোগ হতে পারে।

১৯৮২ তে ইন্টারনেট প্রোটোকল সুইস (TCP/IP) কে আদর্শ করা হয় এবং ওয়াল্ড ওয়াইড নেটওয়ার্কের সাথে টিসিপি/আইপির মাধ্যমে আন্তঃসংযুক্ত নেটওয়ার্কগুলোকে বলা হত ইন্টারনেট তার সূচনা করা হয়। অর্পানেট ১৯৮১ সালে ছড়িয়ে পড়ে যখন ন্যাশনাল সাইন্স ফাউন্ডেশন (NSF) একটি কম্পিউটার সাইন্স নেটওয়ার্কের (CSNET) উন্নয়ন করে এবং আবার ১৯৮৬তে যখন এনএসএফনেট (NSFNET) ইউনাইটেড স্টেটস এর গবেষনা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপার কম্পিউটার সাইটগুলোতে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ দেয়। ১৯৯০ এ অর্পানেটকে কর্মবিরত করা হয়।

বানিজ্যিক ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (internet service providers) বা আইএসপি'র (ISP) উদ্ভব হতে থাকে ১৯৮০র শেষের থেকে ১৯৯০র প্রথম দিকে। ১৯৯৫ এর মধ্যে ইন্টারনেট বানিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হওয়া শুরু করে যখন এনএফএসনেট কর্মবিরত হয় এতে ইন্টারনেট ব্যবহারের শেষ বাধা দূর হয়।

১৯৯০ এর মাঝামাঝি থেকেই সংস্কৃতি এবং বানিজ্যে ব্যপক প্রভাব ফেলে প্রায় ইনস্ট্যান্ট যোগাযোগের কাছাকাছি ইলেক্ট্রনিক মেইল বা ই-মেইল, লেখা ভিত্তিক ডিসকাসন ফোরাম এবং ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েব। গবেষনা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এডভান্স বা উন্নত নেটওয়ার্কগুলোর ব্যবহার শুরু করে যেমন এনএফএস'র দ্রুতগতির ব্যাকবোন নেটওয়ার্ক সার্ভিস (vBNS) এবং ইন্টারনেট২, বর্ধিত ডেটার আদানপ্রদান গতি বাড়তে লাগল ফাইবার অপটিক এর মাধ্যমে। নেটওয়ার্কগুলো এখন ১-জিবিপিএস ১০-জিবিপিএস(Gbps) বা আরও বেশি গতি নিয়ে বাড়ছে বানিজ্য, আনন্দমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ দ্বারা তথ্য এবং জ্ঞানের সমুদ্রে ।

সূচিপত্র

[সম্পাদনা] পূর্বকথা

ইন্টারনেট ইতিহাসের সময়কাল

প্রথমদিকের রিসার্চ এবং উন্নয়ন:

Merging the networks and creating the Internet:

Commercialization, privatization, broader access leads to the modern Internet:

[সম্পাদনা] তিনটি টার্মিনাল এবং একটি অর্পা (ARPA)

[সম্পাদনা] প্যাকেট সুইচিং

একটি লজিক্যাল নেটওয়ার্কের সাথে কিছু ভিন্ন ভিন্ন ফিজিক্যাল নেটওয়ার্ক যুক্ত থাকবে নেটওয়ার্ক তৈরীর জন্য এটা ছিল একটি সমস্যা যেটা প্যাকেট সুইচিং ধারনাকে এগিয়ে আনে। ১৯৬০'র দশকে র‍্যন্ড (RAND) করপোরেশনের পল ব্যারন (Paul Baran), উৎপাদন করেন আমেরিকান মিলিটারির জন্য একটি নেটওয়ার্ক। ব্যারনের নেটওয়ার্কে যে তথ্য পারাপার হয় তা ভাগ হয়ে যায় যেটাকে তিনি ডাকতেন ম্যাসেজ ব্লক নামে। একইভাবে এবং আলাদা ডোনাল্ড ডেভিস (Donald Davies) ন্যাশনাল ফিজিক্যাল ল্যাবরেটরি (National Physical Laboratory, UK) একটি সদৃশ্য নেটওয়ার্ক তৈরী করেন যাকে তিনি ডাকতেন প্যাকেট সুইচিং নামে, যেটা এখন বলা হয়। লিওনার্ড ক্লেইনরক (Leonard Kleinrock (MIT)) এই প্রযুক্তির গানিতিক ত্বত্ত তৈরী করেন। টেলিফোন এর সার্কিট সুইচিং প্রযুক্তির তুলনায় প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তি ছিল ভাল, ব্যান্ডউডথের যথাযথ ব্যবহার এবং দ্রুত সাড়া পাওয়া যেত।[১]

প্যাকেট সুইচিং হল একটি দ্রুত স্টোর-এবং-সামনে নেটওয়ার্কিং নকশা যেটা ম্যাসেজগুলোকে ভাগ করে আরবিট্রারি প্যাকেটগুলোয় পরিনত করে, রাউটিং ডিসিশন এটা তৈরী করে প্রতি প্যাকেটে। প্রথমদিকের নেটওয়ার্কগুলো ম্যাসেজ সুইচ ব্যবস্থা ব্যবহার করত যেটায় শক্ত একটি রাউটিং গঠন সিঙ্গেল পয়েন্ট ভুলের প্রবনতা থাকত।[২]

[সম্পাদনা] ইন্টারনেট তৈরীতে নেটওয়ার্কসমূহ

[সম্পাদনা] অর্পানেট (ARPANET)

[সম্পাদনা] এনপিএল (NPL)

১৯৬৫ সালে ন্যাশনাল ফিজিক্যাল ল্যাবরেটরির (National Physical Laboratory ) ডোনাল্ড ডেবিস প্রস্তাব করেন জাতীয় তথ্য নেটওয়ার্ক যেটা হবে প্যাকেট সুইচিং কে ভিত্তি করে। এটি জাতীয়ভাবে গ্রহন করা হয়নি, কিন্তু ১৯৭০ এ তিনি নকশা করেন এবং তৈরী করেন মার্ক-১ প্যাকেট সুইচ নেটওয়ার্ক যেটা ল্যাবরেটরির কাজে ব্যবহার করা হয় এবং এভাবে প্রমান করেন যে এটা চালান যায়।[৪] ১৯৭৬ এ ১২টি কম্পিউটার এবং ৭৫ টি টার্মিনাল ডিভাইস একত্র করা হয় এবং ১৯৮৬ সালে ইন্টারনেট এর জায়গা দখল করে নেয়ার আগ পযর্ন্ত আরো যোগ করা হয়।

[সম্পাদনা] মেরিট নেটওয়ার্ক (Merit Network)

[সম্পাদনা] সাইক্লেডস (CYCLADES)

এটি ছিল একটি প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক যার নকশা এবং পরিচালনা করেন একজন ফ্রেন্ঞ্চ গবেষক লুইস পোওজিন (Louis Pouzin)। এটার প্রথম বিশদব্যাখ্যা করা হয় ১৯৭৩ এ, এটা তৈরী করা হয়েছিল অর্পানেট শুরু করার বিকল্প হিসেবে এবং নেটওয়ার্ক ভিত্তিক গবেষনাকে সহায়তা প্রদান করতে। এটাই প্রথম নেটওয়ার্ক যেখানে হোস্টরা (নেটওয়ার্কের জায়গায়) তাদের পাঠানো ডাটার নির্ভরযোগ্যতার জন্য দায়ী থাকত। অনির্ভরযোগ্য তথ্য পাঠানোর জন্য অনির্ভরযোগ্য ডেটাগ্রাম এবং এন্ড টু এন্ড প্রোটোকল ব্যবস্থা দায়ী।[৫][৬]

[সম্পাদনা] এক্স ২৫ এবং পাবলিক ডেটা নেটওয়ার্ক

[সম্পাদনা] ইউইউসিপি এবং ইউজনেট (UUCP and Usenet)

[সম্পাদনা] নেটওয়ার্কের ইন্টারনেটে রূপান্তর (১৯৭৯-১৯৯০)

[সম্পাদনা] টিসিপি/আইপি

Map of the TCP/IP test network in February 1982

[সম্পাদনা] অর্পানেট থেকে এমআইএলনেট (MILNET), এনএসআই(NSI), ইএসনেট(ESNet), সিএসনেট(CSNET) এবং এনএসএফনেট(NSFNET)

চিত্র:NSFNET-backbone-T3.png
T3 NSFNET Backbone, c. 1992

[সম্পাদনা] নেটওয়ার্কের ইন্টারনেটে পরিবর্তন

[সম্পাদনা] বিশ্বব্যপি টিসিপি/আইপি(১৯৯৮-২০০০)

[সম্পাদনা] সিইআরএন, ইউরোপিয়ান ইন্টারনেট এবং প্যাসিফিক এর সাথে সংযোগ

[সম্পাদনা] বৈশ্বিক ডিজিটাল ভাগ

[সম্পাদনা] আফ্রিকা

[সম্পাদনা] এশিয়া এবং ওশেনিয়া

[সম্পাদনা] লাতিন আমেরিকা

অন্যান্য অঞ্চলের সাথে, লাতিন আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান ইন্টারনেট অ্যাড্রেসেস রেজিস্ট্রি (LACNIC) এই এলাকার আইপি ঠিকানা, জায়গা এবং অন্যান্য মূল্যবান তথ্য ব্যবস্থাপনা করে। এটির মূল কার্যনিবার্হী ভবন উরুগুয়ে, এটি ডিএনএস রুট, রির্ভাস রুট এবং অন্যান্য সেবা দিয়ে থাকে।

[সম্পাদনা] টিসিপি/আইপি ২০১০ থেকে বর্তমান

[সম্পাদনা] বানিজ্যের ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কের আগমন

[সম্পাদনা] ইন্টারনেট ইন্জিনিয়ারিং টাস্কফোর্স

[সম্পাদনা] বিশ্বায়ন এবং একুশ শতক

[সম্পাদনা] ব্যবহার এবং সংস্কৃতি

[সম্পাদনা] ইমেইল এবং ইউজনেট

===গোফার (gopher) থেকে ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ (WWW)

This NeXT Computer was used by Sir Tim Berners-Lee at CERN and became the world's first Web server.

[সম্পাদনা] সার্চ ইন্জিন

[সম্পাদনা] ডট.কম

[সম্পাদনা] অনলাইন জনসংখ্যা ভবিষ্যদ্বানী

জুপিটার রিসার্চ দ্বারা পরিচালিত একটি গবেষনায় দেখা যায় যে, জনসংখ্যার ৩৮% অনলাইন ব্যবহার করলে এটা বুঝা যাবে যে, ২০১১ তে, পৃথিবীর জনসংখ্যার ২২% লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করবে নিয়মিত। রিপোর্টে বলা হয় ১•১ বিলিয়ন লোক নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহার করে। গবেষনার জন্য জুপিটার রিসার্চ অনলাইন ব্যবহারকারীদের কে জনসংখ্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে যারা প্রতিদিন ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এতে সেলুলার টেলিফোন বাদ দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র বহুল ব্যবহৃত ইন্টারনেট প্রবেশের মাধ্যমকেই গননা করা হয়েছে যেমন- মডেম।[৭]

[সম্পাদনা] মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট

[৮]

[সম্পাদনা] ইতিহাস ধারা

ইন্টারনেটের ইতিহাস ধারা উন্নয়নের কিছু ধারনা উঠে এসেছে। বিশেষত, ইন্টারনেট উন্নয়নের দলিলপত্র খুজে পাওয়া কঠিন, অনেক কারনে, যার মধ্যে আছে কেন্দ্রীয় দলিল পত্রের অভাব যেটা ইন্টারনেটের উন্নয়নে অবদান রেখেছে।[৯]}}

[সম্পাদনা] আরও দেখুন

[সম্পাদনা] রেফারেন্সসমূহ

  1. Ruthfield, Scott, The Internet's History and Development From Wartime Tool to the Fish-Cam, Crossroads 2.1, September 1995.
  2. About Rand. Paul Baran and the Origins of the Internet. http://www.rand.org/about/history/baran.html। সংগৃহীত হয়েছে: January 14, 2006. 
  3. Leonard Kleinrock (2005); “The history of the Internet”। 2009-05-28 তারিখে সংগৃহীত।।
  4. Celebrating 40 years of the net, by Mark Ward, Technology correspondent, BBC News, October 29, 2009
  5. "A Technical History of CYCLADES", Technical Histories of the Internet & other Network Protocols, Computer Science Department, University of Texas Austin
  6. "The Cyclades Experience: Results and Impacts", Zimmermann, H., Proc. IFIP'77 Congress, Toronto, August 1977, pp. 465-469
  7. Brazil, Russia, India and China to Lead Internet Growth Through 2011. প্রকাশক: Clickz.com. http://clickz.com/showPage.html?page=3626274। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-05-28. 
  8. Friedhelm Hillebrand, ed. (2002): "GSM and UMTS, The Creation of Global Mobile Communications", John Wiley & Sons, ISBN 0-470-84322-5
  9. "An Internet Pioneer Ponders the Next Revolution". Illuminating the net's Dark Ages. August 23, 2007. http://news.bbc.co.uk/1/hi/technology/6959034.stm। সংগৃহীত হয়েছে: February 26, 2008. 

[সম্পাদনা] আরও পড়ুন

[সম্পাদনা] বর্হিসংযোগ সমূহ

Hobbes' Internet Timeline v10. http://www.zakon.org/robert/internet/timeline/। সংগৃহীত হয়েছে: July 23, 2010. 

Internet History: People. Internet History People. http://www.unc.edu/depts/jomc/academics/dri/pioneers2d.html। সংগৃহীত হয়েছে: July 3, 2006. 

Internet History Timeline. Internet History Timeline. http://www.computerhistory.org/exhibits/internet_history/। সংগৃহীত হয়েছে: November 25, 2005. 

Internet History. Internet History. Archived from the original on October 31, 2005. http://web.archive.org/web/20051031200142/http://www.mkaz.com/ebeab/history/। সংগৃহীত হয়েছে: November 25, 2005. 

History of the Internet. History of the Internet. http://www.nic.funet.fi/index/FUNET/history/internet/en/etusivu-en.html। সংগৃহীত হয়েছে: June 11, 2008. 

Internet Society. http://www.isoc.org/internet/history/। সংগৃহীত হয়েছে: December 1, 2007. 

Living Internet. http://www.livinginternet.com/i/ii.htm। সংগৃহীত হয়েছে: January 1, 2009.  Internet History with input from many of the people who helped invent the Internet


কম্পিউটিং-এর ইতিহাস
১৯৬০-এর পূর্বে হার্ডওয়্যার
১৯৬০-এর দশক থেকে বর্তমান পর্যন্ত হার্ডওয়্যার
সাম্যবাদী দেশগুলোতে হার্ডওয়্যার
অপারেটিং সিস্টেমসমূহ
সফটওয়্যার প্রকৌশল
প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহ
গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস
ইন্টারনেট
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব
কম্পিউটার গেম ও ভিডিও গেম
কম্পিউটিং-এর সময়রেখা
আরও...

নিজস্ব হাতিয়ারসমূহ
নামস্থান

বিকল্পসমূহ
কার্যক্রম
পরিভ্রমন
মুদ্রণ/এক্সপোর্ট
সরঞ্জাম
অন্যান্য ভাষাসমূহ