আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল
Alexander Graham Bell.jpg
১৯১০ সালে আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেলের পোর্ট্রেট
জন্ম ৩রা মার্চ, ১৮৪৭
এডিনবরা, স্কটল্যান্ড
মৃত্যু আগস্ট ২, ১৯২২ (৭৫ বছর)
বাইন ব্রেঘ, নোভা স্কটিয়া, কানাডা
মৃত্যুর কারণ পার্নিসিয়াস অ্যানিমিয়া
শিক্ষা ইউনিভার্সিটি অফ এডিনবরা
ইউনিভার্সিটি অফ টরোন্টো
পেশা উদ্ভাবক, বিজ্ঞানী
যে জন্য পরিচিত টেলিফোনের উদ্ভাবক
দাম্পত্য সঙ্গী ম্যাবেল হুবার্ড
(১৮৭৭-১৯২২)
সন্তান (৪) দুই ছেলে শিশু অবস্থায় মারা যায়, দুই মেয়ে
পিতা-মাতা আলেকজান্ডার মেলভিল বেল
এলিজা গ্রেইস সাইমন্ড্‌স বেল
আত্মীয় গার্ডিনার গ্রিন হুবার্ড (শ্বশুর)
গিলবার্ট হোভি গ্রসভেনর (জামাতা)
মেলভিল বেল গ্রসভেনর (নাতি)

আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল (৩রা মার্চ, ১৮৪৭ - ২রা আগস্ট, ১৯২২) প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবক। টেলিফোনের অন্যতম আবিষ্কারক হিসেবে তিনি সবচেয়ে পরিচিত। তাকে বোবাদের পিতা তথা দ্য ফাদার অফ দ্য ডিফ নামে ডাকা হতো। তার বাবা, দাদা এবং ভাই সবাই একক অভিনয় ও বক্তৃতার কাজে জড়িত ছিলেন এবং তার মা ও স্ত্রী উভয়েই ছিলেন বোবা। এ কারণেই বোবাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে তিনি অনেক গবেষণা করেছেন। টেলিফোন উদ্ভাবনের আগে থেকেই তিনি শ্রবণ ও কথন সংশ্লিষ্ট গবেষণা নিয়োজিত ছিলেন। ১৮৭৬ সালে তাকেই টেলিফোনের প্রথম মার্কিন পেটেন্টের সম্মানে ভূষিত করা হয়।

পরবর্তী জীবনে বেল আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেন যার মধ্যে রয়েছে উড়ো নৌকা এবং বিমানচালনবিদ্যা১৮৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন বেল। তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদ্ভাবন যে টেলিফোন, সেটিকেই তিনি এক উটকো ঝামেলা জ্ঞান করতেন। এজন্যেই নিজের গবেষণা ও অধ্যয়ন কক্ষে কোন টেলিফোন রাখতেন না। বেল মারা যাওয়ার পর আমেরিকার সকল টেলিফোনে এক মিনিটের জন্য অবিরাম রিং বাজানো হয়। মার্কিন প্রশাসনের ভাষ্য মতে যে মহান ব্যক্তি মানুষে-মানুষে যোগাযোগের এ পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন তাকে উপযুক্ত সম্মান দেখানোর জন্যই এমনটি করা হয়েছে।

বহিঃসংযোগসমূহ[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্রে বেলের জীবন[সম্পাদনা]

বেলের পেটেন্টসমূহ[সম্পাদনা]

U.S. patent images in TIFF format

পুরস্কার
পূর্বসূরী
চার্লস বুশ
আইইইই এডিসন মেডেল
১৯১৪


উত্তরসূরী
নিকোলা টেসলা
পূর্বসূরী
গার্ডিনার গ্রিন হুবার্ড
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটির সভাপতি
১৮৯৭-১৯০৪


উত্তরসূরী
উইলিয়াম জন ম্যাকগি