ইংমার বারিমান
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
| ইংমার বারিমান | |
|---|---|
ওয়াইল্ড স্ট্রবেরিস চলচ্চিত্রের পরিচালনায় রত ইংমার বার্গম্যান (১৯৫৭) |
|
| জন্ম | আর্নেস্ট ইংমার বারিমান |
| কার্যকাল | ১৯৪৪ - ২০০৫ |
| দাম্পত্য সঙ্গী | এলসে ফিশার (১৯৪৩-১৯৪৫) Ellen Lundström (১৯৪৫-১৯৫০) Gun Grut (১৯৫১-১৯৫৯) Käbi Laretei (১৯৫৯-১৯৬৯) Ingrid von Rosen (১৯৭১-১৯৯৫) |
| সন্তান | লেনা বার্গম্যান (জ. ১৯৪৩) ইভা বার্গম্যান (জ. ১৯৪৫) জান বার্গম্যান (জ. ১৯৪৬) ম্যাট্স বার্গম্যান (জ. ১৯৪৮) আনা বার্গম্যান (জ. ১৯৪৮) ইংমার বার্গম্যান জুনিয়র (জ. ১৯৫১) মারিয়া ফন রোজেন (জ. ১৯৫৯) দানিয়েল বার্গম্যান (জ. ১৯৬২) লিন উলমান (জ. ১৯৬৬) |
| পুরস্কার | সেরা পরিচালক হিসেবে এনবিআর পুরস্কার 1972 Viskningar och rop 1978 Höstsonaten NYFCC Award for Best Director 1973 Viskningar och rop 1974 Scener ur ett äktenskap 1983 Fanny och Alexander NYFCC Award for Best Screenplay 1973 Viskningar och rop |
ইংমার বারিমান (সুয়েডীয়
Ingmar Bergman (সাহায্য·তথ্য) ইংমার্ ব্যার্য়্মান্, জন্ম জুলাই ১৪, ১৯১৮ - মৃত্যু জুলাই ৩০, ২০০৭) বিখ্যাত সুয়েডীয় চলচ্চিত্র ও মঞ্চ পরিচালক ও নির্দেশক এবং নাট্যকার। তাঁর কাজের বিষয় ছিল মানুষের জীবনের শুন্যতা ও অর্থহীনতা এবং একই সাথে জীবনের আশা ও কৌতুক। তাঁকে বিশ্বচলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পরিচালক বলে ধরা হয়।
জীবনী[সম্পাদনা]
বারিমানের বাবা খ্রিস্টান ধর্মের লুথারান চার্চের (মার্টিন লুথার থেকে এসেছে) অনুসারী ছিলেন। বাল্যকালে তার চিন্তা-চেতনা ও আদর্শ বিনির্মাণে এই চার্চ সংস্কৃতি অনেকটা অবদান রেখেছিল। তার ছবির চরিত্রগুলোর মধ্যে যে ভোগান্তির ছাপ থাকে তা পুরোপুরি ধর্মীয় না হলেও নৈতিক বিচারের একটি মানদণ্ডের সন্ধান তাদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। ভাল আর মন্দ এবং সঠিক আর বেঠিকের সন্ধানে ব্যস্ত চরিত্রগুলোর কাজ এবং উদ্দেশ্য থেকেই তাদের প্রেরণার উৎস বোঝা যায়। সম্পূর্ণ ধর্মীয় পরিবেশে বেড়ে উঠা কারও ছবিতে এমনটি থাকা বেশ স্বাভাবিক। বাল্যকালের আরেকটি বিষয় বারিমানের ছবিতে বিশাল প্রভাব ফেলেছে। তা হল, ধর্মের শিল্প-সংস্কৃতি। বিশেষত বাইবেলের গল্প বা ঘটনা এবং সেগুলোর উপস্থাপনার দিকে তিনি উৎসাহ বোধ করেছেন, সেগুলোকে ভিজুয়াল উপস্থাপনা হিসেবে তুলে ধরার তাড়া অনুভব করেছেন। বাইবেলের গল্পের পাশাপাশি সুয়েডীয় চার্চের নীতিগর্ভ রূপক কাহিনীও তাকে অনুপ্রাণিত করেছে। শয়তানের মধ্যে যে অশুভ উপস্থিত তাকে সেটাকে রূপায়িত করার দিকে তার আগ্রহ ছিল সবচেয়ে বেশি।
বারিমান স্টকহোম ইউনিভার্সিটিতে শিল্প, ইতিহাস এবং সাহিত্য বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। এখান থেকেই তার মঞ্চ জীবনের সূচনা ঘটে। প্রচুর মঞ্চ নাটক ও অপেরাতে অংশ নিতে থাকেন। অভিনয়, রচনা এবং পরিচালনা সব দিকেই তার ঝোঁক ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্চ থেকে একসময় পেশাদার মঞ্চে যোগ দেন। তার মূল কর্মজীবন শুরু হয় স্টকহোমের Mäster Olofsgärden Theatre এবং Sagas Theatre নামক দুটি মঞ্চ দলে নবিস পরিচালক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে। এ সময়ই সুয়েডীয় নাট্যকার August Strindberg রচিত Ghost Sonata নাটকের সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী ও সফল মঞ্চায়ন সম্পন্ন করেন। ১৯৪৪ সালে Helsingborg এর মিউনিসিপ্যাল মঞ্চে পুরোদস্তুর পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন।
মঞ্চ কর্ম[সম্পাদনা]
চলচ্চিত্র কর্ম[সম্পাদনা]
এই বিষয়ে মূল নিবন্ধের জন্য দেখুন: ইংমার বারিমানের চলচ্চিত্র
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
|
|||||||||||||||||||||||