আল বদর
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। |
আল বদর ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সহায়তা দানকারী আধা-সামরিক বাহিনী। যার সৃষ্টি হয়েছিল পাকিস্তান রাষ্ট্রকে অখন্ড রাখার উদ্দেশ্যে জনমত গঠন করার জন্য। পূর্বাঞ্চলীয় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল নিয়াজীর পৃষ্ঠপোষকতায় এই বাহিনী গঠিত হয়েছিল। ইসলামিক ইতিহাসের বদর যুদ্ধকে আদর্শ করে এই বাহিনী গঠিত হলেও এদের মূলকাজ ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে তুলে দেয়া আর নারী ধর্ষণ এবং ধর্ষণে সহায়তা করা। মে মাসে রাজাকার বাহিনী গঠনের আগেই এপ্রিল মাসে গঠিত হয় আল বদর বাহিনী। রাজাকার বাহিনী সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে, আর আল বদর বাহিনীর মূল কাজ ছিল সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক গণহত্যার মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা। সাধারণভাবে ধারণা করা হয় যে পাকিস্তান বিরোধী বুদ্ধজীবীদের হত্যা করাই ছিল এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান বাহিনীর পতনের পর এই বাহিনীর বিলুপ্তি ঘটে।
[সম্পাদনা] প্রতিষ্ঠা
২২ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে ময়মনসিংহ জেলা ইসলামী ছাত্রসংঘের সভাপতি মুহম্মদ আশরাফ হোসাইনের নেতৃত্বে জামালপুর শহরে আল বদর বাহিনী গঠিত হয়।
দৈনিক পাকিস্তান ও পূর্বদেশ পত্রিকায় ২৩ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে প্রকাশিত সংবাদে আল বদর বাহিনী নিজেদের সম্পর্কে বলে,
"আলবদর একটি নাম! একটি বিস্ময়। আলবদর একটি প্রতিজ্ঞা! যেখানে তথাকথিত মুক্তিবাহিনী আলবদর সেখানেই! যেখানেই দুষ্কৃতকারী, আলবদর সেখানেই। ভারতীয় চর বা দুষ্কৃতকারীদের কাছে আলবদর সাক্ষাৎ আজরাইল।"
[সম্পাদনা] তালিকা
ঢাকা বিভাগ
টাঙ্গাইল জেলা:
অপরাধী: আনিস- আল-বদর
ময়মনসিংহ জেলা:
অপরাধী: আশরাফুজ্জামান খান- আলবদর বাহিনীর প্রধান, মোঃ নুরুল ইসলাম-আল-বদর প্রধান, আল-বদর কমান্ডার- ক্বারী আব্দুল কাদের, আল-বদর-মো: আবুল বাশার (বাসায়েত), আল-বদর কমান্ডার – সুরুজ, আলবদর- জুলু, আল-বদর – জি. এম. এনামুল হক, আল-বদর মাওলানা জুবাদেয়দ আলী, আল-বদর- কাজী মউদ্দিন, আল-বদর-মো: ফয়জুল বারী, আল-বদররের জেলা ডেপুটি কমান্ডার-মাকসুদ, আল-বদর-মাওলানা আব্দুস সামাদ, আল-বদর-মো: আব্দুস সামাদ, আল-বদর-আ: কুদ্দুস মহুরী, আল-বদর-মো: আশরাফ আলী, আল-বদর- মওলানা এরশাদ উল্লাহ, আল-বদর- মওলানা আবুল কাশেম বালিয়া, আল-বদর- মাওলানা দৌলত আলী, আল-বদর- মাওলানা গিয়াস উদ্দিন, আশরাফ হোসেন, ইসলামী ছাত্র সংঘ, ময়মনসিংহ, শামছুল হক, সভাপতি, ইসলামী ছাত্র সংঘ, ঢাকা
ফুলবাড়িয়া থানা:
জি. এম. এনামুল হক-আল-বদর, মাওলানা জুবাদেয়দ আলী- আল-বদর, কাজী মউদ্দিন- আল-বদর, মো: ফয়জুল বারী- আল-বদর, মাকসুদ-আল-বদর জেলা ডেপুটি কমান্ডার, মাওলানা আব্দুস সামাদ-আল-বদর, মো: আব্দুস সামাদ-আল-বদর, বদর-আ: কুদ্দুস মহুরী-আল-বদর, মো: আশরাফ আলী-আল-বদর।
শেরপুর জেলা:
মোঃ কামারুজ্জামান আল বদর বাহিনীর ডেপুটি চিফ অব কমান্ড, জয়নাল -আল-বদর বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড, শাহজাহান চৌধুরী- আলবদর বাহিনীর রূপকারদের মধ্যে অন্যতম, আনোয়ার হোসাইন -আল বদর বাহিনীর অন্যতম রূপকার ও কর্ণধার, কামরান, আল-বদর বাহিনী সৃষ্টির অন্যতম রূপকার।
শেরপুর সদর
রাজাকার-জয়নাল – শেরপুর টাউন, শেরপুর, মোঃ কামরুজ্জামান, পিতা-ইনসান আলী, গ্রাম-কুমরি মুদিপাড়া, পোঃ + ইউনিয়ন- বাজিতখিলা, থানা+ জেলা- শেরপুর এ মান্নান, পিতা-মৃত মহিউদ্দীন মন্ডল, কাচারী পাড়া, জামালপুর, হারুন উর রশিদ শেলি, পিতা-মৃত জসীমউদ্দিন, কাচারী পাড়া, জামালপুর, আব্দুল বারী, পিতা-আব্দুর রহমান মঞ্জুরী, বগাবাইদ, জামালপুর, সৈয়দ আশরাফ হোসেন, পিতা- মৃত সৈয়দ বিতাল মিয়া, মিয়াপাড়া, তবলপুর, জামালপুর, প্রফেসর শরীফ আহমেদ, পিতা-মৃত জাফর আহমেদ, কাচারী পাড়া, জামালপুর, মুক্তা, পিতা-মৃত জোবেদ আলী, কাচারী পাড়া, জামালপুর, হাসেম, পিতা-মৃত আব্দুল লতিফ, কাচারী পাড়া, জামালপুর, মোতাহার আলী, গ্রাম-ফুলকাচা, মেলানদহ, জামালপুর।
ফুলবাড়িয়া থানা
আলবদর-মাওলানা জুবাদেয়দ আলী, গ্রাম-জোরবাড়িয়া, থানা-ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ, আলবদর-জি. এম. এনামুল হক, গ্রাম-জোরবাড়িয়া, আলবদর-রিয়াজ উদ্দিন, গ্রাম-ভালুকা, থানা-ফুলবাড়িয়া, জেলা-ময়মনসিংহ, আলবদর-কাজী মউদ্দিন, গ্রাম-চৌদার, থানা-ফুলবাড়িয়া, জেলা-ময়মনসিংহ, আলবদর-মো: ফয়জুল বারী, গ্রাম-ফুলবাড়িয়া, থানা-ফুলবাড়িয়া, জেলা-ময়মনসিংহ, আলবদর-মাকসুদ, পিতা-মৃত মাহমুদ আলী, গ্রাম-বইলজান, থানা-ফুলবাড়িয়া, জেলা-ময়মনসিংহ, আলবদর-আ: কুদ্দুস মহুরী, গ্রাম-দণিপাড়া, থানা-ফুলবাড়িয়া, জেলা-ময়মনসিংহ,
গফরগাঁও থানা
আলবদর-মৃত মাওলানা রিয়াজ উদ্দিন, গ্রাম-অললী, থানা-গফরগাঁও, জেলা-ময়মনসিংহ।
জামালপুর জেলা
আলবদর-মো: আশরাফ হোসাইন-আল-বদর বাহিনীর চীফ অফ কমান্ড বা আল-বদর প্রধান, আলবদর–আব্দুর সাত্তার (নূরুল) পিতা- ময়েজ মন্ডল, সাং-জঙ্গলপাড়া, থানা- জামালপুর সদর, আলবদর–আব্দুল কাদের, পিতা-মফিজউদ্দিন, সাং-জঙ্গল পাড়া, থানা-জামালপুর সদর,
নেত্রকোনা জেলা
আলবদর-হেদায়েত উল্লাহ-আল-বদর প্রধান, আলবদর-হুমায়ুন কবীর, নেত্রকোনা, সামসুল হুদা-আল মোজাহিদ প্রধান,
কিশোরগঞ্জ জেলা
আলবদর-মাওলানা আব্দুল হামিদ (সাবেক মাদ্রাসা সুপার), আলবদর-মাওলানা আব্দুল খালেক, মওলানা আতাউর রহমান খান- ইসলামী পার্টির সাধারণ সম্পাদক, আলবদর-আব্দুল হাসিম,
[সম্পাদনা] সূত্র
১. একাত্তরের যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের তালিকা, ডা. এম এ হাসান, আহ্বায়ক, ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি, ট্রুথ কমিশন ফর জেনোসাইড ইন বাংলাদেশ