আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী
পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর
কার্যালয়ে
১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ – ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
রাষ্ট্রপতি জেনারেল ইয়াহিয়া খান
প্রধানমন্ত্রী নুরুল আমিন
উপরাষ্ট্রপতি নুরুল আমিন
পূর্বসূরী আবদুল মোতালেব মালিক
উত্তরসূরী পদ বিলুপ্ত
পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক আইন প্রশাসক
কার্যালয়ে
১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ – ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
ডেপুটি ভাইস এডমিরাল মুহাম্মদ শরীফ
পূর্বসূরী লেফট্যানেন্ট জেনারেল টিক্কা খান,
উত্তরসূরী পদ বিলুপ্ত
পাকিস্তান পূর্বাঞ্চলীয় হাই কমান্ডের কমান্ডার
কার্যালয়ে
১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ – ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
Serving with ভাইস এডমিরাল মুহাম্মদ শরীফ
পূর্বসূরী ভাইস এডমিরাল মুহাম্মদ শরীফ
উত্তরসূরী পদ বিলুপ্ত
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী
১৯১৫
লাহোর, পাঞ্জাব প্রদেশ, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু ২ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ (৮৯ বছর)
লাহোর, পাঞ্জাব, পাকিস্তান
নাগরিকতা ব্রিটিশ ভারত ব্রিটিশ ভারত (১৯১৫–১৯৪৭)
 পাকিস্তান (১৯৪৭–২০০৪)
অধ্যয়নকৃত শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান
ভারতীয় সামরিক একাডেমী
ক্যাবিনেট ইয়াহিয়া খানের সামরিক সরকার
স্বাক্ষর
সামরিক পরিষেবা
ডাক নাম টাইগার
বাংলার শৃগাল
(পাকিস্তানে)[১]
আনুগত্য  পাকিস্তান
ব্রিটিশ ভারত ব্রিটিশ ভারত
সার্ভিস/বিভাগ Flag of the Pakistani Army.svg পাকিস্তান সেনাবাহিনী
British Raj Red Ensign.svg ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনী
চাকুরির বছর ১৯৩৪-১৯৭২
পদ US-O9 insignia.svg লেফট্যানেন্ট জেনারেল
(পদচ্যুত)
ইউনিট পঞ্চম এয়ারবর্ন‌, পাঞ্জাব রেজিমেন্ট
নেতৃত্ব পঞ্চম এয়ারবর্ন‌, পাঞ্জাব রেজিমেন্ট
১৪তম প্যারাট্রুপার ব্রিগেড
৫২তম মেকানাইজড ডিভিশন
৫০তম এয়ারবর্ন‌ ডিভিশন, পাকিস্তান সেনাবাহিনী
যুদ্ধ বার্মা অভিযান
ইমফালের যুদ্ধ
চাভিন্দার যুদ্ধ
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৭১
অপারেশন সার্চলাইট
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ
পুরস্কার হিলালে জুরত (প্রত্যাহার)
মিলিটারি ক্রস

আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী (উর্দু: امیر عبداللہ خان نیازی; ১৯১৫ – ২ ফেব্রুয়ারি ২০০৪) ছিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রাক্তন লেফট্যানেন্ট জেনারেলপূর্ব পাকিস্তানে তিনি সর্বশেষ গভর্নর ও সামরিক আইন প্রশাসক এবং পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক হাই কমান্ডের সর্বশেষ কমান্ডার। নিয়াজী ও ভাইস এডমিরাল মুহাম্মদ শরীফ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৭১ এ পূর্বাঞ্চলে সেনাদের দায়িত্বে ছিলেন। আত্মসমর্পণের জন্য তাকে পাকিস্তানে "বাংলার শৃগাল" বলে স্মরণ করা হয়।[২] তার সামরিক পদক ও সম্মান প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছিল।

নিয়াজী ১৯৩৪ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। বার্মা অভিযানে তিনি অংশগ্রহণ করেছিলেন। এর মধ্যে ইমফাল অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য তিনি খ্যাতি লাভ করেছিলেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদেন। ১৯৬৫ সালের ভারত পাকিস্তান যুদ্ধে নিয়াজী চাভিন্দার যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন। ১৯৭১ সালে নিয়াজী তার প্রায় ৯৩,০০০ সেনাসহ মুক্তি বাহিনীভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে তিনি জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অধীন পশ্চিম পাকিস্তান সামরিক হাই কমান্ডের আদেশ অনুযায়ী কাজ করেছেন। যুদ্ধের পর অন্যান্য দল যেমন জুলফিকার আলী ভুট্টো আত্মসমর্পণের জন্য তাকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী করেন। বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সাথে জড়িত থাকার জন্য তাকে দায়ী করা হয়।[৩]

তার সামরিক পদ থেকে পাকিস্তানের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জুলফিকার আলী ভুট্টো তাকে পদচ্যুত করেন ও তার সামরিক খেতাব কেড়ে নেয়া হয়। তবে নিয়াজী নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সামরিক আদালতের মুখোমুখি হতে চেয়ে তার সামরিক আইনজীবীর মাধ্যমে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট ও সামরিক বাহিনীর জাজ এডভোকেট জেনারেল ব্রাঞ্চে আবেদন জানিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Hamid Mir (2010-03-26)। "Apology Day for Pakistanis"। Archive.thedailystar.net। সংগৃহীত 2013-05-25 
  2. Hamid Mir (2010-03-26)। "Apology Day for Pakistanis"। Archive.thedailystar.net। সংগৃহীত 2013-05-25 
  3. "''Genocide in Bangladesh, 1971.'' Gendercide Watch"। Gendercide.org। সংগৃহীত 10 November 2011 

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

সামরিক অফিস
পূর্বসূরী
ভাইস এডমিরাল মুহাম্মদ শরীফ
পাকিস্তান পূর্বাঞ্চলীয় হাই কমান্ডের কমান্ডার
১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ – ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১


উত্তরসূরী
পদ বিলুপ্ত
রাজনৈতিক দফতর
পূর্বসূরী
আবদুল মোতালেব মালিক
পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর

years=১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ – ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
{{{years}}}


উত্তরসূরী
পদ বিলুপ্ত

টেমপ্লেট:Pakistani Armed Forces