আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস

আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস
জন্ম ৮ জানুয়ারি, ১৮২৩
উস্ক, মোনমাউথশায়ার, ওয়েল্‌স
মৃত্যু ৭ নভেম্বর, ১৯১৩ (৯০ বছর)
ব্রডস্টোন, ডর্সেট, ইংল্যান্ড
নাগরিকত্ব ব্রিটিশ
ক্ষেত্র অভিযান, জীববিজ্ঞান, জৈব-ভূগোল, সামাজিক সংস্কার, উদ্ভিদবিজ্ঞান
যেজন্য পরিচিত প্রাকৃতিক নির্বাচন এবং জৈব-ভূগোল বিষয়ে মৌলিক গবেষণা
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার রয়েল সোসাইটির রয়েল মেডেল (১৮৬৬) এবং কপলি মেডেল (১৯০৮), অর্ডার অফ মেরিট (১৯০৮)

আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস ওএম, এফআরএস (৮ই জানুয়ারি, ১৮২৩ - ৭ই নভেম্বর, ১৯১৩) ব্রিটিশ প্রকৃতিবিদ, নৃবিজ্ঞানী, ভূগোলবিদ ও জীববিজ্ঞানী।

তিনি প্রথমে আমাজন নদীর বেসিন এবং পরবর্তীতে মালয় দ্বীপপুঞ্জে থেকে মাঠ পর্যায়ে গবেষণা পরিচালনা করেছিলেন। এই গবেষণার মাধ্যমেই এশিয়াঅস্ট্রেলিয়ার উদ্ভিদকূলকে বিভক্তকারী ওয়ালেস রেখা আবিষ্কার করেন। তিনিই প্রথম স্বাধীনভাবে প্রাকৃতিক নির্বাচন সম্বন্ধে তার মতবাদ প্রকাশ করেছিলেন যার কারণে চার্লস ডারউইন এ বিষয়ে তার নিজস্ব তত্ত্ব প্রকাশ করতে পেরেছিলেন। ওয়ালেস উনবিংশ শতকের অন্যতম সেরা বিবর্তনবাদী চিন্তাবিদ। বিবর্তনবাদের উন্নয়নে তিনি বেশ কিছু নতুন ধারণা ও মতবাদের জন্ম দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে, প্রাণীসমূহে warning colouration এবং ওয়ালেস ক্রিয়া। প্রাণী প্রজাতিসমূহের ভৌগোলিক বণ্টনের বিশেষজ্ঞ ছিলেন তিনি। অনেকেই তাকে "জৈব-ভূগোলের জনক" বলে আখ্যায়িত করেন।

ওয়অলেস এমন অনেকগুলো চিন্তাধারায় আকর্ষণ বোধ করতেন যেগুলো সাধারণ মহলে বিশেষ সমাদৃত নয়। যেমন তিনি আধ্যাত্মবাদকে সমর্থন করতেন এবং বিশ্বাস করতেন যে, মানুষের উচ্চমার্গীয় মানসিক ক্রিয়াকর্মের উৎস এমন কোন কিছু যাকে পদার্থরের ধারণা দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায় না। এ কারণেই তখনকার বিজ্ঞানী মহল বিশেষত বিবর্তনবাদের প্রাথমিক পণ্ডিতদের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছিল। উনবিংশ শতাব্দীর ব্রিটেনে যে সামাজিক ও অর্থনৈতিক পদ্ধতি বিরাজমান ছিল তাকে অবিচারমূলক মনে করতেন ওয়ালেস। এর সমালোচনাও করেছিলেন। মানুষের ধ্বংসাত্মক কার্যাবলির কারণে পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন, এই চিন্তাধারার প্রাথমিক প্রবক্তাদের মধ্যেও ওয়ালেস অন্যতম।

বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]