২০২২ সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
২০২২ সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ
২০২২ সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের লোগো.jpg
বিবরণ
স্বাগতিক দেশভারত
তারিখ২৫ জুলাই – ৫ আগস্ট ২০২২
দল৫ (১টি উপ-কনফেডারেশন থেকে)
মাঠকলিঙ্গ স্টেডিয়াম, ভুবনেশ্বর (১টি আয়োজক শহরে)
চূড়ান্ত অবস্থান
চ্যাম্পিয়ন ভারত (২য় শিরোপা)
রানার-আপ বাংলাদেশ
তৃতীয় স্থান   নেপাল
পরিসংখ্যান
ম্যাচ১১
গোল সংখ্যা৪০ (ম্যাচ প্রতি ৩.৬৪টি)
দর্শক সংখ্যা১,৬০০ (ম্যাচ প্রতি ১৪৫ জন)
শীর্ষ গোলদাতাভারত গুরকিরাত সিং
(৮ গোল)
সেরা খেলোয়াড়ভারত গুরকিরাত সিং
সেরা গোলরক্ষকভারত সোম কুমার
ফেয়ার প্লে পুরষ্কার শ্রীলঙ্কা
২০২৩
সর্বশেষ হালনাগাদ: ৫ আগস্ট ২০২২

২০২২ সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ ছিল সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ চ্যাম্পিয়নশিপের ৪র্থ আসর, যা জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৮ পুরুষ দলগুলোর জন্য দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশন (সাফ) কর্তৃক আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা। ভারত ২০২২ প্রতিযোগিতাটির আয়োজক, প্রতিযোতাটি ২৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট, ২০২২ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।[১] প্রতিযোগিতার শুরুর আগে ভারত পূর্ববর্তী আসরের বিজয়ী ছিল, যারা ২০১৯ আসরে বাংলাদেশকে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে আসরটি জিতে।[২]

২০২২ সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ ও ভারত পুনরায় মুখোমুখি হয়। এই ম্যাচে ভারত বাংলাদেশকে ৫-২ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে। পূর্ণ সময়ের পর খেলা ২-২ গোলের সমতায় শেষ হলে, অতিরিক্ত সময়ের খেলা শুরু হয়। অতিরিক্ত সময়ে ভারত আরও তিনটি গোল করে জয় নিশ্চিত করে।[৩]

মাঠ[সম্পাদনা]

সবগুলো ম্যাচ ভারতের ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

ভুবনেশ্বর
কলিঙ্গ স্টেডিয়াম
ধারণক্ষমতা: ১৬,০০০

অংশগ্রহণকারী দল[সম্পাদনা]

৭ এপ্রিল ২০২১-এ ফিফা পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশনকে বহিষ্কার করেছিল, তাই তারা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি।[৪] আর ভুটান তাদের ফেডারেশনে কিছু অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে এই প্রতিযোগিতায় থেকে প্রত্যাহার করে নেয়।

দল সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপে
অংশগ্রহণ
পূর্ববর্তী সেরা সাফল্য
   নেপাল ৪র্থ বিজয়ী (২০১৫, ২০১৭)
 ভারত ৪র্থ বিজয়ী (২০১৯)
 বাংলাদেশ ৪র্থ রানার্স-আপ (২০১৭, ২০১৯)
 মালদ্বীপ ৪র্থ গ্রুপ পর্ব
 শ্রীলঙ্কা ২য় গ্রুপ পর্ব

খেলোয়াড়দের যোগ্যতা[সম্পাদনা]

১ জানুয়ারী ২০০৩ বা এর পরে জন্মগ্রহণকারী খেলোয়াড়রা প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য। প্রতিটি দলকে ন্যূনতম ১৬ জন এবং সর্বোচ্চ ২৩ জন খেলোয়াড়ের একটি দল নিবন্ধন করতে হবে, যার মধ্যে ন্যূনতম দুজনকে অবশ্যই গোলরক্ষক হতে হবে।

খেলা পরিচালনাকারী[সম্পাদনা]

রেফারি

  • বাংলাদেশ এস এম জুনায়েদ শরীফ
  • বাংলাদেশ নাসির উদ্দিন
  • ভারত মৃত্যুঞ্জয় লিঙ্গরাজ অমাত্য
  • মালদ্বীপ সিনান হোসেন
  • মালদ্বীপ আফসাহ আহমেদ
  • নেপাল প্রজওল চেত্রী
  • নেপাল কানায়া কে. যাদব
  • শ্রীলঙ্কা ডব্লিউ লাকমল ভিরাকোডি

সহকারী রেফারি

  • ভারত সুমন মজুমদার
  • শ্রীলঙ্কা ডি ডি আই সেন্দানায়কা

রাউন্ড রবিন পর্ব[সম্পাদনা]

গ্রুপ টেবিলের রঙের অর্থ
টেবিলের শীর্ষ দুইটি দল ফাইনালে যাবে।
অব দল ম্যাচ জয় ড্র হার স্বগো বিগো গোপা পয়েন্ট অবস্থা
 বাংলাদেশ +৫ ১০ ফাইনালে অগ্রসর
 ভারত (H, C) ১৪ +১২
   নেপাল −১
 মালদ্বীপ ১০ −৮
 শ্রীলঙ্কা −৮
উৎস:[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
শ্রেণীবিভাগের নিয়মাবলী: ১) পয়েন্ট; ২) মুখোমুখিতে পয়েন্ট; ৩) গোল পার্থক্য; ৪) মুখোমুখিতে করা গোল; ৫) শৃঙ্খলাবদ্ধের পয়েন্ট।
(C) চ্যাম্পিয়ন; (H) স্বাগতিক।

ম্যাচ ১[সম্পাদনা]

নেপাল   ৪–০ মালদ্বীপ
প্রতিবেদন
দর্শক সংখ্যা: ১০০
রেফারি: মৃত্যুঞ্জয় লিঙ্গরাজ অমাত্য (ভারত)

ম্যাচ ২[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ ১–০ শ্রীলঙ্কা
প্রতিবেদন
দর্শক সংখ্যা: ১০০
রেফারি: প্রজওল ছেত্রী (নেপাল)

ম্যাচ ৩[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ ২–১ ভারত
প্রতিবেদন
দর্শক সংখ্যা: ৫০০
রেফারি: সিনান হুসেন (মালদ্বীপ)

ম্যাচ ৪[সম্পাদনা]

নেপাল   ৩–০ শ্রীলঙ্কা
প্রতিবেদন
দর্শক সংখ্যা: ২০০
রেফারি: এম. নাসির উদ্দিন (বাংলাদেশ)

ম্যাচ ৫[সম্পাদনা]

ভারত ৪–০ শ্রীলঙ্কা
প্রতিবেদন
দর্শক সংখ্যা: ৫০০
রেফারি: এম. নাসির উদ্দিন (বাংলাদেশ)

ম্যাচ ৬[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ ৪–১ মালদ্বীপ
প্রতিবেদন
দর্শক সংখ্যা: ২০০
রেফারি: ডব্লিউ লাকমাল উইরাক্কোদি (শ্রীলঙ্কা)

ম্যাচ ৭[সম্পাদনা]

মালদ্বীপ ১–১ শ্রীলঙ্কা
প্রতিবেদন
দর্শক সংখ্যা: ১০০
রেফারি: মৃত্যুঞ্জয় লিঙ্গরাজ অমাত্য (ভারত)

ম্যাচ ৮[সম্পাদনা]

নেপাল   ০–৮ ভারত
প্রতিবেদন
দর্শক সংখ্যা: ৫০০
রেফারি: ডব্লিউ লাকমাল উইরাক্কোদি (শ্রীলঙ্কা)

ম্যাচ ৯[সম্পাদনা]

নেপাল   ১–১ বাংলাদেশ
প্রতিবেদন
দর্শক সংখ্যা: ২৫০
রেফারি: সিনান হোসেন (মালদ্বীপ)

ম্যাচ ১০[সম্পাদনা]

মালদ্বীপ ০–১ ভারত
দর্শক সংখ্যা: ৫০০
রেফারি: প্রজওল ছেত্রী (নেপাল)

ফাইনাল[সম্পাদনা]

 বাংলাদেশ২–৫ (অ.স.প.)ভারত 
দর্শক সংখ্যা: ১০,২৩১
রেফারি: সিনান হোসেন (মালদ্বীপ)

বিজয়ী[সম্পাদনা]

 ২০২২ সাফ অ-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ 

ভারত
২য় শিরোপা

গোলদাতা[সম্পাদনা]

১১টি ম্যাচে ৪০টি গোল হয়েছে, প্রতি ম্যাচে গড়ে ৩.৬৪ গোল (৫ আগস্ট ২০২২ অনুযায়ী)।


৮ গোল

৪ গোল

৩ গোল

২ গোল

১ গোল

পুরস্কার[সম্পাদনা]

২০২২ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য নিম্নলিখিত পুরষ্কারগুলি দেওয়া হয়।

ফেয়ার প্লে গোল্ডেন বুট পুরস্কার সেরা গোলরক্ষক সেরা খেলোয়াড়
 শ্রীলঙ্কা ভারত গুরকিরাত সিং ভারত সোম কুমার ভারত গুরকিরাত সিং

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "India set to host SAFF U-18 Women's, SAFF U-19 Championships in 2022"www.the-aiff.com। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০২২ 
  2. "INDIA U-18 CONQUER MAIDEN SAFF TITLE"www.the-aiff.com। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০২২ 
  3. "সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফাইনাল: অতিরিক্ত সময়ে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের"বাংলাদেশ প্রতিদিন। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০২২ 
  4. "FIFA suspends Chad and Pakistan football associations"www.fifa.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০২২