১৯৬৭ কৈনানগর ভূমিকম্প

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
১৯৬৭ কৈনানগর ভূমিকম্প
১৯৬৭ কৈনানগর ভূমিকম্প ভারত-এ অবস্থিত
১৯৬৭ কৈনানগর ভূমিকম্প
তারিখ১১ ডিসেম্বর ১৯৬৭ (1967-12-11)
মূল সময়২২:৫১:২৩, ডিসেম্বর ১০ ইউটিসি [১]
মাত্রা৬.৬ Mw [১]
গভীরতা১৫ কিমি (৯ মা) [১]
ভূকম্পন বিন্দু১৭°২৫′ উত্তর ৭৩°৫২′ পূর্ব / ১৭.৪১° উত্তর ৭৩.৮৬° পূর্ব / 17.41; 73.86স্থানাঙ্ক: ১৭°২৫′ উত্তর ৭৩°৫২′ পূর্ব / ১৭.৪১° উত্তর ৭৩.৮৬° পূর্ব / 17.41; 73.86 [১]
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাভারত
মোট ক্ষয়ক্ষতি$৪,০০,০০০[২]
সর্বোচ্চ তীব্রতাVIII (মারাত্মক) [৩]
হতাহত১৭৭–১৮০ নিহত[২]
২,২৭২ আহত[২]

১৯৬৭ কৈনানগর ভূমিকম্প ১১ ডিসেম্বর ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের কৈনানগর শহরের নিকটে সংগঠিত হয়। এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.৬ যার সর্বোচ্চ মার্কালি তীব্রতা ছিল আট মাত্রার (মারাত্মক)। এটা কৈনা বাঁধের নিকটবর্তী উৎপন্ন হয়ে প্রলুব্ধ ভূমিকম্পের প্রশ্ন তুলে, এবং কমপক্ষে ১৭৭ নিহত ও ২,২০০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

ক্ষয়ক্ষতি[সম্পাদনা]

এই ভূমিকম্পের ফলে কৈনানগর শহরের ৮০% এর বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়,[৪] তবে এর ফলে বাঁধে সামান্য ফাটল দেখা দিলেও তা তাড়াতাড়ি সংস্কার করা হয়। ১৯৬৭ পর্যন্ত এরকম স্বল্প মাত্রার ভূমিকম্প সেখানে কমই হয়েছে। ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্প ফলে ভূমিতে ১০–১৫ সেমি (৩.৯–৫.৯ ইঞ্চি) ফাটল দেখা দেয় যা ২৫ কিলোমিটার (১৬ মা) দীর্ঘ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। কিছু ভূবিজ্ঞানী মনে করেন ভূমিকম্পটি রিজার্ভারের সঞ্চয়ের কারনে ঘটেছিল,[৪] যদিও প্রকল্পের সিনিয়র কর্মকর্তারা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন।[৫]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ISC (২০১৬), ISC-GEM Global Instrumental Earthquake Catalogue (1900–2012), Version 3.0, International Seismological Centre 
  2. USGS (সেপ্টেম্বর ৪, ২০০৯), PAGER-CAT Earthquake Catalog, Version 2008_06.1, United States Geological Survey 
  3. National Geophysical Data Center / World Data Service (NGDC/WDS), Significant Earthquake Database, National Geophysical Data Center, NOAA, doi:10.7289/V5TD9V7K 
  4. Rajesh Menon (অক্টোবর ৩, ২০০৫)। "Tremors may rock Koyna for another two decades"The Indian Express। ১৭ নভেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  5. Vishwas Kothari (১৫ মার্চ ২০১১)। "Koyna to be epicentre of global study"The Times of India