সীরাতে ইবনে হিশাম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

সীরাতে ইবনে হিশাম
চিত্র:SeeretIbenHisham.jpg
লেখকআবূ মুহাম্মদ আব্দুল মালিক ইবনে হিশাম
দেশবসরা এবং মিশর
ভাষাআরবী
ধরনসীরাতুন্নবী(সা)
প্রকাশনার তারিখ
অষ্টম শতক (হিজরী দ্বিতীয় শতক)
পাঠ্যসীরাতে ইবনে হিশাম উইকিসংকলন

সীরাতে ইবনে হিশাম যার আসল নাম আস-সিরাতুন নববিয়্যাহ (السیرۃ النبویۃ )। বইটির লেখক আবু মুহাম্মদ আব্দুল মালিক ইবনে হিশাম ইবনে আইয়ুব হুমায়রি। যে ইবনে হিশাম নামে পরিচিত। বইটি অষ্টম শতকে (দ্বিতীয় হিজরী শতকে) রচনা করা হয়েছিল। এটাকে সীরাতের প্রাথমিক বইগুলোর মধ্যে একটি বই হিসেবে গণ্য করা হয়।

বইয়ের বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

এই বইটি আসলে সীরাতে ইবনে ইসহাক এর সংক্ষিপ্ত এবং পরিমার্জিত রূপ। কারণ মূল গ্রন্থের যে অংশ সিরাতের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত ছিল না তা ইবনে হিশাম ত্যাগ করেছেন। কঠিন শব্দের অর্থ ব্যাখ্যা করেছেন এবং কিছু ঘটনা নিজের থেকে যুক্ত করেছেন।

বইটির জনপ্রিয়তা[সম্পাদনা]

সীরাতে ইবনে ইসহাককে ইবনে হিশাম এমনভাবে উপস্থাপন করেছেন, যা এতটাই জনপ্রিয় হয়েছে যে মানুষ মূল বই সীরাতে ইবনে ইসহাককে ভুলে গেছে। এখনো সীরাতে ইবনে হিশাম তার জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে ।

ছাপা ও প্রকাশনা[সম্পাদনা]

জার্মানি, মিশর ও অন্যান্য দেশ থেকে বেশ কয়েকটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে।

বাংলা ভাষায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ থেকে বইটির অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

অনুবাদ ,ব্যাখ্যা ও সংক্ষিপ্তকরণ[সম্পাদনা]

সিরাত ইবনে হিশামের জনপ্রিয়তা ও গুরুত্বের কারণে তাঁর অনেক ব্যাখ্যাগ্রন্থও রচিত হয়েছে:

  • الروض الانف (আর-রওযুল আনফ) , শরহে সাহিলী (আবদুর রহমান আবদুল্লাহ আহমদ আস-সাহিলী) মৃত্যু ৫৮১হিজরী/১১৭৫ইং। এছাড়াও আবদুল রহমান আল-ওকিলী, যিনি আর-রওযুল আনফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ লিখেছেন যা সাত খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে।

সীরাত ইবনে হিশামের সংক্ষিপ্তগ্রন্থ লেখা হয়েছে, এর মধ্যে কয়েকটি কবিতাগ্রন্থও রয়েছে।

সীরাতে ইবনে হিশামের অনুবাদ পৃথিবীর অনেক ভাষায় হয়েছে। বাংলা, ফারসি, উর্দু, জার্মান, ইংরেজি ইত্যাদি ভাষায় এর অনুবাদ পাওয়া যায়। সীরাতের উৎস গ্রন্থ হিসেবে সীরাতে ইবনে হিশাম সর্বাধিক প্রশংসা ও আস্থা অর্জন করেছে।