শ্বেতা রাঠোর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শ্বেতা রাঠোর
জন্ম১৩ই জুন
নাগরিকত্বভারতীয়
পেশাআন্তর্জাতিক ফিজিক অ্যাথলিট

শ্বেতা রাঠোর হলেন একজন আন্তর্জাতিক ফিজিক অ্যাথলিট।[২] তিনি ভারতের প্রথম মহিলা যিনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে পদক জিতেছিলেন (তিনি ২০১৪ সালে ৬ষ্ঠ ডব্লিউবিপিএফ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন)। তিনি ৪৯তম এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছেন।[৩][৪] ২০১৪ সালে তিনি মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৪ ফিটনেস ফিজিক হয়েছিলেন,[৫] ২০১৫ সালে মিস এশিয়া ২০১৫ ফিটনেস ফিজিক হয়েছিলেন,[৬] ২০১৫ সালে মিস ইন্ডিয়া স্পোর্টস ফিজিক হয়েছিলেন।[৭] মিস ইন্ডিয়া ২০১৫, মিস ইন্ডিয়া ২০১৬ এবং মিস ইন্ডিয়া ২০১৭ খেতাব জিতে তিনি হ্যাট্রিকের ইতিহাস তৈরি করেছেন।[৮][৭] তিনি ফিটনেস ফরএভার (প্রাইভেট) লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা।

প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা[সম্পাদনা]

শ্বেতা রাঠোর মণিপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে জৈব-রাসায়নিক প্রকৌশল অধ্যয়ন করেছেন।[২]উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; নামবিহীন ref সমূহের অবশ্যই বিষয়বস্তু থাকতে হবে তিনি শিক্ষাগত যোগ্যতায় একজন প্রকৌশলী এবং বহু বছর ধরে একটি বাণিজ্যিক কর্পোরেটে বিপণনের কাজ করছিলেন।

তাঁর স্কুলের সময় থেকেই, তিনি শারীরিক দক্ষতার ওপর জোর দিতেন, কারণ তাঁর চেহারা একটু বড়সড় ছিল। ভারতে, অনেক লোক বড় চেহারার হওয়া এবং মোটা হওয়ার মধ্যে পার্থক্য বোঝেন না এবং সেই কারণেই সাধারণ মানুষ তাঁকে মোটা বলা শুরু করেছিলেন। এই জিনিসটি তাঁকে আঘাত করেছিল কারণ তিনি খুব সক্রিয় শিশু ছিলেন এবং তাঁর স্কুলে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও খেলাধুলায় নিয়মিত অংশ নিতেন। শ্বেতা যখন ৮ম শ্রেণীতে ছিলেন তখন থেকেই তিনি যথাযথভাবে জিমে যাওয়া শুরু করেছিলেন। তখন থেকেই এটি চলতে থাকে এবং শারীরিক দক্ষতা তাঁর জীবনধারায় পরিণত হয়েছিল। তাঁর ভাইয়ের পরামর্শ মতো শ্বেতা পেশাদারভাবে ফিটনেস ফরএভার (প্রাইভেট) লিমিটেডের চিন্তা মাথায় আনেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

রাঠোর একজন প্রকৌশলী[৯]

তিনি মাসলটেক এর প্রথম ভারতীয় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর,[১০][১১] এবং তিনি অবতার-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর।[১২]

রাঠোর এনজিও গডস বিউটিফুল চাইল্ডের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি।[২]উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; নামবিহীন ref সমূহের অবশ্যই বিষয়বস্তু থাকতে হবে

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

  • মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৪ ফিটনেস ফিজিক
  • মিস এশিয়া ২০১৫ ফিটনেস ফিজিক
  • মিস ইন্ডিয়া স্পোর্টস ফিজিক চ্যাম্পিয়ন পরপর তিনবার (হ্যাট্রিক) ২০১৫, ২০১৬, ২০১৭ সাল
  • আন্তর্জাতিক ফিটনেস ডিভা শিরোপা ২০১৮, দুবাই সরকার কর্তৃক পুরস্কৃত
  • মিস মহারাষ্ট্র স্পোর্টস ফিজিক চ্যাম্পিয়ন
  • প্রথম ভারতীয় মহিলা যিনি ফিটনেস ফিজিক ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে পদক জিতেছেন

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "The versatile multi talented Shweta Rathore is all set to whip up a storm in fitness & sports sector"। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০২৩ 
  2. "In a first, Indian women clinch medals in world bodybuilding"The Indian Express। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৬ 
  3. "Shweta Rathore wins silver in Asian bodybuilding championship"The Economic Times। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৬ 
  4. "Shweta Rathore becomes first Indian female bodybuilder to win silver in Asian championship"Firstpost.com। ১৩ অক্টোবর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০১৫ 
  5. "Women of Steel"। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬। 
  6. "Miss Asia 2015 Fitness Physique, Shweta Rathore – Part 1 – FitMonk"fitmonk.co.in। ১৮ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০২৩ 
  7. "Making of the other Miss India - Times of India"The Times of India 
  8. Staff (২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)। "Miss India Shweta Rathore strikes Gold once again in Body Building Championship" 
  9. "Indian women prove muscles aren't always macho"The Times of India। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৬ 
  10. "Home"international.muscletech.com 
  11. "Muscletech's brand ambassadors Shweta Rathore"। Firstpost.com। সংগ্রহের তারিখ ২১ অক্টোবর ২০১৫ 
  12. "Shweta Rathore"। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০২৩ 

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]