শোকুফে কাভানি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শোকুফে কাভানি
Shokufeh Kavani.jpg
অস্ট্রেলিয়ার এসবিএস কর্তৃক প্রকাশিত "আওয়ার স্টোরি" বইয়ের পৃষ্ঠা ৬ থেকে নেওয়া ছবি
জন্ম১৯৭০ (বয়স ৫০–৫১)
জাতীয়তাইরানি, অস্ট্রেলিয়ান

শোকুফে কাভানি (ফার্সি: شکوفه کاوانی‎‎; জন্ম ১৯৭০, তেহরান) একজন ইরানি-অস্ট্রেলিয়ান সমসাময়িক চিত্রকর, অনুবাদক ও শিল্পী। বর্তমানে সিডনিতে বসবাস করছেন। তিনি প্রাথমিকভাবে একজন অনুবাদক এবং ইরানের ইসলামী সমাজের পরবর্তী বিমূর্ত চিত্রশিল্পী হিসেবে পরিচিত। তিনি তার স্থানীয় ভাষা ফার্সি ছাড়াও ইংরেজিতে সাবলীল।

পটভূমি[সম্পাদনা]

তিনি ১৯৭০ সালে তেহরানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রথমে সাদী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এবং তারপরে জিন ডি'আর্ক হাই স্কুলে তার শিক্ষা লাভ করেন। পেশাদার নার্স হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমানোর আগে তিনি নার্সিংয়ে স্নাতক ডিগ্রির জন্য বান্দর-আব্বাস মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

জীবন ও কর্মজীবন[সম্পাদনা]

শোকুফে তার চারপাশের ঘটনাবলীর প্রতিক্রিয়ায় ১৯ বছর বয়সে ছবি আঁকা শুরু করেন। ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার সময় তিনি মাত্র নয় বছর বয়সী ছিলেন। আট বছরের ইরান-ইরাক যুদ্ধ তার উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল। ইরানে থাকাকালীন তিনি চিত্রকর্ম চালিয়েছিলেন, কিন্তু ইরানে তার কাজ কখনোই প্রদর্শন করেননি।[১]

তিনি ১৯৯৪ সালে তেহরানের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ইংরেজিতে প্রথম শংসাপত্র অর্জন করেন। তিনি ইরা (শেমস) ফ্রিডল্যান্ডার দ্বারা "দ্যা বহিৰ্লিং ডর্ভিসেস" (ফার্সি: مولانا و چرخ درویشان‎‎) অনুবাদ শুরু করেন, যা জারিয়াব পাবলিশার্স দ্বারা ২০০৪ সালে (১৩৮২) প্রকাশিত একটি সেরা বিক্রীত বই।[১][২][৩][৪] বইটি ঘূর্ণায়মান দরবেশ ও যে অনুষ্ঠানগুলির সাথে তারা জড়িত তা নিয়ে লেখা। পশ্চিমা বিশ্বে রুমি নামে পরিচিত মেভলানা জল্লাদিন-বালখির কাহিনী আখ্যানের মধ্যে আবদ্ধ। বইয়ের একটি ঘুরণ দরবেশ অনুষ্ঠান সেমার কালো সাদা-ফটো আছে, যা দরবেশ রহস্যময় ও গূঢ় বিশ্বের কাছে একটি জানালা প্রর্দশিত হবে। বেশিরভাগ ছবি ইরা (শেমস) ফ্রিডল্যান্ডারের তোলা। বাকিগুলো নাজিহ ওজালের। মেভলেভিয়া সম্প্রদায়ের ইতিহাস এবং গত ১০০ বছরে তাদের সংগীতের নতুন পদ্ধতি বইটিকে অনন্য করে তুলেছে।[১][২][৪]

"এডনা রায়ান" পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে – ২০১০ – অস্ট্রেলিয়া।

তিনি ২০১৫ সালের জুলাই মাসে ইরানি চলচ্চিত্র নির্মাতা নাসের তাগভাই ও ইরানি লেখিকা শাহরুশ পার্সিপুরের একমাত্র পুত্র আলী তাগভাইকে বিয়ে করেন। তারা ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের লন্ডন শহরের মেহরি পাবলিকেশন হাউস থেকে 'অন দ্য বোট অফ লাইফ' (বাংলা: "জীবনের নৌকায়") নামে একটি কবিতার বই প্রকাশ করেছে, যার মধ্যে আলী তাগভাইয়ের কবিতা ও শোকুফে কাভানির আঁকা ছবি রয়েছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. National Australian Visual Arts ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৪ জুলাই ২০১১ তারিখে
  2. Good Reads
  3. Mirbabaie, Seyyed Mostafa। "Persian book :: آي کتاب :: SMM CMS 1.0.2"i ketab। ২০১৯-০৫-০৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৩-২০ 
  4. Iran National Library ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩ অক্টোবর ২০১১ তারিখে