শের বাহাদুর দেউবা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সম্মাননিয়

শের বাহাদুর দেউবা
शेरबहादुर देउवा
The former Prime Minister of Nepal, Mr. Sher Bahadur Deuba meeting the Union Minister for Commerce & Industry and Textiles, Shri Anand Sharma, in New Delhi on June 13, 2013 (cropped).jpg
২০১৩ সালে দেউবা
নেপালের প্রধানমন্ত্রী
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
১৩ জুলাই ২০২১
রাষ্ট্রপতিবিদ্যাদেবী ভাণ্ডারী
পূর্বসূরীখড়্গ প্রসাদ শর্মা ওলী
কাজের মেয়াদ
৭ জুন ২০১৭ – ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
রাষ্ট্রপতিবিদ্যাদেবী ভাণ্ডারী
পূর্বসূরীপুষ্পকমল দাহাল
উত্তরসূরীখড়্গ প্রসাদ শর্মা ওলী
কাজের মেয়াদ
৪ জুন ২০০৪ – ১ ফেব্রুয়ারি ২০০৫
সার্বভৌম শাসকরাজা জ্ঞানেন্দ্র
পূর্বসূরীসূর্য বাহাদুর থাপা
উত্তরসূরীগিরিজা প্রসাদ কোইরালা
কাজের মেয়াদ
২৬ জুলাই ২০০১ – ৪ অক্টুবর ২০০২
সার্বভৌম শাসকরাজা জ্ঞানেন্দ্র
পূর্বসূরীগিরিজা প্রসাদ কোইরালা
উত্তরসূরীলোকেন্দ্র বাহাদুর চন্দ
কাজের মেয়াদ
১২ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫ – ১২ মার্চ ১৯৯৭
সার্বভৌম শাসকবীরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব
পূর্বসূরীমনমোহন অধিকারী
উত্তরসূরীলোকেন্দ্র বাহাদুর চন্দ
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1946-06-13) ১৩ জুন ১৯৪৬ (বয়স ৭৫)
অশিগ্রাম, ডডেলধুরা, নেপাল অধিরাজ্য
রাজনৈতিক দলনেপালি কংগ্রেস (২০০২ পূর্ব; ২০০৭–বর্তমান)
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
নেপালি কংগ্রেস (প্রজাতান্ত্রীক) (২০০২–২০০৭)
দাম্পত্য সঙ্গীআরজু রাণা দেউবা
প্রাক্তন শিক্ষার্থীত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়
মন্ত্রীসভা৫তম দেউবা মন্ত্রিসভা
ওয়েবসাইটopmcm.gov.np

শের বহাদুর দেউবা এই শব্দ সম্পর্কেশুনুন (নেপালি: शेर बहादुर देउवा (জন্ম: ১৫ জুন ১৯৪৬) একজন নেপালি রাজনীতিবিদ এবং দেশেটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী৷[১] যিনি ১৯৯৫ সাল থেকে ১৯৯৫, ২০০১ থেকে ২০০২, ২০০৩ সাল থেকে ২০০৫ পর্যন্ত এবং ২০১৭ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বর্তমানে নেপালি কংগ্রেসের সভাপতি এবং ২০১৬ সালে পার্টির ১৩ তম সম্মেলনে ৬০% এর বেশি ভোট নিয়ে এই পদে নির্বাচিত হয়ছেন।[২] তিনি দুবার নেপাল কংগ্রেসের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হয়েছিলেন, এভাবে তিনি দুবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হতে সক্ষম হন।

২০০১ সালের জুলাই মাসে গিরিজা প্রসাদ কৈরালা পদত্যাগ করলে তিনি দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। নতুন নির্বাচনের জন্য দেউবা ২০০২ সালের মে মাসে প্রতিনিধি পরিষদ ভেঙে দেন, কিন্তু চলমান গৃহযুদ্ধের কারণে তিনি নির্বাচন দিতে পারছিলেন না। এর ফলে নেপালি কংগ্রেস দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যায়, যার একভাগ তথা নেপালি কংগ্রেস (গণতান্ত্রিক) দলের নেতৃত্বে ছিলেন দেউবা। সংসদীয় নির্বাচন না দেয়ার জন্য ২০০২ সালের অক্টোবরে রাজা জ্ঞানেন্দ্র দেউবাকে অপসারণ করেন।[৩][৪] পরে আবার দুই সরকারের পর, জ্ঞানেন্দ্র ২০০৪ সালে দেউবাকে প্রধানমন্ত্রীর পদে বসান। তবে তিন বছরের জন্য সরকার ভেঙে দিয়ে সরাসরি ক্ষমতা দখল করার কারণে ১ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে রাজা জ্ঞানেন্দ্র তাঁকে আবার এই পদ থেকে সরিয়ে দেন।

শের বাহাদুর দেউবা চারবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন৷ তিনি ডডেলধুরা জেলার নির্বাচন এলাকা নং ১ এবং কঞ্চনপুর জেলার নির্বাচন এলাকা নং ৪-এর প্রতিনিধি হয়ে গণপরিষদে প্রতিনিধিত্ব করেন।[৩][৪] তিনি মাওবাদী সমস্যা সমাধানের জন্য গঠিত একটি উচ্চ-স্তরের কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। গণতান্ত্রিক ছাত্র আন্দোলন থেকে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া দেউবা নেপালি ইউনিয়নের প্রথম সভাপতি ছিলেন এবং তিনি পশ্চিমে নেপালি কংগ্রেসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসাবে বিবেচিত হন। রাজনৈতিক লড়াইয়ের সময় তিনি নয় বছর কারাগারে কাটিয়েছেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "पाँचौँ पटक प्रधानमन्त्री बनेका शेरबहादुर देउवा को हुन्?"বিবিসী নেপালি (নেপালী ভাষায়)। ১৩ জুলাই ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০২১ 
  2. "शेर बहादुर देउवा नेपालका ४० औँ प्रधानमन्त्रीको रूपमा नियुक्त भएका छन्" (नेपाली ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০১৭ 
  3. Bogue, Janet। "DEUBA DUBBED PRIME MINISTER; CONGRESS' KOIRALA OUT IN THE COLD"Wikileaks। Wikileaks। সংগ্রহের তারিখ ৬ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  4. Bhattarai, Kamal Dev। "Can Nepal's New Prime Minister Avert a Crisis?"The Diplomat। সংগ্রহের তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭