শাহজাদপুর সরকারি কলেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
শাহাজাদপুর সরকারি কলেজ
শাহজাদপুর সরকারি কলেজ.jpeg
ধরনসরকারি কলেজ
স্থাপিত১৯৬৪
অধ্যক্ষপ্রফেসর মো: মোস্তফা আলী [১]
ঠিকানা
শাহজাদপুর পৌরসভা সদর
, ,
শিক্ষাঙ্গনউশহর
সংক্ষিপ্ত নামশাহজাদপুর কলেজ
অধিভুক্তিমাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী
ওয়েবসাইটshahzadpurgovtcollege.com

শাহজাদপুর সরকারি কলেজ শাহজাদপুর উপজেলার সিরাজগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের একটি সরকারি কলেজ । এই কলেজটি "শাহজাদপুর কলেজ" নামে পরিচিত। আধুনিক সুযোগ সুবিধা সহ শ্রেণীবিন্যাস, ল্যাবরেটরিজ, লাইব্রেরি এবং সাধারণ রুম রয়েছে। কলেজ রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে মুক্ত ফলে কলেজটি উপজেলার অন্যতম কলেজের স্বীকৃতি পেয়েছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

সাহিত্য ও সংস্কৃতি সমৃদ্ধ শাহজাদপুর অঞ্চলটি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থায় ছিল অবহেলিত ও উপেক্ষিত। এ অবস্থা নিরসনের পক্ষে ১৯৬৪ সালে এ অঞ্চলে শিক্ষার দ্যুতি ছড়ানোর মহান ব্রত নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয় শাহজাদপুর কলেজ। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই কলেজটি রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড একাধিকবার মেধা তালিকায় প্রথম স্থান, দ্বিতীয় স্থানসহ বিভিন্ন মেধাস্থানে গেৌরব অর্জন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় পরর্বতীতে মাননীয় সরকার নভেম্বর ১৯৮৪ সালে ঐতিহ্যবাহী শাহজাদপুর কলেজ কে জাতীয়করণ করেন। বর্তমানে শাহজাদপুর সরকারি কলেজ এ অঞ্চলে শিক্ষার দ্যুতি ছড়িয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারস বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর।[৪]

প্রতিষ্ঠা[সম্পাদনা]

সাহিত্য ও সংস্কৃতি সমৃদ্ধ শাহজাদপুর অঞ্চলটি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থায় ছিল অবহেলিত ও উপেক্ষিত। এ অবস্থা নিরসনের লক্ষে ১৯৬৪ সালে এ অঞ্চলে শিক্ষার দ্যুতি ছড়ানোর মহান ব্রত নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয় শাহজাদপুর কলেজ। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই কলেজটি রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে একাধিকবার মেধা তালিকায় প্রথম স্থান, দ্বিতয়ি স্থান সহ বিভিন্ন মেধাস্থানের গৌরব অর্জন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে মাননীয় সরকার নভেম্বর, ১৯৮৪ সালে ঐতিহ্যবাহী শাহজাদপুর কলেজ কে জাতীয়করণ করেন। বর্তমানে শাহজাদপুর সরকারি কলেজ এ অঞ্চলে শিক্ষার দ্যুতি ছড়িয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর। এ বছর ৬টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু হয়েছে। ফলে শাহজাদপুর ও এর আশেপাশে ১২টি উপজেলার মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের অল্প খরচে ও সহজে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে সুযোগ তৈরি হয়েছে। উপজেলাগুলি হলো শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, তাড়াশ, রায়গঞ্জ, চৌহালী, বেলকুচি, বেড়া, সুজানগর, সাথিয়া, ফরিদপুর, ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর। বিগত দিনে এ এলাকার ছাত্র/ছাত্রীদের অনার্স কোর্সে ভর্তি ছিল সোনার হরিণ। তাদের সেই সোনার হরিণ এখন হাতের মুঠোয় এসেছে। এতে এলাকার উচ্চ শিক্ষা বঞ্চিতরা এ সুযোগ পেয়ে উল্লসিত হয়ে পরেছে। সেই সাথে অভিভাবকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কলেজ সুত্রে জানা যায় ২০১২ সালে এ কলেজে শুধু মাত্র বাংলা বিষয় চালু হয়। এ পর ২০১৩ সালে রাষ্ট্র বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও ইতিহাস এ ৩টি বিষয় চালু হয়। চলতি ২০১৪ সালে হিসাব বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিষয় চালুর সকল প্রক্রিয়া সম্পূর্ন হয়েছে। ইতি মধ্যেই জাতীয় বিশ্ববিদালয়ের মনোনিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যপক সুভাষ চন্দ্র শীল ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রফেসার মোঃ নুরুল্লাহ ভিজিলেন্স টিম হিসাবে শাহজাদপুর সরকারী কলেজ পরিদর্শন করে এ দুটি বিষয় খোলার জন্য সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ফলে এ দুটি বিষয় এ বছর এ কলেজে চালু হতে আর কোন বাধা নেই। তাই কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন এ বছর থেকেই এ ২টি বিষয়ে ছাত্র ভর্তি সম্ভব হবে। ২০১৫ সালে এ কলেজে ইংরেজী, ইসলামের ইতিহাস, উদ্ভিদ বিজ্ঞান ও প্রাণী বিজ্ঞান বিষয় খোলা হবে বলে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

অর্জন[সম্পাদনা]

২০০৬ সালে বি.এস-সি (পাস) কোর্সে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত মেধা তালিকায় ৫ম স্থান। মেয়েদের মধ্যে মেধা তালিকায় ১ম স্থান এবং গণিত বিষয়ে সর্বোচ্চ ৮৯% নম্বর প্রাপ্তির গেৌরব অর্জন করে।

কৃতি শিক্ষার্থী[সম্পাদনা]

  1. গাজী আতাউর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জাতীয় সংসদের সদস্য[৫]
  2. আরিফুর রহমান, পুরস্কার বিজয়ী কার্টুনিস্ট এবং চিত্রশিল্পী

ভবিষৎ পরিকল্পনা[সম্পাদনা]

  • ছাত্র-ছাত্রীদের চারিত্রিক ও মানবিক গুনাবলীর শারিরীক বিকাশ সাধনের মাধ্যমে তালিকায় ৫ম স্থান। মেয়েদের মেধা তালিকায় ১ম স্থান এবং গণিত বিষয়ে সর্বোচ্চ ৮৯% নম্বর প্রাপ্তির গেৌরব অর্জন করে।
  • মানসম্মত সু-শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধার পরিপূর্ণ বিকাশ।
  • প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাদান কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে গৃশিক্ষকের উপর নির্ভশীলতা হ্রাসঘ. নৈতিক মুল্যবোধ, মানবতাবোধ, দেশাত্ববোধ এবং সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে সুনাগরিক হিসেবে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলা।
  • ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের শতভাগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং শতভাগ পাস সহ জিপিএ ৫ পাওয়ার মত দক্ষ করে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলা।* আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় শিক্ষার্থীদের বাস্তবসম্মত শিক্ষায় পারদর্শী করে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করা।
  • ১৪টি বিষয়ে অনার্স কোর্স খোলার কার্যক্রম পক্রিয়াধীন রয়েছে।

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা[সম্পাদনা]

  • একাদশ = ৭৪৮ জন ছাত্র, ২০৩ জন ছাত্রী
  • দ্বাদশ = ৭২২ জন ছাত্র, ১৯৫ জন ছাত্রী
  • ডিগ্রী ১ম বর্ষ= ২৮১ জন ছাত্র, ১৭১ জন ছাত্রী
  • ডিগ্রী ২য় বর্ষ= ২৬১ জন ছাত্র, ১২০ জন ছাত্রী
  • ডিগ্রী ৩য় বর্ষ= ২৬১ জন ছাত্র, ১২১ জন ছাত্রী

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৩০ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১৯ 
  2. http://www.shahjadpur.sirajganj.gov.bd/site/view/college/কলেজ
  3. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৩ আগস্ট ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ মে ২০১৯ 
  4. "শাহজাদপুর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একমাত্র ছাত্রাবাসটির বেহাল দশা"দৈনিক সংগ্রাম। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৮ 
  5. "সাবেক এমপি গাজী আতাউর রহমানের ইন্তেকাল"দৈনিক ইত্তেফাক। ২২ নভেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]