শামসুল হুদা চৌধুরী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
শামসুল আলম চৌধুরী
শামসুল হুদা চৌধুরী.jpg
জাতীয় সংসদের ৫ম স্পিকার
কাজের মেয়াদ
১০ জুলাই ১৯৮৬ – ৫ এপ্রিল ১৯৯১
পূর্বসূরীমির্জা গোলাম হাফিজ
উত্তরসূরীআব্দুর রহমান বিশ্বাস
ময়মনসিংহ-৫ আসনের সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
৭ মে ১৯৮৬ – ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০
পূর্বসূরীখুররম খান চৌধুরী
উত্তরসূরীকেরামত আলী তালুকদার
ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ – ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২
পূর্বসূরীআব্দুল হালিম
উত্তরসূরীহাশিম উদ্দিন আহমেদ
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম(১৯২০-০৫-০১)১ মে ১৯২০
বীরভূম, অবিভক্ত বাংলা, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০০(2000-02-15) (বয়স ৭৯)
ঢাকা
রাজনৈতিক দলজাতীয় পার্টি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
দাম্পত্য সঙ্গীলায়লা আর্জুমান্দ বানু
সন্তানশাহনাজ হুদা[১]
প্রাক্তন শিক্ষার্থীপ্রেসিডেন্সি কলেজ
আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়

শামসুল হুদা চৌধুরী (১ মে ১৯২০–১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০০) ছিলেন বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ যিনি জাতীয় সংসদের ৫ম স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[২]

জন্ম ও প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

শামসুল হুদা চৌধুরী ১ মে ১৯২০ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ১৯৪১ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় হতে এমএ ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার স্ত্রী গায়িকা ও সমাজকর্মী লায়লা আর্জুমান্দ বানু[২]

রাজনৈতিক ও কর্মজীবন[সম্পাদনা]

শামসুল হুদা চৌধুরী ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ ব্রডকাস্টিং এনকোয়্যারি কমিশনের চেয়ারম্যান। গণমাধ্যমের প্রতি আজীবন আগ্রহী শামসুল হুদা চৌধুরী ছিলেন টেলিভিশন ও বেতারের এক সুপরিচিত। তিনি অল ইন্ডিয়া রেডিও এবং পরবর্তীকালে রেডিও পাকিস্তানের আঞ্চলিক পরিচালক, পর্যটন বিভাগের উপ-পরিচালক, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, ইপিআইডিসি-র জনসংযোগ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক দলের নেতৃত্ব দেন তিনি।[২]

তিনি নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৭৭ সালে তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নিযুক্ত হন। ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন ময়মনসিংহ-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[৩]

জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় তিনি ধর্মীয় বিষয়ক, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[৪]

আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় তিনি ২৪ নভেম্বর ১৯৮১ সাল থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ সাল পর্যন্ত তথ্য ও বেতার মন্ত্রী ও ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ সাল থেকে ২৪ মার্চ ১৯৮২ সাল পর্যন্ত বেতার, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[৫][৬][৪]

৭ মে ১৯৮৬ সালের তৃতীয় ও ৩ মার্চ ১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে ময়মনসিংহ-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[৭][৮] ১০ জুলাই ১৯৮৬ সাল থেকে ৫ এপ্রিল ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৫ম স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি রেল ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরও দায়িত্ব পালন করেন।[২]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

২০০০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি শামসুল হুদা চৌধুরীর মৃত্যু হয় এবং ঢাকায় স্ত্রী লায়লা আর্জুমান্দ বানুর কবরের পাশে সমাহিত হন।[২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. রকিবুল ইসলাম সোহাগ। "দেশবরেণ্য কন্ঠশিল্পী লায়লা আর্জুমান্দ বানুর আজ ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী" 
  2. "চৌধুরী, শামসুল হুদা"বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  3. "২য় জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (PDF)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  4. মাহফুজ উল্লাহপ্রেসিডেন্ট জিয়া: রাজনৈতিক জীবনী 
  5. এ এস এম শামসুল আরেফিন। বাংলাদেশে নির্বাচন 
  6. খালেদা হাবিব। বাংলাদেশঃ নির্বাচন, জাতীয় সংসদ ও মন্ত্রীসভা ১৯৭০-৯১ 
  7. "৩য় জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (PDF)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  8. "৪র্থ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (PDF)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ৮ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা।