লাগুয়ার্ডিয়া বিমানবন্দর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
লাগুয়ার্ডিয়া বিমানবন্দর
LaGuardia Airport Logo.svg
LaGuardia Airport.JPG
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
বিমানবন্দরের ধরনসরকারি
মালিকনিউ ইয়র্ক সিটি
পরিচালকনিউ ইয়র্ক ও নিউ জার্সি বন্দর কর্তৃপক্ষ
সেবা দেয়নিউ ইয়র্ক মহানগর অঞ্চল
অবস্থানকুইন্স, নিউ ইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
যে হাবের জন্য
এএমএসএল উচ্চতা২১ ফুট / ৬ মিটার
স্থানাঙ্ক৪০°৪৬′৩৮.১″ উত্তর ৭৩°৫২′২১.৪″ পশ্চিম / ৪০.৭৭৭২৫০° উত্তর ৭৩.৮৭২৬১১° পশ্চিম / 40.777250; -73.872611স্থানাঙ্ক: ৪০°৪৬′৩৮.১″ উত্তর ৭৩°৫২′২১.৪″ পশ্চিম / ৪০.৭৭৭২৫০° উত্তর ৭৩.৮৭২৬১১° পশ্চিম / 40.777250; -73.872611
ওয়েবসাইটlaguardiaairport.com
মানচিত্র
এফএএ চিত্র
এফএএ চিত্র
এলজিএ নিউ ইয়র্ক সিটি-এ অবস্থিত
এলজিএ
এলজিএ
এলজিএ নিউ ইয়র্ক-এ অবস্থিত
এলজিএ
এলজিএ
এলজিএ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-এ অবস্থিত
এলজিএ
এলজিএ
নিউ ইয়র্ক সিটি / নিউ ইয়র্ক / মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান
রানওয়েসমূহ
দিকনির্দেশনা দৈর্ঘ্য পৃষ্ঠতল
ফুট মি
০৪/২২ ৭,০০১ ২,১৩৪ আস্ফাল্ট/কংক্রিট
১৩/৩১ ৭,০০৩ ২,১৩৫ আস্ফাল্ট/কংক্রিট
হেলিপ্যাডসমূহ
নম্বর দৈর্ঘ্য পৃষ্ঠতল
ফুট মি
এইচ১ ৬০ ১৮ আস্ফাল্ট
এইচ২ ৬০ ১৮ আস্ফাল্ট
পরিসংখ্যান (২০১৯)
উড়ান সংখ্যা৩,৭৩,৩৫৬
যাত্রী সংখ্যা৩,১০,৮৪,৮৯৪

লাগুয়ার্ডিয়া বিমানবন্দর (আইএটিএ: এলজিএআইসিএও: কেএলজিএএফএএ এলআইডি: এলজিএ) /ləˈɡwɑːrdiə/ নিউইয়র্কের কুইন্সের একটি বিমানবন্দর। বিমানবন্দরটি নিউইয়র্ক সিটির তৃতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দর এবং যুক্তরাষ্ট্রে ২০তম ব্যস্ততম বিমানবন্দর। লাগুয়ার্ডিয়া বিমানবন্দরটি ৬৮০ একর (২৮০ হেক্টর) জমি জুড়ে বিস্তৃত।[২]

২০১৬ সালে, লাগুয়ার্ডিয়া বিমানবন্দরে যাত্রীদের চলাচলের শক্তিশালী বৃদ্ধি ঘটে; প্রায় ২৯.৮ মিলিয়ন যাত্রী বিমানবন্দরটি ব্যবহার করে, যা আগের বছরের তুলনায় ১৪.২ শতাংশ বেশি।[৩] এলজিএ আমেরিকান এয়ারলাইন্স এবং ডেল্টা এয়ার লাইন্সের একটি কেন্দ্র। একটি পরিধি নিয়ম ১,৫০০ মাইলের (২,৪০০ কিমি) অধিক দূরত্বের গন্তব্যে বিরতিহীন উড়ান নিষিদ্ধ করে, তবে এই পরিধি নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটে শনিবারের উরানগুলিতে এবং ডেনভারের উড়ানগুলিতে। সীমান্ত ছাড়পত্রবিহীন আন্তর্জাতিক উড়ানগুলি অবশ্যই কাছাকাছি জেএফকে বা নিওয়ার্ক বিমানবন্দর ব্যবহার করে, কারণ লাগুয়ার্ডিয়া বিমানবন্দরে কোনও সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের সুবিধা নেই।[৪]

এই জায়গার পূর্ববর্তী বিমানবন্দর হিসাবে ছিল গ্লেন এইচ কার্টিস বিমানবন্দর (বিমান চালনা পথিকৃৎ গ্লেন হ্যামন্ড কার্টিস[৫] এর নামানুসারে), পরে নর্থ বীচ বিমানবন্দর হিসাবে নামকরণ করা হয়।[৬] নিউইয়র্ক সিটির দ্বারা অধিগ্রহণ ও পুনর্নির্মাণের পরে নামটি পরিবর্তন করে করা হয় নিউইয়র্ক মিউনিসিপাল এয়ারপোর্ট–লাগুয়ার্ডিয়া ফিল্ড এবং বিমানবন্দরের নির্মাণের সময়কার নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র ফিওরেলো লা গার্ডিয়ার সম্মানে ১৯৫৩ সালে বিমানবন্দরের নামকরণ করা হয় "লাগুয়ার্ডিয়া বিমানবন্দর"।

লাগুয়ার্ডিয়া তার মান্ধাতার আমলের সুযোগ-সুবিধাগুলি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব, কাঠের ভবনের নকশা ডিজাইন এবং দুর্বল গ্রাহক পরিষেবা'সহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়।[৭] বিমানবন্দরটি অসংখ্য গ্রাহক সমীক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে খারাপ হিসাবে স্থান পেয়েছে।[৮] বিমান চালকদের মধ্যে এটিকে "ইউএসএস লাগুয়ার্ডিয়া" হিসাবে উল্লেখ করা হয়, কারণ রানওয়েগুলি সংক্ষিপ্ত এবং জল দ্বারা বেষ্টিত, এগুলি বিমানবাহী রণতরীতে অবতরণের অনুভূতি দেয়।[৯] ২৭ জুলাই ২০১৫ সালে, নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমো একটি পুনর্নির্মাণ পরিকল্পনা ঘোষণা করেন, যা বিদ্যমান বিমানবন্দরটিকে পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করবে। পুনর্নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১৬ সালে ভূমি খনন শুরু করে এবং ২০২১ সালের মধ্যে এটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

নির্মাণ[সম্পাদনা]

বিমানবন্দরের স্থানটি মূলত স্টেইনওয়ে পরিবারের মালিকানাধীন গালা বিনোদন পার্ক দ্বারা ব্যবহৃত হত। ১৯২৯ সালে এটিকে ভেঙে ফেলা হয় এবং পরিবর্তিত করা হয় লং আইল্যান্ডের অগ্রণী বিমানচালকের নামে গ্লেন এইচ কার্টিস বিমানবন্দর হিসাবে এক ১০৫ একরের (৪২ হেক্টর) বেসরকারী বিমান ক্ষেত্রে, পরবর্তীতে নর্থ বীচ বিমানবন্দর হিসাবে পরিচিত হয়।[৬]

পরবর্তীতে উন্নয়ন[সম্পাদনা]

যদিও লাগুয়ার্ডিয়া যে সময়ে নির্মিত হয়, সেই সময়ের জন্য একটি বৃহত বিমানবন্দর ছিল, এটি শীঘ্রই খুব ছোট হয়ে যায়। ১৯৬৮ সালে বেশিরভাগ এলজিএ ব্যবহারকারী বিমান সংস্থারকে নিউ জার্সির টেটেরবোরো বিমানবন্দরের মতো বিমানবন্দরে চলে যেতে বাধ্য করে ব্যস্ত সময়ে লাগুয়ার্ডিয়া থেকে বিমান পরিচালনার জন্য ধার্যকৃত অধিক ফি। লাগুয়ার্ডিয়াতে যাত্রী বৃদ্ধি এবং সুরক্ষার উদ্বেগ ১৯৮৪ সালে কাছাকাছি ফ্লাশিং বিমানবন্দরটি বন্ধ করে দেয়। এছাড়াও ১৯৮৪ সালে, এলজিএ'তে উপচেপড়া ভিড় মোকাবেলায় বন্দর কর্তৃপক্ষ রবিবার-শুক্র-শুক্রবার "পেরিমিটার রুল" প্রতিষ্ঠা করে লাগুয়ার্ডিয়া থেকে ১,৫০০ মাইল (২,৪০০ কিমি) দূরের শহরগুলিতে বিরতিহীন উড়ান ফ্লাইট নিষিদ্ধ করে; সেই সময়ে ডেনভার হ'ল বিরতিহীন উড়ান'সহ এমন একমাত্র গন্তব্য শহর এবং এটি নিয়মের একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে ওঠে। (১৯৮৬ সালে ওয়েস্টার্ন এয়ারলাইন্স সল্টলেক সিটিতে ৭৩৭-৩০০এস এর বিরতিহীন উড়ানের আশা করে এবং এই নিয়মটিকে ফেডারেল কোর্টে ব্যর্থভাবে চ্যালেঞ্জ করে)।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; STATS নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  2. "The Port Authority of NY & NJ"www.panynj.gov। ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ৬, ২০১০ 
  3. "Port Authority Airports set new Record with more than 129 Million Passengers Traveling in 2016" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। The Port Authority of New York & New Jersey। জানুয়ারি ২৮, ২০১৫। সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ২৭, ২০১৫ 
  4. "Long Distance at La Guardia"The New York Sun। আগস্ট ৪, ২০০৫। জুন ২৬, ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ৪, ২০১০ 
  5. Jackson, Kenneth T., সম্পাদক (১৯৯৫)। "Glenn Curtiss"। The Encyclopedia of New York City। The New-York Historical Society; Yale University Press। পৃষ্ঠা 470। 
  6. Amon, Rhoda (মে ১৩, ১৯৯৮)। "Major Airports Take Off / Mayor LaGuardia's complaint leads to an airport; but soon, another is needed"Newsday। Long Island, New York। পৃষ্ঠা A17। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ৭, ২০১২ 
  7. Mark Matousek (নভেম্বর ৫, ২০১৮)। "I flew out of the most hated airport in the US – here's what I saw"। Business Insider। এপ্রিল ১২, ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ১৯, ২০১৯ 
  8. Krumboltz, Mike (ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৪)। "Biden compares New York's LaGuardia airport to 'third world country'"Yahoo News। ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৪ 
  9. Wien, Kent (ডিসেম্বর ২৫, ২০১২)। "Cockpit Chronicles: A Landing Fit For A King"। Gadling.com। মার্চ ১১, ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ৪, ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

উইকিমিডিয়া কমন্সে লাগুয়ার্ডিয়া বিমানবন্দর সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন