আস্ফাল্ট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
মৃত সাগর থেকে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক আস্ফাল্ট

আস্ফাল্ট (ইংরেজি: (Asphalt)) কুচকুচে কালো, অর্ধতরল পদার্থ যা অপরিশোধিত পেট্রলিয়াম থেকে পাওয়া যায়। তবে আস্ফাল্ট প্রাকৃতিক ভাবেও পাওয়া যায়। এর প্রয়োগ সড়ক নির্মাণ, রানওয়ে ইত্যাদি নির্মাণকার্যে ব্যবহার হয়।

'আস্ফাল্ট' এ শব্দটি মূলত গ্রিক শব্দ, যার অর্থ দৃঢ় বা সুরক্ষিত। প্রাচীন কালে আস্ফাল্টের ব্যবহার প্রধানত, কোনো কিছু জোড়ানোর কাজে প্রযুক্ত করা হত। যেমন হাতির দাতে রত্ন পাথর বসানো।

বর্তমানে যানা গেছে প্রায় ৩০০০ খৃষ্ট-পূর্বা সিন্ধু নদীর তীরে মহেঞ্জোদারোতে প্রথম আস্ফাল্টের ব্যবহার হয়েছিল।

পরিচয়[সম্পাদনা]

আস্ফাল্ট, কঠিন বা সিমেন্টের তৈরি জিনিস জোড়ানোর কাজ করে। যা গরম করলে আস্তে আস্তে দ্রবণ দে পরিণত হয়। বিটুমিন তারকল জাতীয় পদার্থ এর মুখ্য সংঘটক। আস্ফাল্ট কঠিন বা অর্ধতরল অবস্থায় প্রকৃতিতে পাওয়া যায় অথবা পেট্রলিয়াম পরিশোধনের সময় উত্পন্ন হয়। বা পূর্ব উল্লেখিত, বিটুমিন পদার্থ নিজেরা মিলিত হয়ে, বা পেট্রলিয়াম পরিশোধনের ফলে উত্পন্ন পদার্থ মিলিত হওয়ার কারণে উত্পন্ন হয়। আস্ফাল্ট শব্দটি প্রায়, প্রাকৃতিক বা প্রকৃতিজাত বিটুমিনকে বোঝাতে ব্যবহার হয়।

আস্ফাল্ট হ্রদ, অথবা শৈল আকারে পাওয়া যায়। ত্রিনিদাদের আস্ফাল্ট হ্রদ এর উদাহরণ। এরকম হ্রদগুলি কাচা পেট্রলিয়াম হাজার হাজার বছর ধরে সুখার ফলে তৈরি হয়। হ্রদ থেকে প্রাপ্ত আস্ফাল্টের সাথে অনেক রকম অপদ্রব্য মিশে থাকে, যেমন মৃত পশুর অবশেষ, গাছের টুকড়া, বালি, কাদা-মাটি, পাথর ইত্যাদি। আরব, ফ্রান্স, জার্মানি, দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলি ও অস্ট্রিয়া ইত্যাদি দেশগুলিতে শৈল থেকে আস্ফাল্ট পাওয়া যায়।

নকল আস্ফাল্ট (যা বিটুমিন নামে পরিচিত), অপরিশোধিত পেট্রলিয়াম থেকে পওয়া যায়। পেট্রল, কেরাসিন, ডিজেল ইত্যাদি বের করার পর যা বাঁচে তাই আস্ফাল্ট। তৈরির প্রক্রিয়াগত পার্থক্য সৃষ্টি করে আলাদা আলাদা গুন-মানের আস্ফাল্ট উত্পন্ন করা হয়। ও প্রয়োজন মত বেশি গাড় কম গাড় করা হয়। যেখানে শুদ্ধ আস্ফাল্ট ব্যবহার সম্ভব নয়, সেক্ষেত্রে আস্ফাল্টের সাথে কোনো উদ্বায়ু পদার্থের মিশ্রণ দিয়ে আস্ফালকে তরল ও মসৃণ করে ব্যবহার্য করা হয়। তখন উপলবদ্ধ পদার্থকে কাট ব্যক বলা হয়। কোনোকোনো ক্ষেত্রে, যেমন ভেজা বা স্যাঁতস্যাঁতে রাস্তার মাঝে লাগানের জন্যে, আস্ফালটের সাথে জল মিশিয়ে ক্ষির (ইম্লেশন) তৈরি করা হয়।

পরিচয়[সম্পাদনা]

আস্ফাল্ট, কঠিন বা সিমেন্টের তৈরি জিনিস জোড়ানোর কাজ করে। যা গরম করলে আস্তে আস্তে দ্রবণ দে পরিণত হয়। বিটুমিন তারকল জাতীয় পদার্থ এর মুখ্য সংঘটক। আস্ফাল্ট কঠিন বা অর্ধতরল অবস্থায় প্রকৃতিতে পাওয়া যায় অথবা পেট্রলিয়াম পরিশোধনের সময় উত্পন্ন হয়। বা পূর্ব উল্লেখিত, বিটুমিন পদার্থ নিজেরা মিলিত হয়ে, বা পেট্রলিয়াম পরিশোধনের ফলে উত্পন্ন পদার্থ মিলিত হওয়ার কারণে উত্পন্ন হয়। আস্ফাল্ট শব্দটি প্রায়, প্রাকৃতিক বা প্রকৃতিজাত বিটুমিনকে বোঝাতে ব্যবহার হয়।

আস্ফাল্ট হ্রদ, অথবা শৈল আকারে পাওয়া যায়। ত্রিনিদাদের আস্ফাল্ট হ্রদ এর উদাহরণ। এরকম হ্রদগুলি কাচা পেট্রলিয়াম হাজার হাজার বছর ধরে সুখার ফলে তৈরি হয়। হ্রদ থেকে প্রাপ্ত আস্ফাল্টের সাথে অনেক রকম অপদ্রব্য মিশে থাকে, যেমন মৃত পশুর অবশেষ, গাছের টুকড়া, বালি, কাদা-মাটি, পাথর ইত্যাদি। আরব, ফ্রান্স, জার্মানি, দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলি ও অস্ট্রিয়া ইত্যাদি দেশগুলিতে শৈল থেকে আস্ফাল্ট পাওয়া যায়।

নকল আস্ফাল্ট (যা বিটুমিন নামে পরিচিত), অপরিশোধিত পেট্রলিয়াম থেকে পওয়া যায়। পেট্রল, কেরাসিন, ডিজেল ইত্যাদি বের করার পর যা বাঁচে তাই আস্ফাল্ট। তৈরির প্রক্রিয়াগত পার্থক্য সৃষ্টি করে আলাদা আলাদা গুন-মানের আস্ফাল্ট উত্পন্ন করা হয়। ও প্রয়োজন মত বেশি গাড় কম গাড় করা হয়। যেখানে শুদ্ধ আস্ফাল্ট ব্যবহার সম্ভব নয়, সেক্ষেত্রে আস্ফাল্টের সাথে কোনো উদ্বায়ু পদার্থের মিশ্রণ দিয়ে আস্ফালকে তরল ও মসৃণ করে ব্যবহার্য করা হয়। তখন উপলবদ্ধ পদার্থকে কাট ব্যক বলা হয়। কোনোকোনো ক্ষেত্রে, যেমন ভেজা বা স্যাঁতস্যাঁতে রাস্তার মাঝে লাগানের জন্যে, আ

ব্যবহার[সম্পাদনা]

আস্ফাল্টের ব্যবহার বিভিন্ন ভাবে হয়। তবে, এর ব্যবহার বেশিরভাগ সড়ক নির্মাণ বিমানবন্দরের রানওয়ে নির্মাণ, সহ ফুটপথ তৈরির কাজে ব্যবহার হয়। আরও, যেমন নহর তৈরিতে বা ট্যাঙ্কের ভেতর প্রলেপ হিসেবে, বদি বা সমুদ্রের কিনারে তটরক্ষক হিসেবে ও নৌকার প্রলেপ রুপে আস্ফাল্টের ব্যবহার হয়। ভারি শিল্পতে এর ব্যবহার হয় জলাবরোধক কাপড় তৈরিতে যা ছাত, ওয়ালগার্ড নির্মাণকাজে ব্যবহার্য। তাছাড়া এটি বিদ্যুৎরোধকের কাজে প্রযুক্ত করা হয়। ইন্সুলেটিং টেপ, জলরোধী কাগল ইত্যাদি কাজে ব্যবহার হয়। জোড়ন ভরতে তথা সান্দা ভরার কাজেও বহুল ভাবে ব্যবহৃত। বার্নিশ, ওয়েল পেন্ট, নকল রবার ইন্যামল, ও কোল্ডস্টোরজ (শীতভান্ডার), ইলেকট্রনিক ব্যাটারি, রেফ্রিজারেটর ইত্যাদি তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়।

এপর্যন্ত বাংলাদেশে বিটুমিন আস্ফাল্ট বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। কিন্তু এখন ঢাকাতে এর গবেষণাগার নির্মাণ কার্য চলছে।