লকমা জমিদার বাড়ি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
লকমা জমিদার বাড়ি
বিকল্প নামচৌধুরী বাড়ি
সাধারণ তথ্য
ধরনবাসস্থান
অবস্থানপাঁচবিবি উপজেলা
ঠিকানাকড়িয়া গ্রাম
শহরপাঁচবিবি উপজেলা, জয়পুরহাট জেলা
দেশবাংলাদেশ
খোলা হয়েছেআনুমানিক ১৫০০ শতকে
স্বত্বাধিকারীহাদী মামুন চৌধুরী
কারিগরী বিবরণ
পদার্থইট, চুন ও সুরকি
তলার সংখ্যা০৩ (তিন)
তলার আয়তন০৩ একর
অন্যান্য তথ্য
কহ্ম সংখ্যা৩০ (ত্রিশ)

লকমা জমিদার বাড়ি বাংলাদেশ এর জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার কড়াই গ্রামে অবস্থিত এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। স্থানীয়দের কাছে এটি চৌধুরী বাড়ি নামে বেশ পরিচিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের উত্তরপ্রান্তে ভারতের সীমান্ত ঘেষা জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলায় এই জমিদার বাড়িটি আনুমানিক প্রায় ১৫০০-১৬০০ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠা করেন জমিদার হাদী মামুন চৌধুরী। কথিত আছে এই জমিদার বাড়ির জমিদাররা ছিলেন খুবই অত্যাচারী ও নিষ্ঠুর। জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার অনেক আগেই এই জমিদার বাড়ির জমিদারী শেষ হয়ে যায়। কারণ এরা অত্যাচারী হওয়াতে গায়েবি মাধ্যমে এদেরকে জমিদার বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলা হয়। তারপর তারা তাই করেন এবং এরপর থেকেই এখানের জমিদারী বিলুপ্ত হয়।

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

তিন একর জায়গা জুড়ে দুই ভাগে নির্মিত এই জমিদার বাড়ি। বাড়িটির প্রাসাদ মূলত তিন তলা বিশিষ্ট্য ছিল। তবে বর্তমানে দুই তলা রয়েছে। একতলা বা নিচের তলা মাটির নিচে চাপা পড়েছে। পুরো প্রাসাদটিতে মোট ২৫/৩০টি কক্ষ রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে হাতিশালা, ঘোড়াশালা ও কাছারিঘরসহ ইত্যাদি।

বর্তমান অবস্থা[সম্পাদনা]

জমিদার বাড়ির সবকিছুই এখন প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। লতাপাতায় জরাজীর্ণ হয়ে রয়েছে। বর্তমানে এই জমিদারীর আওতাভুক্ত অধিকাংশ এলাকা এখন ভারতের ভূখণ্ডে। এগুলো হলো জামালপুর, মথুরাপুর, গয়েশপুর, চিঙ্গিশপুর, সতনূল, সানাপাড়া ও মজাতপুর। বাংলাদেশে শুধু পাঁচবিবি উপজেলার এলাকাই রয়েছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]