রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কর্নেল
রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর
এভিএসএম
Rajyavardhan Rathore with the school children - TEDxShekhavati 2011 (cropped).jpg
Minister of State (Independent Charge) for Ministry of Information and Broadcasting
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
১৪ মে ২০১৮
প্রধানমন্ত্রীনরেন্দ্র মোদি
পূর্বসূরীস্মৃতি ইরানি
as Minister of Information and Broadcasting
Minister of State (Independent Charge) for Youth Affairs and Sports
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭
প্রধানমন্ত্রীনরেন্দ্র মোদি
পূর্বসূরীবিজয় গোয়েল
Minister of State for Information and Broadcasting
কাজের মেয়াদ
৯ নভেম্বর ২০১৪ – ১৪ মে ২০১৮
প্রধানমন্ত্রীনরেন্দ্র মোদি
পূর্বসূরীপ্রকাশ জাভেদকার
Member of Parliament
for Jaipur Rural
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
16 May 2014
পূর্বসূরীC P Joshi
সংখ্যাগরিষ্ঠ3,32,896 (32.84%)
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1970-01-29) ২৯ জানুয়ারি ১৯৭০ (বয়স ৪৯)
জয়সালমের, রাজস্থান, ভারত
জাতীয়তাভারতীয়
রাজনৈতিক দলভারতীয় জনতা পার্টি
দাম্পত্য সঙ্গীGayatri Rathore (বি. ১৯৯৭)[১]
প্রাক্তন শিক্ষার্থী
সামরিক পরিষেবা
আনুগত্য India
শাখা ভারতীয় সেনাবাহিনী
পদকর্নেল
ইউনিটনবম গ্রেনডিয়ার্স
রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর
ক্রীড়া
ক্রীড়াশুটিং
ঘটনাসমূহডবল ট্র্যাপ

কর্নেল রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর (ইংরেজি: Rajyavardhan Singh Rathore ), (জন্ম ২৯ জানুয়ারি, ১৯৭০) এভিএসএম একজন ভারতীয় রাজনীতিক এবং একজন প্রাক্তন পেশাদার শ্যুটার। তিনি ২০০৪ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমসের শুটিং এ ডাবল ট্র্যাপ ইভেন্টে রৌপ্য পদক জিতেছিলেন। এক দশকের কর্মজীবনে তিনি কমনওয়েলথ গেমস এবং এশিয়ান গেমসে একাধিক পদক জিতেছেন। ২০০৫ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী পুরস্কারের দ্বারা স্মমানিত করে।

২০১৩ সালে, কর্নেল পদে অবসর নেওয়ার আগে তিনি ভারতীয় সেনা বাহিনীর গ্রেনডিয়ার্স রেজিমেন্টের একজন কমিশন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেনাবাহিনী ও শুটিং থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি ২০১৪ সালে ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে সংসদে সদস্য হয়েছিলেন। নভেম্বর ২০১৪ সালে, তথ্য ও সম্প্রচারের মন্ত্রী হন।[৩] ২০১৭ সালে, যুব বিষয় ও ক্রীড়ার মন্ত্রী হিসাবে তাকে নিয়োগ করা হয়।

প্রাথমিক জীবন এবং সামরিক কর্মজীবন[সম্পাদনা]

রাঠোর রাজস্থানের জয়সালমের একটি রাজপুত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা কর্নেল লক্ষ্মণ সিং রাঠোর (অবসরপ্রাপ্ত)।[৪]

রাঠোর জাতীয় প্রতিরক্ষা একাডেমীর ৭৭ তম কোর্সের স্নাতক।[৫] এনডিএ থেকে স্নাতক হওয়ার পর, রাঠোর ভারতীয় মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে যোগ দেন যেখানে তিনি সেরা অলরাউন্ড জেন্টলম্যান ক্যাডেটের জন্য সোয়ার্ড অব অনার পেয়েছিলেন। তিনি শিখ রেজিমেন্ট স্বর্ণ পদক লাভ করেন, যা কোর্সের শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদকে দেওয়া হয়ে থাকে।[৪]

পরে তিনি নবম গ্রেনডিয়ার্স (মওয়ার) রেজিমেন্টে যোগ দেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে তার কর্মজীবনের অংশ হিসাবে, তিনি জম্মু ও কাশ্মীরতে চাকরি করেন, যেখানে তিনি জঙ্গি-সন্ত্রাসী অপারেশনগুলিতে অংশ নেন। তার রেজিমেন্টেকে সেনাপ্রধানের কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ মানপত্র এবং জম্মু ও কাশ্মীরের কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ মানপত্র দৃষ্টান্তমূলক কাজের জন্য প্রদান করা হয়।[৪]

শুটিং ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

২০০২ সালে, ম্যানচেস্টারে আয়োজিত কমনওয়েলথ গেমসে রাঠোর স্বর্ণ পদক জিতেছিলেন এবং ২০০ টি লক্ষ্যকেন্দ্রের মধ্যে ১৯২ টি লক্ষ্যকেন্দ্রে লক্ষ্যভেদ করে একটি নতুন কমনওয়েলথ গেমসের রেকর্ড গড়েন, যা এখনও পর্যন্ত অক্ষত আছে। পরে তার আর মোরাদ আলী খানের জুটি দলগত স্বর্ণ পদকও জিতেছিলেন। ২০০৬ সালে, মেলবোর্নে আয়োজিত কমনওয়েলথ গেমসেও তিনি স্বর্ণ পদক জেতেন এবং তার আর বিক্রম ভাটনাগারের জুটি দলগত ইভেন্টে রৌপ্য জয় করে। ২০০৪ সালের সিডনি এবং ২০০৬ সালের কায়রোতে আয়োজিত ওয়ার্ল্ড শুটিং চ্যাম্পিয়নশীপে তিনি স্বর্ণ পদক জিতেছিলেন।

রাঠোরের লক্ষণীয়তা আসে যখন তিনি ২০০৪ এথেন্সের অলিম্পিকে রৌপ্য জয় করেন। এটি অলিম্পিকে ভারতের প্রথম স্বতন্ত্র রৌপ্য পদক ছিল।[৪][৬]

২০০৬ সালে, স্পেনের ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশীপে রাঠোর ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন, বিশ্বের শীর্ষ ১২ টি শ্যুটারের জন্য অনুষ্ঠিত একটি ইভেন্ট। ২০০৩ এবং ২০০৪ সালের বেশিরভাগ সময় তিনি বিশ্বের তৃতীয় স্থানে থাকেন এবং ২০০৪ সালের প্রথম দিকে প্রথম স্থান অর্জুন করেন কিন্তু এথেন্স অলিম্পিকের পর দ্বিতীয় স্থানে চলে আসেন। ২০০৩ সিডনিতে, বিশ্ব শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি একটি রৌপ্য জয় করেন যা প্রায় ৪০ বছর পর, ভারতের হয়ে কেউ জয় করলেন।[৪] ১৯৬২ সালে কায়রোয় বিশ্ব শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে রৌপ্য পদক জয়ী বিকানীরের কর্ণি সিংহের পর ভারত থেকে কেউ আর জয়লাভ করতে পারেনি। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত চারবার এশিয়ার ক্লে টার্গেটেসে তিনি স্বর্ণ পদক লাভ করেছেন। ২০০৬ দোহায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে তিনি ব্যক্তিগত ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন।

২০০২ এবং ২০০৬ সালের মধ্যে ডাবল ট্র্যাপের জন্য বিভিন্ন চ্যাম্পিয়নশিপে রাঠোর ২৫ টি আন্তর্জাতিক পদক জিতেছিলেন।

২০১১ সালে, কুয়ালা লামপুরে এশিয়ান ক্লে টার্গেটেস চ্যাম্পিয়নশিপে রাঠোর স্বর্ণ জিতেছিলেন এবং তার করা ১৯৪ স্কোর, যা কিনা সেই সময় বিশ্ব রেকর্ডের সমান ছিল।[২]

রাজনৈতিক ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ সালে, রাঠোর ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণের পর ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন।[৭] তিনি ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয়পুর গ্রামের সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হন।[৮] ৯ নভেম্বর ২০১৪ সালে, নরেন্দ্র মোদি সরকারের অধীনে তিনি তথ্য ও সম্প্রচারের মন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন।[৯] তিনি ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে ক্রীড়া মন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত হন।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "A Sure Shot"The Tribune। ২১ আগস্ট ২০০৪। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  2. http://www.issf-sports.org/athletes/athlete.ashx?personissfid=SHINDM2901197001
  3. Vincent, Pheroze (১০ নভেম্বর ২০১৪)। "Rajyavardhan Singh Rathore: Olympian finds a place"The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  4. "Rajyavardhan Singh Rathore, Olympic silver medallist appointed sports minister", Hindustan Times, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ 
  5. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৩১ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুন ২০১৮ 
  6. "Shooter Rathore strikes silver"। rediff.com। ১৭ আগস্ট ২০০৪। 
  7. "Olympic medallist Rajyavardhan Singh Rathore joins BJP"The Times of India। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩। 
  8. "Narendra Modi to also contest from Vadodara in Lok Sabha Election"IANS। news.biharprabha.com। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০১৪ 
  9. "'Come, Have Breakfast With Me and Take Oath, PM Modi Said': Rajyavardhan Rathore to NDTV"NDTV। ১০ নভেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১১-১০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]