বিষয়বস্তুতে চলুন

রওদা দ্বীপ

রওদা দ্বীপ
স্থানীয় নাম:
جزيرة الروضة
রওদা দ্বীপ এবং পুরানো কায়রোর মধ্যে নীল নদের শাখা
রওদা দ্বীপের ওপেনস্ট্রিটম্যাপ রেন্ডারিং
ভূগোল
অবস্থাননীল নদ, কায়রো
স্থানাঙ্ক৩০°০১′১৫″ উত্তর ৩১°১৩′৩২″ পূর্ব / ৩০.০২০৮৩° উত্তর ৩১.২২৫৫৬° পূর্ব / 30.02083; 31.22556
প্রশাসন

রওদা বা রাওদাহ দ্বীপ (আরবি: جزيرة الروضة, Jazīrat ar-Rawdah, মিশরীয় আরবি: ɡɪˈziːɾɪt eɾˈɾoːdɑ) হল মধ্য কায়রোতে নীল নদের একটি দ্বীপ এলাকা। বিকল্পভাবে বা আংশিকভাবে মানিয়ালুর রওদা বা মানিয়াল নামে পরিচিত;[] যা নগরীকরণের আগে দ্বীপে বিদ্যমান মূল গ্রামের না।[] এটি মিসরুল কাদিমা বা পুরাতন কায়রো জেলার অংশ।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

দ্বীপটি প্রাচীনকালে ব্যাবিলনীয় দ্বীপ নামে পরিচিত ছিল (প্রাচীন গ্রিক: Νῆσος Βαβυλῶνος), যা ব্যাবিলন দুর্গকে নির্দেশ করে।[]

উমাইয়া উমাইয়া রাজবংশের খলিফা সুলায়মান ইবনে আবদুল মালিকের শাসনামলে, বার্ষিক নীল বন্যা পরিমাপের জন্য খলিজ খালের মুখের বিপরীতে দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে একটি নাইলোমিটার নির্মিত হয়েছিল।[][] আব্বাসীয় খলিফা মুতাওয়াক্কিলের শাসনামলে ৮৬১ খ্রিস্টাব্দে কাঠামোটি প্রতিস্থাপিত হয়।[] জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফারগানির তত্ত্বাবধানে এবং অনেক পরিবর্তন সত্ত্বেও, আজও বিদ্যমান এবং রোদা দ্বীপ নিলোমিটার নামে পরিচিত।[]

আইয়ুবীয় সুলতান সালিহ আইয়ুব (শাসনকাল ১২৪০ থেকে ১২৪৯ , সালাহুদ্দিনের বড়-ভাতিজা) নিলোমিটারের কাছে দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে একটি প্রাসাদ তৈরি করেছিলেন।[][]

মামলুক বাহরি রাজবংশ মূলত রোদা দ্বীপে রাজপ্রাসাদ স্থাপন করে সেখানে বসবাস শুরু করেছিল।[] রাজবংশের নাম, "বাহরিয়া", যার অর্থ 'নদী সংক্রান্ত বিষয়', নীল নদের দ্বীপে তাদের আদি বসতিকে নির্দেশ করে।

১৮২৯ সালে মোহাম্মদ আলী রাজবংশের ভাইসরয় ইব্রাহিম পাশা দ্বারা দ্বীপটিতে বুস্তানুল কাবির (মহান উদ্যান) পরিকল্পনা এবং কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।[১০] ১৮৫১ সালে মানস্টারলি প্রাসাদ, যা কিয়স্ক নামেও পরিচিত, এটি দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে আইয়ুবীয়দের প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষে হাসান ফুয়াদ পাশা আল-মানস্টারলি নির্মাণ করেন। যা মিশরের কাটখোদা প্রথম আব্বাসের শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল।[] পরবর্তীতে বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে দ্বীপের মধ্য-উত্তরে প্রিন্স মোহাম্মদ আলী প্রাসাদ নির্মিত হয়।[১১]

বর্তমানে দ্বীপটি কায়রোর একটি ব্যস্ত এলাকা।[]

চিত্রশালা

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "Manial Al-Roda: Birdsong and the call to prayer - Features - Al-Ahram Weekly"Ahram Online। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
  2. Egyptian Survey Department (১৯১৫)। "Map of Cairo"Al-Madaq। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
  3. Maspero, Jean; Wiet, Gaston (১৯১৯)। "Materiaux pour servir à la Géographie de l'Égypte": ৬৮। {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  4. Brian Fagan (১ আগস্ট ২০১০)। The Great Warming: Climate Change and the Rise and Fall of Civilizations। Bloomsbury Publishing। পৃ. ১৬৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৯৬৯১-৭৮০-৪
  5. Ibn ʿAsākir। Tārīkh Madīnat Dimashq। পৃ. ৮:৮৪।
  6. Doris Behrens-Abouseif (১৯৯২)। Islamic Architecture in Cairo: An Introduction। BRILL। পৃ. ৫১। আইএসবিএন ৯০-০৪-০৯৬২৬-৪
  7. "Rawda Island Nilometer"egymonuments.gov.eg (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
  8. 1 2 "A Virtual Tour through Al-Manasterly palace and the Nilometer"egymonuments.gov.eg (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
  9. 1 2 Al-Maqrizi, p.405/vol. 1
  10. Rafaat, Samir (২৭ নভেম্বর ১৯৯৭)। "Prince Mohammed Ali Tewfik Manial Retreat"www.egy.com। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
  11. "Manial Palace Museum"egymonuments.gov.eg (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]

উইকিমিডিয়া কমন্সে রওদা দ্বীপ সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।