বিষয়বস্তুতে চলুন

রংপুর, গুজরাত

স্থানাঙ্ক: ২২°২৬′ উত্তর ৭১°৫৫′ পূর্ব / ২২.৪৩৩° উত্তর ৭১.৯১৭° পূর্ব / 22.433; 71.917
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রংপুর
রংপুর, গুজরাত ভারত-এ অবস্থিত
রংপুর, গুজরাত
ভারতে অবস্থান
অবস্থানভানালা, গুজরাত, ভারত
স্থানাঙ্ক২২°২৬′ উত্তর ৭১°৫৫′ পূর্ব / ২২.৪৩৩° উত্তর ৭১.৯১৭° পূর্ব / 22.433; 71.917
ধরনSettlement
ইতিহাস
সময়কালHarappan 1 to Iron Age ১ম হরপ্পীয় থেকে লৌহযুগ
সংস্কৃতিসিন্ধু সভ্যতা

রংপুর (Rangpur) পশ্চিম ভারতের গুজরাতের সৌরাষ্ট্র উপদ্বীপের ভানালার কাছে একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। এটি খাম্বাৎ উপসাগর এবং কচ্ছ উপসাগরের মধ্যবর্তী প্রান্তে অবস্থিত। এটি সিন্ধু সভ্যতার সময়ের অন্তর্গত, এবং লোথালের বৃহত্তর প্রত্নস্থলের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত।[১] এটি রংপুর সংস্কৃতির (Rangpur culture) জন্য আদর্শ প্রত্নস্থল এবং সিন্ধু উপত্যকা সভ্যতার শেষ পর্যায়ের একটি আঞ্চলিক রূপ যা খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় সহস্রাব্দে গুজরাতে বিদ্যমান ছিল।

খনন[সম্পাদনা]

রংপুর ও সিন্ধু সভ্যতার অন্তিম দশার অন্যান্য প্রত্নস্থলের মানচিত্র

১৯৩১ সালে এম.এস.ভাটসের নেতৃত্বে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (এএসআই) ট্রেইল ডিগিং বা পর্যায়ক্রমিক খনন পরিচালনা করে। পরবর্তীতে ঘুরিয়ে (১৯৩৯), দীক্ষিত (১৯৪৭) এবং এস. আর. রাও (১৯৫৩-৫৬) এএসআই প্রকল্পের অধীনে প্রত্নস্থলটি খনন করেন।[২]

এস. আর. রাও ডেপোজিটগুলোকে (খনন করে যা পাওয়া গেল) চারটি পর্যায় অনুযায়ী ভাগ করেন, যার দ্বিতীয় পর্যায় ছিল হরপ্পীয় সংস্কৃতি, যার মধ্যে তিনটি উপ-পর্যায় ছিল। প্রথম পর্যায় ছিল মাইক্রোলিথিক ও মধ্য পুরাপ্রস্তরযুগীয় অবস্থা (রিভার সেকশন) যেখানে তীক্ষ্ণ সরঞ্জাম, চাছনি ও জ্যাসপার (মূল্যবান মণি বিশেষ) পাথরের ব্লেড বা ফলক পাওয়া গেছে। রাও এর দেয়া পর্যায়গুলো:

  • ১ম পর্যায় - মৃৎশিল্পের সাথে সম্পর্কহীন মাইক্রোলিথিস : ৩০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
  • ২য় পর্যায় - হরপ্পীয় : ২০০০ - ১৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
    • ২য় পর্যায় বি - শেষ হরপ্পীয় : ১৫০০ - ১১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
    • ২য় পর্যায় সি - হরপ্পার রূপান্তর পর্ব : ১১০০ - ১০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
  • ৩য় পর্যায় - লাস্ট্রাস রেড অয়ার পর্যায় : ১০০০ - ৮০০ খ্রিস্টপূর্ব। [২]

স্থাপত্য ও নগর পরিকল্পনা[সম্পাদনা]

রংপুরে নির্মাণ, সরঞ্জাম ও আসবাবপত্রের জন্য আকাসিয়া কাঠ (বাবলা) ব্যবহার করা হত।[৩]

প্রাপ্ত নিদর্শনগুলি[সম্পাদনা]

গুটিকাকৃত প্রান্ত এবং খাঁজযুক্ত কাঁধ সহ কালোলাল রঙ করা মৃৎশিল্প ও উচ্চ স্কন্ধ বা কাঁধ বিশিষ্ট ভাণ্ড বা বয়াম হল এখানকার প্রাপ্ত নিদর্শন।[৪] এখানে শঙ্খের শিল্পকর্মও পাওয়া গেছে।[৫] এখানকার অন্যান্য নিদর্শনগুলোর মধ্যে রয়েছে কুঠার, স্টিয়ালাইট ও কার্নেলিয়ানের গুটিকা এবং মৃত্তিকানির্মিত জিনিসপত্র।

চাষ[সম্পাদনা]

রংপুরে বিপুল পরিমাণ উদ্ভিদের দেহাবশেষ পাওয়া গেছে। বাজরা, [৬] চাল [৭] (২য় পর্যায় এ) এবং জনার (Period HI) পাওয়া গেছে। [৮]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. History of Ancient and Early Medieval India, by Upinder Singh
  2. "Excavations - Important - Gujarat"asi.nic.in। ২০০৭-১২-১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৬-২৫ 
  3. McIntosh, Jane.(2008) The Ancient Indus Valley : New Perspectives. ABC-CLIO. Page 140
  4. Archeological Surve of India Publication: Indian Archeology 1955-56. Page 70
  5. Singh, Upinder (২০০৮)। A history of ancient and early medieval India : from the Stone Age to the 12th century। Pearson Education। পৃষ্ঠা 164। আইএসবিএন 9788131711200 
  6. McIntosh, Jane.(2008) The Ancient Indus Valley : New Perspectives. ABC-CLIO. Page 112
  7. History of Ancient and Early Medieval India, by Upinder Singh
  8. Bridget and Raymond Allchin (1968) The Rise of Civilisaton in India and Pakistan. Page 245

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]