মুই থাই
মার্কিনযুক্তরাষ্ট্রের বিপরীতে থাইল্যান্ড, এম- ১ গ্র্যান্ড মুই থাই চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচ | |
| অন্য যে নামে পরিচিত | থাই বক্সিং, থাই কিকবক্সিং, থারশান্নিং |
| লক্ষ্য | আঘাত করা |
| উৎপত্তির দেশ | |
| মূল | মুই বোরান, ক্রাবি ক্রাবং |
| অলিম্পিক খেলা | না |
| দাপ্তরিক ওয়েবসাইট | http://wmcmuaythai.org http://ifmamuaythai.org |
মুই থাই থাইল্যান্ডের যুদ্ধ বিষয়ক খেলা যেটা অন্যান্য ইন্দো- চাইনীজ কিকবক্সিং এর মত যেমন কম্বোডিয়ার প্রাদাল সেরেয়, মালয়শিয়ার তময়, বার্মার লেথুই এবং লাওসের মুই লাও। [১][২][৩][৪] মুই বোরান থেকে উদ্ভূত, মুই থাই থাইল্যান্ডের জাতীয় খেলা। মুই সংস্কৃত মভ্য থেকে এসেছে যার অর্থ এক সাথে বাঁধা।মুই থাইকে ‘’’আটটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গের কৌশল’’’ অথবা ‘’’আটটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গের বিজ্ঞান’’’ বলা হয় কারণ এটি ঘুষি, লাথি, কনুই এবং হাঁটু ব্যবহার করে যেটি সংঘর্ষের লক্ষ্য বিপরীতে মুষ্টিযুদ্ধে দুইটি লক্ষ্য এবং অন্যান্য যুদ্ধ বিষয়ক খেলা যেমন কিকবক্সিং, সাভাতেতে চারটি লক্ষ্য।[৫] মুই থাই অনুশীলনকারিকে বলা হয় নাক মুই। পশ্চিমা অনুশীলনকারিদের মাঝে মধ্যে বলা হয় নাক মুই ফারাং, যার অর্থ বিদেশী বক্সার।[৬]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]উৎপত্তি
[সম্পাদনা]
hj

চাইনীজ এবং ভারতীয় মার্শাল আর্টকে ভিত্তি করে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় অনেক লম্বা সময় ধরে বিভিন্ন ধরনের কিকবক্সিং অনুশীলন হয়ে আসছে।[৭] অনুশীলনকারিরা একে হাজার বছরের পদাঙ্ক বলে দাবি করে।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑
"Fighting into the night"। Malaysia Star। ৬ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে [http://thestar.com.my/news/story.asp?
sec=lifefocus&file=/2010/6/19/lifefocus/6483023 মূল থেকে] আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১০।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|ইউআরএল=এর 38 নং অবস্থানে line feed character রয়েছে (সাহায্য);|ইউআরএল=মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ Colman, David (৯ জানুয়ারি ২০০৫)। "It's Hand-to-Hand for a Keeper of Faces"। New York Times। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১০।
- ↑ Fuller, Thomas (১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭)। "Sugar and Spice and a Vicious Right: Thai Boxing Discovers Its Feminine Side"। New York Times। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১০।
- ↑ Perry, Alex (১১ জুন ২০০১)। "Fighting for Their Lives"। Time। ৩০ অক্টোবর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১০।
- ↑ "Get fit the muay thai way"। Jakarta Post। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১০।
- ↑ "Fighting as a 'farang' for a fist full of Baht"। Telegraph। London। ২৪ জানুয়ারি ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১০।
- ↑ Donn F. Draeger and Robert W. Smith (১৯৮১)। Comprehensive Asian Fighting Arts। Kodansha International।