মাসুমদিয়া ইউনিয়ন

স্থানাঙ্ক: ২৩°৫২′৫৮″ উত্তর ৮৯°৩৭′৩৮″ পূর্ব / ২৩.৮৮২৭৮° উত্তর ৮৯.৬২৭২২° পূর্ব / 23.88278; 89.62722
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(মাশুমদিয়া ইউনিয়ন থেকে পুনর্নির্দেশিত)
মাসুমদিয়া
ইউনিয়ন
মাসুমদিয়া রাজশাহী বিভাগ-এ অবস্থিত
মাসুমদিয়া
মাসুমদিয়া
মাসুমদিয়া বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
মাসুমদিয়া
মাসুমদিয়া
বাংলাদেশে মাসুমদিয়া ইউনিয়নের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৫২′৫৮″ উত্তর ৮৯°৩৭′৩৮″ পূর্ব / ২৩.৮৮২৭৮° উত্তর ৮৯.৬২৭২২° পূর্ব / 23.88278; 89.62722 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশবাংলাদেশ
বিভাগরাজশাহী বিভাগ
জেলাপাবনা জেলা
উপজেলাবেড়া উপজেলা উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
গণতান্ত্রিকপাবনা ০২ আসন(সংসদীয় ৬৯ আসন)
সরকার
 • চেয়ারম্যানমো মিরোজ হোসেন
আয়তন
 • মোট২৮.৮৬ বর্গকিমি (১১.১৪ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১ আদমশুমারী অনুযায়ী)
 • মোট২১,১২৮
 • জনঘনত্ব৭৩০/বর্গকিমি (১,৯০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৭০%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৬৬৮২ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইটmasumdiaup.pabna.gov.bd
মানচিত্র

মাসুমদিয়া ইউনিয়ন বাংলাদেশের পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার একটি ইউনিয়ন।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মাসুমদিয়া ইউনিয়নের পূর্বতন নাম ছিল মাশুন্দিয়া। পরবর্তীতে মাসুমদিয়া নামকরণ করা হয়। ২০১৩ সালের ২০ শে অক্টোবর মাসুমদিয়া ইউনিয়ন আমিনপুর থানার অধীনে চলে যায়। [১]

অবস্থান[সম্পাদনা]

মাসুমদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণে ঢালারচর ইউনিয়ন, পশ্চিমে সাগরকান্দি,উত্তর-পূর্বে রুপপুর ইউনিয়ন অবস্থিত।

ইউনিয়ন পরিষদ[সম্পাদনা]

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

বেড়া উপজেলা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার এবং আমিনপুর থানা হতে ১০ কিলোমিটার সড়ক পথে এবং মাসুমদিয়া বাজার থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার পায়ে হেটে ইউনিয়নে আসা যায়।[২]

রাস্তা ঘাট[সম্পাদনা]

হাট বাজার[সম্পাদনা]

  • মাশুমদিয়া বাজার
  • ত্রিমোহনী বাজার
  • কাজিরহাট উল্লেখযোগ্য।

[২]

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

  • মাশুমদিয়া ইউনিয়নে কলেজ ১ টি।
  • উচ্চ বিদ্যালয় ৫ টি
  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৮ টি

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  • সিনথী পাঠশালা
  • বাদাই নদীর তীরবর্তী বেড়ী বাঁধ,
  • বালুন্দি-রাজধরদিয়া যমুনা তীরবর্তী বাঁধ,

এনজিও[সম্পাদনা]

আশা, ব্রাক, গ্রামীণ ব্যাংক, প্রতিশ্রুতি, অনন্যা, ব্যুরো বাংলাদেশ ছাড়াও বেশ কয়েকটি এনজিও রয়েছে।

ধর্ম ও ধর্মীয় উৎসব[সম্পাদনা]

প্রায় ৫০টির মতো মসজিদ ও প্রায় ২০টির মতো স্থায়ী ও অস্থায়ী মন্দির রয়েছে। এখানে মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠতার পাশাপাশি সনাতন ধর্মাবলম্বীর সংখ্যাও বেশ রয়েছে। প্রধান ধর্মীয় উৎসবের মধ্য মুসলিমদের জন্য ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা এবং সনাতনদের জন্য দূর্গা পূজা পালিত হয়।

খাদ্য[সম্পাদনা]

ভাত ও মাছ হলো প্রধান খাদ্য যার পাশাপাশি ডাল, শাক-সবজি, মাংস, রুটি,বিভিন্ন খাদ্যশস্য রয়েছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]