মার্সেডিস সোসা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মার্সেডিস সোসা
Mercedes Sosa, by Annemarie Heinrich.jpg
মার্সেডিস সোসা, অ্যানিমারি হেইনরিখের ছবি
প্রাথমিক তথ্য
জন্ম নামহাইদী মার্সেডিস সোসা
জন্ম(১৯৩৫-০৭-০৯)৯ জুলাই ১৯৩৫
স্যান মিগুয়েল ডি টুকুমান, টুকুমান, আর্জেন্টিনা
উদ্ভবআর্জেন্টিনা
মৃত্যু৪ অক্টোবর ২০০৯(2009-10-04) (বয়স ৭৪)
বুয়েনোস আইরেস, আর্জেন্টিনা
ধরনলোকসঙ্গীত, নুয়াভা কানসিওন
পেশাগায়ক, সক্রিয় কর্মী
কার্যকাল১৯৫০–২০০৯

হাইদী মার্সেডিস সোসা (স্পেনীয় উচ্চারণ: [meɾˈseðes ˈsosa]; ৯ই জুলাই ১৯৩৫[১] – ৪ঠা অক্টোবর ২০০৯), কখনও কখনও লা নেগ্রা নামেও পরিচিত (আক্ষরিক অর্থে:এক কালো মানুষ), ছিলেন আর্জেন্টিনার গায়িকা যিনি সমগ্র লাতিন আমেরিকা এবং ঐ অঞ্চলের বাইরের অনেক দেশ জুড়ে জনপ্রিয় ছিলেন। আর্জেন্টিনীয় লোকসঙ্গীতে তার শিকড় নিয়ে, সোসা নুয়াভা কানসিওনের এর অন্যতম প্রধান নজির হয়ে ওঠেন। তিনি লাতিন আমেরিকার অনেক গীতিকারের রচিত গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। তার সংগীতের জন্য মানুষ তাকে "কন্ঠহীনের কণ্ঠস্বর" নামে অভিহিত করেছিল।[২]

সোসা তার জীবনের শেষ দশকে নিউ ইয়র্ক সিটির লিংকন সেন্টার, প্যারিসের থিয়েটার মোগাডর এবং ভ্যাটিকান সিটির সিস্টীন চ্যাপেলের মত জায়গায় গান শুনিয়েছেন। এছাড়াও তিনি নিউইয়র্কের কার্নেগি হল এবং রোমান কোলোসিয়ামের মত জায়গায় পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠান করেছেন। তার গায়ক জীবন চার দশক ধরে বিস্তৃত। তিনি লোকসঙ্গীতের অ্যালবামের জন্য মরণোত্তর লাতিন গ্র্যামি পুরস্কার সহ বেশ কয়েকটি গ্র্যামি পুরস্কার এবং মনোনয়নের প্রাপক ছিলেন। তিনি ইউনিসেফের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

জীবন[সম্পাদনা]

১৯৩৫ সালের ৯ই জুলাই, উত্তর-পশ্চিম আর্জেন্টিনা প্রদেশের টুকুমান অঞ্চলের স্যান মিগুয়েল ডি টুকুমানএ মেস্তিজো বংশে সোসা জন্মগ্রহণ করেছিলেন।[৩] তার বাবা-মা ছিলেন পেরোনবাদী, যদিও তারা কখনও দলে নাম লেখাননি, এবং তিনি গ্লাডিস ওসোরিও নামে টুকুমান প্রদেশে পেরোনবাদী পার্টির গায়ক হিসাবে তার জীবন শুরু করেছিলেন।[৪] ১৯৫০ সালে, পনেরো বছর বয়সে, তিনি স্থানীয় একটি বেতার কেন্দ্র আয়োজিত একটি সংগীত প্রতিযোগিতা জেতেন এবং তার সঙ্গে দুই মাসের জন্য অনুষ্ঠান করার চুক্তি করা হয়।[৫] তিনি ১৯৫৯ সালে তার প্রথম অ্যালবাম লা ভোজ দে লা জাফরা রেকর্ড করেছিলেন।[৫] ১৯৬৫ সালে কসকুইন জাতীয় লোকসঙ্গীত উৎসবে, যখন তিনি শ্রোতাদের সাথে বসেছিলেন, তাকে মঞ্চে নিয়ে এসে দর্শকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়, এটি করেন তার সহযোগী লোকসঙ্গীত শিল্পী জর্জ ক্যাফরুন[৫][৬]

ফেলিক্স লুনা এবং এরিয়েল রামিরেজ (পিয়ানোতে) এর সাথে সোসা

সোসা এবং তার প্রথম স্বামী ম্যানুয়েল অস্কার ম্যাটাস (তাদের একটি পুত্র ছিল), ৬০-এর দশকের মাঝামাঝি নুয়াভা কানসিওন আন্দোলনের মূল হোতা ছিলেন (আর্জেন্টিনায় একে নুয়াভা কানসিওনেরো বলা হত)[৭] তার দ্বিতীয় রেকর্ডটি ছিল ক্যানসিওনেস কন ফান্ডামেন্টো, যা আর্জেন্টিনার লোক গানের সংগ্রহ।

১৯৬৭ সালে, সোসা দুর্দান্ত সাফল্যের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপ ভ্রমণ করেন। পরবর্তী বছরগুলিতে, তিনি সমগ্র লাতিন আমেরিকা থেকে সংগীতের উপাদান অন্তর্ভুক্ত করে পরিবেশন করেছেন এবং ব্যাপকভাবে রেকর্ড করেছেন।

১৯৭০ এর দশকের গোড়ার দিকে, সুরকার এরিয়েল রামিরেজ এবং গীতিকার ফেলিক্স লুনার সহযোগিতায় সোসা দুটি মননশীল অ্যালবাম প্রকাশ করেন: ক্যানটাটা সুদামেরিকানা এবং মুজেরেস আর্জেন্টিনাস (আর্জেন্টিনিয় মহিলা)। তিনি ১৯৭১ সালে চিলির একজন সুরকার ভায়োলেট প্যারা এর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রেকর্ড করেছিলেন। এর মধ্যে একটি গান হয়ে উঠেছিল সোসার পরিচায়ক গান, গ্রেসিয়াস লা লা ভিদা[৩][৮] ব্রাজিলের মিল্টন নাসিমেন্টো এবং কিউবার পাবলো মিলানিস এবং সিলভিও রডরিগোজ রচিত গানের জনপ্রিয়তাও তিনি বাড়িয়েছিলেন। [৩]

১৯৭২ সালে সোসা

১৯৭৬ সালে জর্জ ভিডেলার মিলিটারি জুন্টা ক্ষমতায় আসার পরে, আর্জেন্টিনার পরিবেশ ক্রমশ পীড়নকর হয়ে ওঠে। সোসা এবং তার পরিবার উভয়ের বিরুদ্ধে মৃত্যুর হুমকি আসে, কিন্তু বহু বছর ধরে তিনি দেশ ছাড়তে অস্বীকার করেছিলেন। ১৯৭৯ সালে লা প্লাটা এর একটি সঙ্গীতানুষ্ঠানে, অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া সকলের সাথে মঞ্চে সোসাকে অনুসন্ধান করে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।[৭] আন্তর্জাতিক শক্তির হস্তক্ষেপের পর তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।[৫] নিজের দেশে নিষিদ্ধ হবার পর, তিনি প্যারিস এবং তারপরে মাদ্রিদে চলে আসেন।[৫][৭]

১৯৮২ সালে,[৭] ফকল্যান্ডস যুদ্ধের ফলে সামরিক শাসনের পতনের কয়েক মাস আগে, ইউরোপের নির্বাসন থেকে সোসা আর্জেন্টিনায় ফিরে আসেন, এবং বুয়েনোস আইরেসের টিট্রো অপেরাতে একাধিক সঙ্গীতানুষ্ঠান করেন। সেখানে তিনি তার অনেক কনিষ্ঠ সহকর্মীকে আমন্ত্রণ জানান মঞ্চে এসে গান গাইবার জন্য। এই সঙ্গীতানুষ্ঠানের রেকর্ডিংয়ের একটি ডাবল অ্যালবাম তাৎক্ষণিক জনপ্রিয়তা লাভ করে। পরবর্তী বছরগুলিতে, সোসা আর্জেন্টিনায় ও বিদেশে তার অনুষ্ঠান চালিয়ে যান। নিউ ইয়র্কের লিংকন সেন্টার এবং প্যারিসের থিয়েটার মোগাডর এর মতো জায়গাগুলিতে তিনি অনুষ্ঠান করছেন। নব্বইয়ের দশকের বেশিরভাগ সময়ে স্বাস্থ্যের খুব খারাপ অবস্থায়, তিনি ১৯৯৮ সালে আর্জেন্টিনায় একটি প্রত্যাবর্তন অনুষ্ঠান করেছিলেন [৫] ১৯৯৪ সালে, তিনি ভ্যাটিকান সিটির সিস্টীন চ্যাপেলে অনুষ্ঠান করেন।[৩] ২০০২ সালে, তিনি নিউইয়র্কের কার্নেগি হল এবং একই বছরে রোমান কোলোসিয়ামের মত জায়গায় পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠান করেছেন।[৩]

১৯৭৩ সালে সোসা

পেরোনের সমর্থক সোসা, সারা জীবন বামপন্থী ভাবাদর্শকে অনুসরণকরে গেছেন। তিনি রাষ্ট্রপতি কার্লোস মেনেম এর বিরোধিতা করেছিলেন, যিনি ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছিলেন, এবং নেস্টর কার্শনার এর নির্বাচনকে সমর্থন করেছিলেন, যিনি ২০০৩ সালে রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন।[৯] সোসা লাতিন আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ানদের জন্য ইউনেস্কোর শুভেচ্ছা রাষ্ট্রদূত ছিলেন।[৭][১০]

চার দশক ধরে বিস্তৃত তার সংগীত জীবনে, তিনি লোকসংগীত, অপেরা, পপ, রকের বেশ কয়েকটি ঘরানা এবং প্রজন্ম জুড়ে শিল্পীদের সাথে কাজ করেছেন, যাঁদের মধ্যে আছেন মার্থা আরজেরিচ, আন্দ্রে বোসেলি, ডেভিড ব্রোজা, ফ্রাঙ্কো বাটিয়াটো, জেমি রুস, জোয়ান বাইজ, ফ্রান্সিস ক্যাব্রেল, গাল কস্তা, লুজ ক্যাসাল, লীলা ডাউনস, লুসিও ডাল্লা, মারিয়া ফারানটুরি, লুসিসিটা বেনিতেজ, নিল্ডা ফার্নান্ডেজ, চার্লি গার্সিয়া, লিয়ন গাইকো, জিয়ান মার্কো, নানা মৌসকৌরি, পাবলো মিলেনস, হোলি নিয়ার, মিল্টন ন্যাসিমেণ্টো, পাটা নেগ্রা, ফিটো পায়েজ, ফ্রাঙ্কো ডি ভিটা, লোর্ডস পেরেজ, লুসিয়ানো পাভারোটি, সিলভিও রডরিগেজ, ইসমাইল সেরানো, শাকিরা, স্টিং, সিটানো ভেলোসো,[৩] জুলিয়েতা ভেনেগাস এবং কনস্ট্যান্টিন ওয়েকার[৭]

সোসা ১৯৯৯ সালে এরিয়েল রামিরেজের মিসা ক্রিওলা প্রযোজনায় অংশ নিয়েছিলেন।[১১] তার বালদাররামা গানটি ২০০৮ সালে চে চলচিত্রে প্রদর্শিত হয়েছিল, সেখানে বেনিসিও দেল তোরো আর্জেন্টিনীয় মার্কসবাদী বিপ্লবী চে গেভারার চরিত্রে অভিনয় করছিলেন।[১২]

সোসা আর্থ চার্টার আন্তর্জাতিক কমিশনের প্রাক্তন সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

পুরস্কার[সম্পাদনা]

তিনি ২০০০ সালে ("মিসা ক্রিওলা"), ২০০৩ সালে ("অ্যাকাস্টিকো"), এবং ২০০৬ সালে ("কোরাজোঁ লিব্রে")র জন্য লাতিন গ্র্যামি পুরস্কার জিতেছিলেন, এর পাশাপাশি আরো অনেক আন্তর্জাতিক পুরস্কারও তিনি জিতেছিলেন। ১৯৯৫ সালে, আর্জেন্টিনার কোনেক্স ফাউন্ডেশন তাকে হীরক কোনেক্স পুরস্কার প্রদান করেছিল, যেটি আর্জেন্টিনার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। গত দশকে তার দেশের জনপ্রিয় সংগীতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসাবে তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল। তার অ্যালবাম ক্যান্টোরা ১ লাতিন গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস ২০০৯ এ দুটি পুরস্কার জেতে। তিনি সেরা লোকসঙ্গীত অ্যালবাম জিতেছিলেন এবং বছরের সেরা অ্যালবামের জন্য মনোনীত হন। অ্যালবামটি সেরা রেকর্ডিং প্যাকেজ পুরস্কারও পেয়েছিল।

মৃত্যু[সম্পাদনা]

মার্সেডিজ সোসা চির শয়ানেশায়িত, তাঁর পরিবার এবং রাষ্ট্রপতি ক্রিস্তিনা ফের্নান্দেস দে কির্শনার পাশে দাঁড়িয়ে

শেষ বছরগুলিতে বারবার অন্তঃস্রাব এবং শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগে, ৭৪ বছর বয়সী সোসা ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ এ বুয়েনোস আইরেসের একটি হাসপাতালে ভর্তি হন।[১৩] ২০০৯ সালের ৪ অক্টোবর, সকাল সোয়া পাঁচটায় নাগাদ একাধিক অঙ্গ অকৃতকার্যতা তিনি মারা যান।[৮] তার প্রথম বিবাহের পর জাত পুত্র ফাবিয়েন মাতুসকে রেখে তিনি মারা যান।[৫][১৪] সে বলেছিল: "তিনি তাঁর ৭৪ বছরের জীবন পরিপূর্ণভাবে কাটিয়েছেন। তিনি বাস্তবিকভাবে যা চান তার সবই করেছিলেন, তাঁর কোনও ধরণের বাধা বা কোনও ধরণের ভয় ছিল না যা তাঁকে সীমাবদ্ধ করে রাখবে".[১৪] হাসপাতাল তার পরিবারের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছিল।[১৫] তার ওয়েবসাইটে লেখা আছে: "তাঁর অবিসংবাদিত প্রতিভা, তাঁর সততা এবং তাঁর গভীর প্রত্যয় ভবিষ্যতের প্রজন্মের কাছে মহান উত্তরাধিকার রেখে গেছে"।[১৬]

জনগণঅকে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ দিতে বুয়েনোস আইরেসে জাতীয় কংগ্রেস ভবনে তার মরদেহ শায়িত রাখা হয়েছিল, এবং রাষ্ট্রপতি ফের্নান্দেস দে কির্শনার তিন দিনের জাতীয় শোকের নির্দেশ দিয়েছিলেন।[১৪][১৭] দিনের শেষে হাজার হাজার লোক সারি বেঁধে দাঁড়িয়েছিল।[১৬] ৫ অক্টোবর তার শেষকৃত্য শেষ হয়।[১৬][১৮]

দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ সোসার মৃত্যুর পর বলেছিল, তিনি "তাঁর স্বদেশী, আর্জেন্টিনার আতাহুয়ালপা ইউপানকুই, এবং চিলির ভায়োলেটা পারার কাজগুলির এক অনুপম ব্যাখ্যাকারী"।[৫] রয়টার্স এর হেলেন পপার বলেছিলেন যে তিনি "তাঁর কণ্ঠ দিয়ে দক্ষিণ আমেরিকার স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন এবং সমসাময়িক লাতিন আমেরিকার সংগীতের এক বিরাট মহীরূহ উঠে ছিলেন"।[১৮] ২০০৯ সালে সোসা তার অ্যালবামের জন্য তিনটি লাতিন গ্র্যামি মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তার মৃত্যুর প্রায় এক মাস পরে তার অ্যালবাম সেরা লোকসঙ্গীত অ্যালবামের পুরস্কার জিতেছিল।[৩][৭]

শ্রদ্ধা প্রদর্শন[সম্পাদনা]

২০১৯ সালে, গুগল ডুডল তার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে। ডুডলটি আর্জেন্টিনা, চিলি, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে, বলিভিয়া, পেরু, ইকুয়েডর, কিউবা, আইসল্যান্ড, সুইডেন, সার্বিয়া, গ্রিস, ইসরায়েল এবং ভিয়েতনামে প্রদর্শিত হয়েছিল।[১৯]

ডিস্কোগ্রাফি[সম্পাদনা]

২০০৫ সালে সোসা, আর্জেন্টিনার তৎকালীন প্রথম মহিলা (পরে ২০০৭ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি), ক্রিস্তিনা ফের্নান্দেস দে কির্শনার

তিনি চল্লিশটি অ্যালবাম রেকর্ড করেছিলেন।[৩][৭]

স্টুডিও অ্যালবাম[সম্পাদনা]

বছর বিশদে অ্যালবামগুলি
১৯৬২ লা ভোজ দে লা জাফরা
  • লেবেল: আরসিএ
১৯৬৫ ক্যানসিওনেস কন ফান্ডামেন্টো
  • লেবেল: এল গ্রিলো
১৯৬৬ হারমানো
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৬৬ ইয়ো ন ক্যান্টো পর ক্যান্টার
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৬৭ প্যারা ক্যান্টারেল এ মাই জেন্টে
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৬৮ কন সাবোর এ মার্সেডিস সোসা
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৬৯ মুজেরেস আর্জেন্টিনা
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৭০ এল গ্রিটো দে লা টিয়েরা
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৭০ নাভিদাদ কন মার্সেডিস সোসা
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৭১ হোমেনজে এ ভায়োলেট প্যারা
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৭২ হাস্তা লা ভিক্টোরিয়া
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৭২ ক্যানটাটা সুদামেরিকানা
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৭৩ ট্র্যাগো আন পুয়েব্লো এন মি ভজ
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৭৫ এ ক্যু ফ্লোরেজ্কা মি পুয়েবলো
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৭৬ এন ডাইরসিয়ন ডেল ভিয়েন্টো
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৭৭ মার্সিডিজ সোসা ইন্টারপ্রেটা এ আতাহুয়ালপা ইউপানকুই
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৭৯ সেরেনাটা পারা লা তিয়েরা দে উনো
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৮১ এ কুইয়েন ডয় / কুয়ান্দো মি অ্যাকুরডো ডি মি প্যাস
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৮২ কোমো আন পেজারো লিব্রে
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৮৩ মার্সেডিস সোসা
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৮৪ ¿সেরা পজিবল এল সুর?
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৮৫ ভেনগো এ অফ্রেসার মিঃ কোরাজন
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৮৬ মার্সেডিস সোসা '৮৬
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৮৭ মার্সেডিস সোসা '৬৭
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৯৩ সিনো
  • লেবেল: ফিলিপস/পলিগ্রাম
১৯৯৪ গেষ্টোস দে আমোর
  • লেবেল: পলিডর
১৯৯৬ এস্কোনিডো এন মি প্যাস
  • লেবেল: পলিডর
১৯৯৭ আলতা ফিদেলিদাড (চার্লি গার্সিয়ার সঙ্গে)
  • লেবেল: মার্কারি
১৯৯৮ আল ডেস্পার্টার
  • লেবেল: মার্কারি
১৯৯৯ মিসা ক্রিওলা
  • লেবেল: মার্কারি
২০০৫ কোরাজন লিব্রে
  • লেবেল: এজ
২০০৯ ক্যান্টোরা ১ (বিভিন্ন শিল্পীর সঙ্গে)
  • লেবেল: আরসিএ
২০০৯ ক্যান্টোরা ২ (বিভিন্ন শিল্পীর সঙ্গে)
  • লেবেল: আরসিএ
২০১১ সেনসুরাডা
  • লেবেল: ফিলিপস
২০১৫ লুসেরিটো
  • লেবেল: আরসিএ

ইপি রেকর্ডগুলি[সম্পাদনা]

বছর বিশদে ইপি রেকর্ডগুলি
১৯৭৫ নিনো দে মানানা
  • লেবেল: ফিলিপস

সরাসরি গানের অ্যালবামগুলি[সম্পাদনা]

বছর বিশদে অ্যালবামগুলি
১৯৭৩ সি সে কালা এল ক্যান্টর (গ্লোরিয়া মার্টিনের সাথে)
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৮০ গ্রাভাডো এও ভিভো ন ব্রাসিল
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৮২ মার্সেডিস সোসা এন আর্জেন্টিনা
  • লেবেল: ফোনোগ্রাম/ফিলিপস
১৯৮৫ কোরাজন আমেরিকানো (মিল্টন ন্যাসিমেন্টো এবং লিয়ন গাইকোর সঙ্গে)
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৮৯ লাইভ ইন ইউরোপ
  • লেবেল: ট্রপিকাল মিউজিক/পলিগ্রাম আর্জেন্টিনা
১৯৯১ দে মি
  • লেবেল: ফিলিপস
২০০২ অ্যাকুস্টিকো এন ভিভো
  • লেবেল: সোনি মিউজিক আর্জেন্টিনা
২০০৩ আর্জেন্টিনা কয়ার ক্যান্টার (ভিক্টর হেরেদিয়া এবং লেন গাইকোর সাথে)
  • লেবেল: ওডিওন/ইএমআই
২০১০ দেজা লা ভিদা ভোলার (এন গিরা)
  • লেবেল: আরসিএ
২০১৪ অ্যাঞ্জেল
  • লেবেল: ইউনিভার্সাল মিউজিক

সংকলিত অ্যালবাম[সম্পাদনা]

বছর বিশদে অ্যালবামগুলি
১৯৭৫ ডিস্কো ডি ওরো
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৮৩ রিসাইটাল
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৮৮ অ্যামিগো মিও
  • লেবেল: ফিলিপস
১৯৯৩ ৩০ অ্যানস
  • লেবেল: পলিগ্রাম আর্জেন্টিনা
১৯৯৫ ওরো
  • লেবেল: পলিগ্রাম
১৯৯৭ মার্সেডিস সোসার সেরা
  • লেবেল: মার্কারি
২০১৩ সিম্প্রে এন টি
  • লেবেল: ইউনিভার্সাল মিউজিক

চলচ্চিত্রের তালিকা[সম্পাদনা]

  • গেমস, লা টায়েরা এন আর্মাস (১৯৭১)
  • আর্জেন্টিনিসিমিয়া (১৯৭২)
  • এস্তা এস মি আর্জেন্টিনা (১৯৭৪)
  • মার্সেডিজ সোসা, কমো আন প্যাজারো লিব্রে (১৯৮৩)
  • সেরা পসিবল এল সুর: মার্সেডিস সোসা (১৯৮৫)
  • হিস্টোরিয়াস ডি আর্জেন্টিনা এন ভিভো (২০০১)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Mercedes Sosa at BrainyHistory.com
  2. "Singer Mercedes Sosa: The voice of the 'voiceless ones' outlasts South American dictatorships" 
  3. "Legendary folk singer Mercedes Sosa dies at 74"France 24। ২০০৯-১০-০৪। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-১০-০৫ 
  4. Mercedes Sosa: The Voice of Latin America. Dir. Rodrigo H. Villa. First Run Features, 2013. Web.
  5. "Mercedes Sosa: Obituary"The Daily Telegraph। ২০০৯-১০-০৪। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-১০-০৫ 
  6. ইউটিউবে The presentation by Jorge Cafrune and the song Mercedes Sosa sang. Retrieved 3 March 2010.
  7. "Latin artist Mercedes Sosa dies"BBC। ২০০৯-১০-০৪। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-১০-০৫ 
  8. Associated Press[অকার্যকর সংযোগ]
  9. Interview with Mercedes Sosa ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৬ অক্টোবর ২০০৯ তারিখে, Magazin Berliner Zeitung, 25 October 2003. (জার্মান)
  10. "Mercedes Sosa in concert"। ২০০৮-০১-০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-১৮ 
  11. "In Profile: Mercedes Sosa"soundsandcolours.com। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০১৮ 
  12. ইউটিউবে Balderrama by Mercedes Sosa – a tribute to Che Guevara
  13. ""En ningún momento sufrió", dijo el hijo de Mercedes Sosa" 
  14. Javier Doberti (২০০৯-১০-০৪)। "Argentine singer Mercedes Sosa, 'voice of Latin America,' dies at 74"CNN। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-১০-০৫ 
  15. "Argentine folk legend Mercedes Sosa dead at 74"Bangkok Post। ২০০৯-১০-০৪। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-১০-০৫ 
  16. "Argentine folk icon Sosa dies at 74"Al Jazeera। ২০০৯-১০-০৪। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-১০-০৫ 
  17. "Continúa la procesión en el Congreso para despedir a Mercedes Sosa" 
  18. Helen Popper (২০০৯-১০-০৪)। "Argentine singer Mercedes Sosa dies at 74"Reuters। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-১০-০৫ 
  19. "Celebrating Mercedes Sosa"Doodles Archive, Google। ৩১ জানুয়ারি ২০১৯। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]