মহন্ত স্বামী মহারাজ
মহন্ত স্বামী মহারাজ | |
|---|---|
মহন্ত স্বামী মহারাজ | |
| ব্যক্তিগত তথ্য | |
| জন্ম | ভিনু প্যাটেল ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৩৩ |
| ধর্ম | হিন্দু |
| জাতীয়তা | ভারতীয় |
| ঊর্ধ্বতন পদ | |
| গুরু | |
| ওয়েবসাইট | www |
| সম্মান | প্রমুখ স্বামী মহারাজের আধ্যাত্মিক উত্তরসূরি |
মহন্ত স্বামী মহারাজ (জন্ম: ভিনু প্যাটেল, ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৩৩;[৩] কেশবজীবনদাস স্বামী নামেও পরিচিত ) হলেন একজন গুরু এবং হিন্দু স্বামীনারায়ণ সম্প্রদায়ের একটি প্রধান শাখা বিএপিএস-এর সভাপতি।[৪][৫][৬] গুণাতীতানন্দ স্বামী, ভগতজি মহারাজ, শাস্ত্রীজি মহারাজ, যোগীজি মহারাজ এবং প্রমুখ স্বামী মহারাজের পর বিএপিএস তাঁকে স্বামীনারায়ণের ষষ্ঠ আধ্যাত্মিক উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করে।[৭][৮][৯]:৬০–২ তাঁর অনুগামীরা বিশ্বাস করেন যে, তার স্বামীনারায়ণের সঙ্গে অবিচ্ছিন্নভাবে যোগাযোগে রয়েছেন এবং সত্তাতাত্ত্বিকভাবে ঈশ্বরের নিখুঁত ভক্ত অক্ষরের প্রকাশ।[১০]:৪৬–৭
১৯৬১ সালে তিনি যোগীজি মহারাজের কাছ থেকে হিন্দু স্বামী হিসেবে দীক্ষা গ্রহণ করেন [১১][১২] ২০১২ সালে প্রমুখ স্বামী মহারাজ মহন্ত স্বামী মহারাজকে তাঁর ভবিষ্যত আধ্যাত্মিক এবং প্রশাসনিক উত্তরসূরি হিসাবে প্রকাশ করেছিলেন।[১৩] তিনি ২০১৬ সালে আগস্টে প্রমুখ স্বামী মহারাজের মৃত্যুর পর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।[১৪][১৫]
প্রাথমিক জীবন
[সম্পাদনা]শৈশব ও শিক্ষা
[সম্পাদনা]১৯৩৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুর শহরে ভিনুভাই প্যাটেল জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা - মা মণিভাই নারনভাই প্যাটেল এবং দাহীবেন প্যাটেল।[৩][১৬] তাঁরা দুজনেই শাস্ত্রীজি মহারাজ এবং অক্ষর পুরুষোত্তম উপাসনার অনুসারী ছিলেন। জন্মের কয়েক দিন পর শাস্ত্রীজি মহারাজ নবজাতকের সঙ্গে দেখা করেন এবং শিশুটির নাম রাখেন কেশব এবং তাঁর পরিবার তাঁকে তাঁর ডাকনাম 'বিনু' বলে ডাকত।
ভিনু প্যাটেল স্থানীয় শহরের একটি ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। তারপর ক্রাইস্ট চার্চ বয়েজ সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণি শেষ করেন। এরপর তিনি তাঁর পিতার জন্মস্থান গুজরাটের আনন্দ শহরে কৃষি কলেজে পড়াশোনা করেন এবং কৃষিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।[১১][১৪]
সন্ন্যাসীর অনুপ্রেরণা
[সম্পাদনা]তাঁর কলেজের বছরগুলিতে (১৯৫১ - ১৯৫২) বীরু প্যাটেল প্রথম শাস্ত্রীজি মহারাজের আধ্যাত্মিক উত্তরসূরি যোগীজি মহারাজের সাথে দেখা করেন । যোগীজি মহারাজের জীবন ও শিক্ষায় মুগ্ধ হয়ে বিনু তাঁর গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে যোগীজি মহারাজর সঙ্গে ভ্রমণ করেছিলেন। তিনি পরবর্তী কয়েক বছরের মধ্যে সন্ন্যাস জীবনে প্রবেশ করতে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।[৩][১১]
স্বামী হিসাবে প্রাথমিক বছরগুলি
[সম্পাদনা]
১৮৫৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ২৩ বছর বয়সে তিনি নবাগত দীক্ষা গ্রহণ করেন।[৩] এবং তার নাম পরিবর্তন করে বিনু ভগত রাখা হয়। প্রাথমিক প্রশিক্ষণের পর্যায়ে তিনি যোগীজি মহারাজের সঙ্গে তাঁর ভ্রমণে ভক্তদের সঙ্গে তাঁর প্রতিদিনের চিঠিপত্রের দেখাশোনা করতেন। ১৯৬১ সালের ১১ই মে ২৮ বছর বয়সে, বিনু ভগতকে গড়দায় স্বামী হিসাবে দীক্ষিত হন এবং কেশবজীবনদাস স্বামী নামে অভিহিত হন ।[৩] সেদিন সন্ন্যাসে দীক্ষা নেওয়া ৫১জন যুবকের[১৩] দলকে প্রাথমিকভাবে মুম্বাইয়ে সংস্কৃত অধ্যয়নের জন্য নিযুক্ত করা হয়েছিল এবং স্বামী কেশবজিভাণ্ডাসকে তাদের দল প্রধান বা দাদর মুম্বাইয়ের মন্দিরে মহান্ত হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। এভাবে তিনি বিএপিএস জুড়ে মহান্ত স্বামী হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।[৩][১১]
প্রমুখ স্বামী মহারাজের অধীনে সেবা
[সম্পাদনা]তিনি ১৯৫১ সালে প্রমুখ স্বামী মহারাজের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁর সঙ্গে ব্যাপক ভ্রমণ করেন। ১৯৭১ সালে গুরু যোগীজি মহারাজের মৃত্যুর পর, মহান্ত স্বামী মহারাজ প্রমুখ স্বামী মহারাজের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর তপস্যা, আত্মনিয়ন্ত্রণ ভক্তি, নম্রতা ও সেবা তাঁকে যোগীজি মহারাজ এবং প্রমুখ স্বামী মহারাজের আশীর্বাদ ও আনন্দ এনে দিয়েছিল। ১৯৭১ সালে যোগীজি মহারাজের মৃত্যুর পর তিনি গুরু যোগীজি মহারাজর মতো নতুন গুরু প্রমুখ স্বামী মহারাজের কাছে নিজেকে উৎসর্গ করেন।
১৯৫১ সালে যখন তিনি প্রথম প্রমুখ স্বামী মহারাজের সঙ্গে দেখা করেন, তখন তাঁর সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ১৯৭১ সাল থেকে প্রমুখ স্বামী মহারাজের ইচ্ছা ও নির্দেশে তিনি অগণিত ভক্তদের সৎসঙ্গে অনুপ্রাণিত ও শক্তিশালী করার জন্য ভারত ও বিদেশ ভ্রমণ করেছেন। তিনি বিএপিএস -এর বড় উৎসবের সময় শিশু ও যুব ক্রিয়াকলাপ, অক্ষরধাম প্রকল্প এবং অন্যান্য সৎসঙ্গ কার্যক্রমে তার পরিষেবা প্রদান করেছেন।[১৭]
বিএপিএস এর নেতা হিসেবে
[সম্পাদনা]সভাপতিত্ব
[সম্পাদনা]প্রমুখ স্বামী মহারাজ জানতেন যে মহন্ত স্বামী যখন ১৯৫৭ সালে দীক্ষা গ্রহণ করেন তখন তাঁর উত্তরসূরি হবেন।[১৮] ২০২০ সালের ২০ জুলাই আহমেদাবাদে প্রবীণ স্বামীদের উপস্থিতিতে প্রমুখ স্বামী মহারাজ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছিলেন যে, তাঁর মৃত্যুর পর মহান্ত স্বামী মহারাজ তাঁর আধ্যাত্মিক উত্তরসূরি হবেন এবং এই বিষয়ে নিজের হাতে একটি চিঠি লিখেছিলেন। ২০১৬ সালের ১৩ই আগস্টে তিনি স্বামীনারায়ণের গুণাতীত গুরুদের বংশের ষষ্ঠ আধ্যাত্মিক উত্তরসূরি হন।[১৫] ২০২০ সালে তিনি সৎসঙ্গ দীক্ষা নামে একটি বই লিখেছিলেন। সেখানে তিনি এমন একটি পথ বর্ণনা করেছেন, যা তার অনুসারীদের মোক্ষ দেবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।[১৯]
সম্মাননা
[সম্পাদনা]২০১৭ সালে তাকে টরন্টো, কানাডা, লিলবার্ন, জর্জিয়া, ইরভিং, টেক্সাস ও ইলিনয় সহ বিভিন্ন শহরের মেয়ররা সম্মান প্রদান করেন।
বিএপিএস - এ তাৎপর্য
[সম্পাদনা]বিএপিএস - এর অনুগামীদের বলা হয় যে তিনি হলেন অক্ষরের সত্তাতত্ত্বীয় প্রকাশ, ঈশ্বরের চিরস্থায়ী আবাসের রূপ।[২০]:১৯১–২০০ বলা হয়, তিনি ঈশ্বরের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগে ছিলেন । ভক্তদের দ্বারা তাঁকে " ঈশ্বরের নিখুঁত সেবক " হিসাবে বিবেচনা করা উচিত সম্পূর্ণরূপে ঈশ্বর দ্বারা পূর্ণ এবং তাই শ্রদ্ধা ও উপাসনার যোগ্য।"[২১]:87-95
ধর্মতাত্ত্বিক ভূমিকা
[সম্পাদনা]
বিএপিএস অনুগামীদের কাছে, জীবিত গুরুকে আদর্শ স্বামী, নিখুঁত ভক্ত এবং আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষীদের অনুকরণের প্রধান উদাহরণ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। অনুসারীদের কাছে তাঁকে ধর্মগ্রন্থের মূর্ত প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করা হয়।[২১]:94 তাঁকে পূর্ণরূপে ব্রাহ্মণীকৃত বা আধ্যাত্মিক বিকাশের চূড়ান্ত স্তর অর্জনকারী হিসাবে দেখা হয়।
ভক্তদের তাঁকে ধর্মের সমস্ত আদর্শের উদাহরণ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। তাঁকে ধর্মের প্রচারে সবচেয়ে সক্রিয় - শাস্ত্রের অর্থের সেরা ব্যাখ্যাকারী এবং মানুষকে ঈশ্বর থেকে পৃথক করে এমন অজ্ঞতা দূরীকরণে সবচেয়ে কার্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়।[২২] তাই তাঁর আচরণকে আদর্শ সাধক এবং নিখুঁত ভক্ত হিসাবে বিবেচনা করা হয়, যা আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষীদের অনুসরণ করার জন্য একটি বাস্তব এবং বোধগম্য উদাহরণ প্রদান করে।[২৩]
বলা হয়ে থাকে ভক্তরা তার সাথে সাক্ষাৎ করার মাধ্যমে নিজেদের কুপ্রভাব ও জাগতিক আসক্তি থেকে নিজেদেরকে মুক্ত করতে পারে। গুরু ভক্তদের অনুগ্রহ অর্জন করা হল বিশ্বাস করা যা তাদের মুক্তি অর্জনে সক্ষম করে যাতে তারা জন্ম ও মৃত্যুর চক্র থেকে রক্ষা পায় এবং অক্ষরধাম (ঈশ্বরের ঐশ্বরিক বাসস্থান) অর্জন করে।[২২]
বাপস ভক্তদের কাছে তাঁকে ঈশ্বরের সঙ্গে অপরিহার্য আধ্যাত্মিক যোগসূত্র হিসাবে বিবেচনা করা হয়। স্বামীনারায়ণের শিক্ষা অনুসারে অক্ষর - পুরুষোত্তম দর্শনের ভক্তরা ভগবানকে পৃথিবীতে অক্ষরের বর্তমান রূপ হিসাবে বিবেচনা করেন।[২০]:১৯১–২০০ এইভাবে বি. এ. পি. এস - এর অনুগামীদের বিশ্বাস করতে হয় যে গুরুর (অক্ষরের রূপ) প্রতি ভক্তি নিবেদন করে তারা স্বয়ং স্বামীনারায়ণকে তা প্রদান করে।[২৪]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Interviews"। ৩১ মে ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২৩।
- ↑ "Mahant Swami Maharaj"। ১৩ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২৩।
- 1 2 3 4 5 6 "Mahant Swami formally installed as new head of BAPS, here is his first speech"। DeshGujarat news from Gujarat। ১৪ আগস্ট ২০১৬। ১৭ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৬।
- ↑ Mamtora, Bhakti (৫ নভেম্বর ২০১৮)। Jacobsen, Knut A.; Basu, Helene (সম্পাদকগণ)। "BAPS: Pramukh Swami"। Brill’s Encyclopedia of Hinduism Online। ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
- ↑ Patel, Aarti (ডিসেম্বর ২০১৮)। "Secular Conflict": ৫৫–৭২।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Gadhia, Smit (১ এপ্রিল ২০১৬), "Akshara and Its Four Forms in Swaminarayan's Doctrine", Swaminarayan Hinduism, Oxford University Press, পৃ. ১৫৬–১৭১, ডিওআই:10.1093/acprof:oso/9780199463749.003.0010, আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৯৪৬৩৭৪-৯
- ↑ DeshGujarat (১৩ আগস্ট ২০১৬)। "Mahant Swami Maharaj Sadhu Keshavjivandas succeeds Pramukh Swami as Guru and President of BAPS"। DeshGujarat (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২৩।
- ↑ "Pramukh Swami Maharaj, Hindu guru and Neasden Temple founder – obituary"। The Telegraph। ১৭ আগস্ট ২০১৬। ১৯ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০১৬।
- ↑ Williams, Raymond Brady (৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। An Introduction to Swaminarayan Hinduism। Cambridge University Press। ডিওআই:10.1017/9781108332989। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১০৮-৩৩২৯৮-৯। এস২সিআইডি 145147532।
- ↑ "Hinduism Today October/November/December 2019 Page 50"। bluetoad.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৬ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২৩।
- 1 2 3 4 "His Holiness Mahant Swami Maharaj" (পিডিএফ)। BAPS.org। BAPS Swaminarayan Sanstha। ১৩ আগস্ট ২০১৬। ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০১৬।
- ↑ Ludwig Brent, Peter (১৯৭৩)। Godmen of India। Penguin Books Ltd.। পৃ. ১২। আইএসবিএন ৯৭৮০১৪০০৩৪৬০৮।
- 1 2 "HH Mahant Swami Sadhu Keshavjivandas to be spiritual successor of HH Pramukh Swami Maharaj"। www.gg2.net। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৬।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- 1 2 "Mahant Swami Maharaj Sadhu Keshavjivandas succeeds Pramukh Swami as guru and president of BAPS"। DeshGujarat News from Gujarat। ১৩ আগস্ট ২০১৬। ১৯ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০১৬।
- 1 2 "Final darshan and rites of Pramukh Swami Maharaj"। BAPS Swaminarayan Sanstha। ১৬ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০১৬।
- ↑ "Mahant Swami takes charge"। www.easterneye.eu। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০১৬।
- ↑ "About Mahant Swami Maharaj on BAPS website"। ১৩ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২৩।
- ↑ Williams, Raymond Brady (সেপ্টেম্বর–অক্টোবর ২০১৬)। "A remarkable religious leader"। Swaminarayan Bliss। ৩৯ (5): ১১৭।
- ↑ "Satsang Diksha"। BAPS (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৭ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০২০।
- 1 2 Paramtattvadas, Sadhu (১৭ আগস্ট ২০১৭)। An introduction to Swaminarayan Hindu theology। Cambridge, United Kingdom। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১০৭-১৫৮৬৭-২। ওসিএলসি 964861190।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থানে প্রকাশক অনুপস্থিত (লিঙ্ক) - 1 2 Williams, Raymond Brady (২০০১)। An introduction to Swaminarayan Hinduism। Cambridge University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-৬৫৪২২-৭।
- 1 2 Williams, Raymond Brady (১৯৮৫)। Waghorne, Joanne Punzo; Cutler, Norman; Narayanan, Vasudha (সম্পাদকগণ)। The holy man as the abode of God in the Swaminarayan religion। Chambersburg, Pennsylvania: Anima। পৃ. ১৫৩। আইএসবিএন ০৮৯০১২০৩৭৪। ওসিএলসি 11113082।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|কর্ম=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ Kim, Hanna (২০০১)। Being Swaminarayan: the ontology and significance of belief in the construction of a Gujarati diaspora (PhD thesis) – Columbia University এর মাধ্যমে।
- ↑ Brian Hutchinson (1998) The guru-devotee relationship in the experience of the members of the Akshar-Purushottam Swaminarayan Sanstha.