ব্রতচারিণী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ব্রতচারিণী
পরিচালককমল গাঙ্গুলী
প্রযোজকএমকেজি প্রোডাকশনস প্রাইভেট লিমিটেড
কাহিনিকারপ্রভাবতী দেবী সরস্বতী
শ্রেষ্ঠাংশেউত্তম কুমার
সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়
সন্ধ্যা রানী
সুরকারকমল দাসগুপ্ত
মুক্তি১৯৫৪
দেশভারত
ভাষাবাংলা

ব্রতচারিণী হল একটি জনপ্রিয় বাংলা চলচ্চিত্র যা পরিচালনা করেন কমল গাঙ্গুলী। এই চলচ্চিত্রটি ১৯৫৪ সালে এমকেজি প্রোডাকশনস প্রাইভেট লিমিটেড ব্যানারে মুক্তি পেয়েছিল এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন কমল দাসগুপ্ত[১] এই চলচ্চিত্রটির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, উত্তম কুমার, সন্ধ্যা রানী, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসিতবরণ মুখোপাধ্যায়[২][৩]


কাহিনী[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্রটির মূল চরিত্র সীতা (সন্ধ্যা রানী) জমিদার বাড়িতে থাকেন। অহিন্দ্র চৌধুরী হলেন জমিদার, তাঁর বড় ছেলের স্ত্রী মলিনা দেবী, এবং তাঁদের পুত্র জ্যোতির্ময়। সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় হল জ্যোতির্ময় এর খুড়তুত বোন। অহীন্দ্র চৌধুরী সীতার বাবাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তাঁর বড় ছেলের পুত্রের স্ত্রী হবেন সীতা কিন্তু জ্যোতির্ময় অনুভাকে ভালবাসে। সে তার ঠাকুরদাকে অস্বীকার করে অনুভাকে বিয়ে করে। ফলস্বরূপ অহিন্দ্র তার নাতিকে তার সমস্ত সম্পদ থেকে বঞ্চিত করে। মলিনা দেবী খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। সাবিত্রী ও তার মা বাড়িতে আসে। ইনা এবং জ্যোতির্ময় খুব বন্ধুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে তবে সাবিত্রীর মা সীতার প্রতি খুব ইর্ষা করেন। একদিন বাড়িতে একটি পুজোর সময় সে সীতার সাথে সমস্যা তৈরি করে, মলিনা দেবী এখানে আসে এবং তার অসুস্থতা আরও বেড়ে যায় এবং তিনি মারা যান। এর পরে অহীন্দ্র চৌধুরী সীতার কাছে তাঁর পুরো সম্পত্তি দান করেন। সাবিত্রীর মা এক মাতালের সাথে বিয়ে দেবার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু জ্যোতির্ময় এই বিয়ের সম্পূর্ণ বিরোধী। তিনি তার বোনের বিয়ে দেওয়ার জন্য অর্থের ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নেন। তা করতে না পেরে তিনি সীতার কাছে সাহায্যের জন্য লেখেন। তাঁর নাতনী এক মাতালদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তা জানতে পেরে অহিন্দ্র চৌধুরী হতবাক হয়ে মারা যান। জ্যোতির্ময় এই সময়ে বাড়িতে আসেন এবং তিনি নিজেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। সীতা তাকে সুস্থ করে তোলার চেষ্ঠা করল। একবার সে সুস্থ হয়ে উঠলে সে সমস্ত সম্পদ তার কাছে রেখে যেতে চায়। কিন্তু জ্যোতির্ময় এই সম্পত্তি অস্বীকার করে এবং তাকে ফিরে যেতে বলে এবং এটির যত্ন নিতে বলে।

শ্রেষ্ঠাংশে[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Brotocharini DVD (1954)"www.induna.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-১৫ 
  2. "Bratacharini on Moviebuff.com"Moviebuff.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-১৫ 
  3. "Bratacharini (1955) - Review, Star Cast, News, Photos"Cinestaan। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]