বিষয়বস্তুতে চলুন

অনুভা গুপ্ত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অনুভা গুপ্ত
জন্ম
মৃদুলা গুপ্ত

(১৯২৯-১২-২৭)২৭ ডিসেম্বর ১৯২৯[]
মৃত্যু১৪ জানুয়ারি ১৯৭২(1972-01-14) (বয়স ৪২)[]
কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত[]
শিক্ষাপ্যারি চরণ গার্লস স্কুল Shantiniketan
পেশা
  • অভিনেত্রী
  • সঙ্গীতশিল্পী
কর্মজীবন১৯৪৪-১৯৭২
দাম্পত্য সঙ্গীরবি ঘোষ

অনুভা গুপ্ত (২৭ ডিসেম্বর ১৯২৯ - ১৪ জানুয়ারি ১৯৭২) ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী। তিনি বাংলা চলচ্চিত্রে তার কাজের জন্য পরিচিত। তিনি হাঁসুলী বাঁকের উপকথা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ২৬তম বার্ষিক বিএফজেএ পুরস্কার লাভ করেন।[]

জীবনের প্রথমার্ধ

[সম্পাদনা]

অনুভা গুপ্ত ১৯৩০ সালে ব্রিটিশ ভারতের দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই তার নাচ ও সংগীতের প্রতি আগ্রহ ছিল। তিনি প্যারি চরণ বালিকা বিদ্যালয় এবং শান্তিনিকেতনে পড়াশোনা করেছিলেন।

কর্মজীবন

[সম্পাদনা]

সংগীত পরিচালক রবীন চট্টোপাধ্যায় তাকে চলচ্চিত্রের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন, অনুভা গুপ্ত বাংলা চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক গায়িকা হিসাবে যোগদান করেন। অভিনেত্রী হিসাবে তার প্রথম চলচ্চিত্র ছিল সমর্পণ যা ১৯৪৯ সালে মুক্তি পায়। তিনি রূপালি পর্দার সমান্তরালে দাপটের সঙ্গে থিয়েটারে অভিনয় করেছিলেন। কবি, রত্নদীপ, চাঁপাডাঙ্গার বউ, হাঁসুলি বাঁকের উপকথা চলচ্চিত্রে তার অভিনয় তাকে একজন প্রতিষ্ঠিত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বানায় এবং তিনি পাঁচ বছরের মধ্যেই তিনি শীর্ষ বাঙালি অভিনেত্রীদের একজন হিসেবে জায়গা করে নেন। [] তিনি অভিযানকাঞ্চনজঙ্ঘা চলচ্চিত্রে সত্যজিৎ রায়ের সাথেও কাজ করেছিলেন। [] গুপ্ত প্রথমে ফুটবলার অনিল দেকে বিবাহ করেন। তার দ্বিতীয় বিবাহ হয়েছিল প্রখ্যাত অভিনেতা রবি ঘোষের সাথে।[][]

চলচ্চিত্রের তালিকা

[সম্পাদনা]

পুরস্কার

[সম্পাদনা]
বছর পুরস্কার বিভাগ মনোনীত কর্ম ফলাফল সূত্র.
১৯৬৩ ২৬তম বাংলা চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি পুরস্কার শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী হাঁসুলী বাঁকের উপকথা বিজয়ী []

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "মোহনবাগানের গ্যালারির মেয়ে অভিনেত্রী অনুভা গুপ্ত"anandabazar.com। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২৪
  2. 1 2 "Kalyani" (ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ মার্চ ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০১৮
  3. 1 2 "26th Annual BFJA Awards"। বাংলা চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি পুরস্কার। ৮ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২৪
  4. Marie Seton (২০০৩)। Portrait of a Director: Satyajit Ray (ইংরেজি ভাষায়)। Penguin Books India। পৃ. ২০৯–। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৪-৩০২৯৭২-৪
  5. "Rabi Ghose was extremely simple"The Times of India (ইংরেজি ভাষায়)। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০১৮
  6. Bijoya Ray (২০১২)। Manik and I: My Life with Satyajit Ray (ইংরেজি ভাষায়)। Penguin Books Limited। পৃ. ৭১১। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৮৪৭৫-৭৫০-৭

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]