ব্যবহারকারী:Muhammad WAHID/খেলাঘর

স্থানাঙ্ক: ৩৪°০৩′১৯.১″ উত্তর ৪°৫৯′২৩.৯″ পশ্চিম / ৩৪.০৫৫৩০৬° উত্তর ৪.৯৮৯৯৭২° পশ্চিম / 34.055306; -4.989972
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আলিফ
ফিনিশীয়আলিফ
হিব্রু
א
আরামাইকআলিফ
সিরীয়
ܐ
আরবি
ا
ধ্বনিমূলক প্রতীকʔ, a
বর্ণমালায় অবস্থান
সংখ্যাগত মান
Alphabetic derivatives of the Phoenician
গ্রিকΑ
লাতিনA,
সিরিলীয়А, Я, Ѣ
আল-হামরা মসজিদ
الجامع الاحمر (আরবি)
ⵎⴻⵣⴳⵉⴷⴰ ⴰⵣⴻⴳⴰⴴ (বার্বার)
Hamra mosque in Fes Jdid.jpg
আল-হামরা মসজিদের মিনার
ধর্ম
অন্তর্ভুক্তিসুন্নি ইসলাম (মালিকি)
অবস্থাসক্রিয়
অবস্থান
অবস্থানমরক্কো ফেজ, মরক্কো
Muhammad WAHID/খেলাঘর মরোক্কো-এ অবস্থিত
Muhammad WAHID/খেলাঘর
মরোক্কোর মধ্যে প্রদর্শিত
ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক৩৪°০৩′১৯.১″ উত্তর ৪°৫৯′২৩.৯″ পশ্চিম / ৩৪.০৫৫৩০৬° উত্তর ৪.৯৮৯৯৭২° পশ্চিম / 34.055306; -4.989972
স্থাপত্য
ধরনমসজিদ
স্থাপত্য শৈলীমেরিনিড, মরক্কান, মুরিশ, ইসলামি
প্রতিষ্ঠাতাআবু-আল হাসান
প্রতিষ্ঠার তারিখ১৩৩৯ খ্রিস্টাব্দ (অনিশ্চিত)
নির্দিষ্টকরণ
মিনারসমূহ
মিনারের উচ্চতা২৩.৮ মিটার (প্রায়)
উপাদানসমূহইট, কাঠ

আল-হামরা মসজিদ বা লাল মসজিদ (আরবি: الجامع الاحمر‎‎, বার্বার: ⵎⴻⵣⴳⵉⴷⴰ ⴰⵣⴻⴳⴰⴴ) মরক্কোর ফেজের একটি মসজিদ। মেরিনিড শাসক কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এই স্থানীয় জামে মসজিদটি ফেস আল-জেদীদের মূল সড়কে অবস্থিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মসজিদটি কখন নির্মিত হয় ‌তা সঠিকভাবে জানা যায়নি কারণ এর কোন ভিত্তিপ্রস্তর নেই,[১] তবে এটি মেরিনিড আমলে নির্মিত বলে জানা গেছে।[২][৩][৪] রজার লে টুর্নো প্রস্তাব করেন এটি সম্ভবত ১৩ তম শতাব্দীর শেষের দিকে বা ১৪ তম শতাব্দীর শুরুতে নির্মিত হয়।[২] হেনরি ব্রেসোলেট যুক্তি দেন মসজিদটি অবশ্যই ১৩৩৩ সালের পূর্বে নির্মিত কারণ ঐ বছর থেকে সাহরিজ মাদ্রাসার ওয়াকফ শিলালিপিতে এর উল্লেখ রয়েছে।[১][৫] জর্জ মার্কাইস প্রস্তাব করেন তলেমচেনের সিদি বউমেদিয়েন মসজিদের সাথে এর অনেক সাদৃশ্য রয়েছে এবং এটি স্থপতি দ্বারা ও একই শাসকের অধীনে নির্মিত হয়। পরবর্তীতে ১৩৩১ ও ১৩৪৮ সালের মধ্যে সুলতান আবু আল হাসানের রাজত্বকালে এর ভিত্তি স্থাপন করা হয়।[৩] অন্য একজন লেখক ১৩৩৯ সাল উল্লেখ করেছেন (তবে এটি কোন উৎসের উপর ভিত্তি করে তা নির্দেশ করেন নি)।[৬]

মসজিদের নাম জামা' হামরা[৩][৪] বা জামা' আল-হামরা[২] অর্থ "লাল মসজিদ" বা "লাল একজনের মসজিদ"। যেহেতু হামরা শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে স্ত্রীলিঙ্গাত্মক, লে টুর্নো প্রস্তাব করেন হয় এটা একটি লাল মিনার অথবা লাল নারী বোঝায় (উভয়ই বিশ্বাসযোগ্য ও ব্যাকরণগতভাবে স্ত্রীলিঙ্গাত্মক শব্দ)।[২] অন্য মেরিনিড যুগের মসজিদগুলোর সাথে এই মসজিদটির স্পষ্ট মিল রয়েছে।[৩]

এছাড়াও মসজিদের সাথে সংযুক্ত একটি অজুখানা, একটি হাম্মাম ও অনেকগুলো দোকান রয়েছে। যদিও এটি স্পষ্ট করার জন্য এখনো কোনো গবেষণা হয়নি, তবে এই কমপ্লেক্সটি মসজিদের মূল গঠন ও নকশার অংশ ছিল।[৭]

স্থাপত্য[সম্পাদনা]

মসজিদটির গঠন, এর নিকটবর্তী ফেস আল-জেদীদ গ্রেট মসজিদ ও তৎকালীন অন্যান্য বড় মেরিনিড মসজিদগুলোর অনুরূপ।[৩][৬] মসজিদটির উত্তর অংশে একটি আয়তাকার প্রাঙ্গণ (শান) আছে যার তিনদিকে খিলানযুক্ত বারান্দা ও দক্ষিণে প্রধান প্রার্থনা কক্ষ রয়েছে। মিনারটি উত্তর-পশ্চিম কোণে অবস্থিত। ভবনের মূল অক্ষরেখার উত্তরে একটি এবং প্রাঙ্গণের দক্ষিণ কোণের পূর্ব ও পশ্চিমে আরও দুটি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদটিতে সবুজ টালি দিয়ে আবৃত কাঠের ঢালু ছাদ রয়েছে যা মরক্কোর মসজিদগুলোর বৈশিষ্ট্য।[৪]

প্রাঙ্গণ (শান)[সম্পাদনা]

মসজিদের প্রাঙ্গণটি খিলানযুক্ত বারান্দা দিয়ে বেষ্টিত।[৪] এর কেন্দ্রস্থলে একটি মার্বেল বেসিন ও ফোয়ারা এবং ভিতরে দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে জেলিজ মোজাইক টালি দিয়ে সজ্জিত একটি প্রাচীর ফোয়ারা আছে।[৪] প্রাঙ্গণের উত্তর দিকের খিলানের একটি স্তম্ভের উপর একটি সূর্যঘড়ি পাওয়া গেছে।

প্রার্থনা কক্ষ[সম্পাদনা]

মিনার[সম্পাদনা]

মসজিদের মিনার যার পৃষ্ঠের বেশিরভাগ অংশ শাবাকা মোটিফ দিয়ে সজ্জিত

মিনারটি বর্গাকার যার প্রতি পার্শ্বের পরিমাপ ৪.৫ মিটার। এর প্রধান স্তম্ভটি ১৯.২ মিটার উঁচু।[৪] প্রধান স্তম্ভের উপরে একটি গৌণ ও ছোট টাওয়ার (প্রতি পার্শ্ব ২.৫ মিটার এবং ৪.৬ মিটার উঁচু) আছে যার শীর্ষে কারুকাজ করা একটি ছোট গম্বুজ রয়েছে।[৪] মিনারটির সম্মুখভাগগুলো সাধারণ মরক্কান মোটিফ দিয়ে সজ্জিত।

বরিস মাসলো দাবি করেন মিনারের দক্ষিণ ও পূর্ব অংশ, পাশাপাশি এর শীর্ষের গৌণ টাওয়ারটি কোনও এক সময়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিলো যা পরবর্তী সময়ে পুনর্নির্মাণ করা হয়।[৪]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Bressolette, Henri (২০১৬)। À la découverte de Fès। Claude Bressolette, ʻAbd al-Raḥmān Ṭankūl। Paris। আইএসবিএন 978-2-343-09022-1ওসিএলসি 949331845 
  2. Le Tourneau, Roger (১৯৪৯)। Fès avant le protectorat: étude économique et sociale d'une ville de l'occident musulman (French ভাষায়)। Casablanca: Société marocaine de librairie et d'édition। ওসিএলসি 761131028 
  3. Marçais, Georges (১৯৫৫)। L'architecture musulmane d'occident: Tunisie, Algérie, Maroc, Espagne et Sicile (French ভাষায়)। Paris: Arts et métiers graphiques। ওসিএলসি 24824827 
  4. Maslow, Boris (১৯৩৭)। Les mosquées de Fès et du Nord du Maroc (Spanish ভাষায়)। Paris: Les Éditions d'Art et d'Histoire। ওসিএলসি 954521986 
  5. Bressolette, Henri; Delarozière, Jean (১৯৮৩)। Fes-Jdid. De sa fondation en 1276 au milieu du XXème siècle (French ভাষায়)। ওসিএলসি 743085463 
  6. Parker, Richard B (১৯৮১)। A practical guide to Islamic monuments in Morocco (English ভাষায়)। Charlottesville, VA: Baraka Press। ওসিএলসি 8627931 
  7. Almela, Iñigo (২০১৯-০৯-০২)। "Religious Architecture as an Instrument for Urban Renewal: Two Religious Complexes from the Saadian Period in Marrakesh"Al-Masāq (ইংরেজি ভাষায়)। 31 (3): 272–302। আইএসএসএন 0950-3110ডিওআই:10.1080/09503110.2019.1589973 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]