বেরী সর্বাধিকারী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

বেরী সর্বাধিকারী (১৯০৬ - ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৭৬) একজন খ্যতনামা বাঙালি ক্রীড়াবিদ, ক্রিকেটার ও সাংবাদিক। তিনি একজন প্রথিতযশা ক্রীড়া সংগঠকও ছিলেন। ক্রীড়াসম্রাট নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারী তার জ্যেষ্ঠতাত।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

বেরী সর্বাধিকারীর আসল নাম বিজয়চন্দ্র কিন্তু গায়ের রঙ কালো হওয়ার জন্যে সহপাঠীদের দেওয়া বেরী নামেই বেশি পরিচিত হন। তার পিতা ব্যারিস্টার সুশীলপ্রসাদ নিজেও ফুটবল খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সাংবাদিক ছিলেন। স্কটিশ চার্চ কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক ও প্রেসিডেন্সী কলেজ, কলকাতা থেকে বি এ পাশ করেন। তার মাতামহ বিখ্যাত চিকিৎসক কেদারনাথ দাস।[১]

অবদান[সম্পাদনা]

ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটে তার আগ্রহ ছিল। গ্র্যাজুয়েশনের পর কলকাতাবিদ্যাসাগর কলেজের ক্রিকেট টীমে খেলতে থাকেন বেরী সর্বাধিকারী। স্পোর্টিং ইউনিয়ন ও কালীঘাট ক্লাবে সুনামের সাথে খেলতেন। তার জীবনের সর্বোচ্চ কৃতিত্ব 'ইউনিভার্সিটি অকেশনাল' নামে ক্রিকেট সংস্থা গঠন। ভারত তথা বাংলার নামকরা ক্রিকেটাররা এই ক্লাবে খেলেছেন। সুঁটে বন্দ্যোপাধ্যায়, কার্তিক বসু প্রমুখ এই ক্লাবে খেলেই প্রসিদ্ধি লাভ করেন।[১]

সাংবাদিকতা[সম্পাদনা]

সাংবাদিক হিসেবে তিনি অলিম্পিক, উইম্বলডন, টেস্ট ক্রিকেট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ন ক্রীড়া ঘটনার ধারাভাষ্যকার হয়েছিলেন। বেতারে ইংরেজি ধারাবিবরনীর জন্য তার সুনাম ছিল।[২] তার রচিত ইংরেজি গ্রন্থ ইন্ডিয়ান ক্রিকেট আনকভারডমাই ওয়ার্ল্ড অফ ক্রিকেট ও বাংলা বই আমার দেখা ক্রিকেট।[৩] পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাকে ক্রীড়াক্ষেত্রে কৃতিত্বের জন্য সম্মান প্রদান করেন।

মৃত্যু[সম্পাদনা]

বেরীর মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিকভাবে ঘটে। বোম্বাই শহরের একটি হোটেল থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. প্রথম খন্ড, সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত (২০০২)। বাঙালি সংসদ চরিতাভিধান। কলকাতা: সাহিত্য সংসদ। পৃষ্ঠা ৩৬৬। আইএসবিএন 81-85626-65-0 
  2. Ajay Basu। "Fire Fire Chai(Bengali)"। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ 
  3. "Author: সর্ব্বাধিকারী, নগেন্দ্রপ্রসাদ"। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮