বুদ্ধ ধাতু জাদি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
বুদ্ধ ধাতু জাদি
স্বর্ণ মন্দির,বান্দরবন
Buddha Dhatu Zadi01.jpg
বুদ্ধ ধাতু জাদি
স্বর্ণ মন্দির,বান্দরবন
তথ্য
সম্প্রদায় হীনযান বৌদ্ধ ধর্ম
প্রতিষ্ঠাকাল ২১ শতক
প্রতিষ্ঠাতা ভেন. ইউ পান্নইয়া জোতা মাহাথেরো
রেভারেন্ড ভেন. ইউ পান্নইয়া জোতা মাহাথে
দেশ বাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক স্থানাঙ্ক: ২০°৩৭′১১.৭৫″ উত্তর ৯২°১৯′৭.৬৮″ পূর্ব / ২০.৬১৯৯৩০৬° উত্তর ৯২.৩১৮৮০০০° পূর্ব / 20.6199306; 92.3188000

বুদ্ধ ধাতু জাদি যা বান্দরবন স্বর্ণ মন্দির নামে সুপরিচিত, বাংলাদেশের বান্দরবন শহরের বালাঘাটা এলাকায় অবস্থিত। ধাতু বলতে কোন পবিত্র ব্যক্তির ব্যবহৃত বস্তুকে বোঝায়। এই বৌদ্ধ মন্দিরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বুদ্ধ মূর্তি রয়েছে এবং এটি বাংলাদেশে সর্বাপেক্ষা বড় হীনযান বৌদ্ধ মন্দির।[১][২][৩]

বান্দরবানে বসবাসরত মারমা জাতিগোষ্ঠী হীনযান বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। ২০০০ সালে দক্ষিণ পূর্ব এশীয় ধাঁচে বার্মার স্থাপত্যবিদের তত্ত্বাবধানে মন্দিরটি নির্মিত হয়।[১][৩][৪]

অবস্থান[সম্পাদনা]

সবুজে ঘেরা বান্দরবনের পাহাড়

বৌদ্ধ মন্দির স্থানীয়দের কাছে কিয়াং নামে পরিচিত। বুদ্ধ জাদি পাই কিয়াং চট্টগ্রাম বিভাগের বান্দরবন জেলায় অবস্থিত। বান্দরবন জেলায় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দুই পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং এবং কেওক্রাডং অবস্থিত। শহরকে বেস্টন করে সাঙ্গু নদী বয়ে চলেছে। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত মন্দিরটি বালাঘাট থেকে ৪ কিমি এবং বান্দরবন সদর থেকে ১০ কিমি দূরে অবস্থিত।[১][২][৪][৫] এই পাহাড়ে একটি লেক আছে। লেকের নাম দেবতা পুকুর[৬] দেবতা পুকুরটি সাড়ে ৩শত ফুট উচুতে হলে ও সব মৌসুমেই পানি থাকে। বৌদ্ধ ভানে-দের মতে, এটা দেবতার পুকুর তাই এখানে সব সময় পানি থাকে।[৭] প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি বান্দরবানের পর্যটন কেন্দ্র গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হল বুদ্ধ ধাতু জাদি ক্যাং। এই জাদিটি এখন বৌদ্ধ সমপ্রদায়ের তীর্থ স্থানই নয় দেশী বিদেশী পর্যটকদের জন্য অন্যতম আকর্ষনীয় স্পটে পরিণত হয়েছে। এটি স্বর্ণমন্দির নামে পরিচিত পেলেও এটি স্বর্ণ নির্মিত নয়। মূলত সোনালী রঙের জন্যেই এটির নাম হয়েছে স্বর্ণমন্দির।

ভ্রমণবিধি[সম্পাদনা]

বৌদ্ধধর্মাবলম্বী ব্যতীত অন্যান্য ভ্রমনার্থীদের টিকিটের বিনিময়ে মন্দিরটি দর্শনের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে মন্দিরের মূল অংশে অর্থাৎ যেখানে জাদিটি আছে সেখানে সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশ করতে দেয়া হয় না। সন্ধ্যা ছয়টার পরে মন্দিরে সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষেধ। মন্দির চত্ত্বরে শর্টপ্যান্ট, লুঙ্গি এবং জুতা পায়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ।

গ্যালারি[সম্পাদনা]

তথ্য উৎস[সম্পাদনা]

  1. "Golden Temple, Bandarban"। The Face of Bangla। সংগৃহীত ২০১০-০৩-২৯ 
  2. "Balaghata: Golden Temple"। সংগৃহীত ২০১০-০৩-২৯ 
  3. "The Golden Temple of Bangladesh"। The Buddhist Channel। সংগৃহীত ২০১০-০৩-২৯ 
  4. McAdam, Marika (২০০৪)। Bangladesh। Lonely Planet। পৃ: ১৩১। আইএসবিএন 1-74059-280-8। সংগৃহীত ২০১০-০৩-২৯ 
  5. "Golden Temple - Nestled in Scenic Tranquility"। সংগৃহীত ২০১০-০৩-২৯ 
  6. "Bandarban Hillside Resort – getaway from the city"। সংগৃহীত ২০১০-০৩-২৯ 
  7. http://dhammainfo.com/more/directory/vihara/1057#sthash.85eOKE57.dpuf