বুচ এবং ফেম

বুচ এবং ফেম পদটি লেসবিয়ান সংস্কৃতিতে পুরুষালী (বুচ) এবং মেয়েলী (ফেম) পরিচয় ও এর সাথে সম্পর্কিত বৈশিষ্ট্য, আচরণ, ব্যবহার , স্ব-উপলব্ধি ইত্যাদি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। [১][২] পদটি বিংশ শতাব্দীতে লেসবিয়ান সম্প্রদায়গুলিতে উদ্ভূত হয়েছিল। বুচ-ফেম সংস্কৃতি লেসবিয়ান দ্বৈত সমষ্টির একমাত্র রূপ নয়, কারণ বুচ-বুচ এবং ফেম-ফেম সম্পর্কেও অনেক মহিলারা রয়েছেন ৷[৩]
কিছু লেসবিয়ান নারীবাদীরা যুক্তি দেখিয়েছেন যে বুচ ফেম হল বিপরীতকামী সম্পর্কের একটি প্রতিরূপ, অন্য ভাষ্যকারদের যুক্তি এই যে বিপরীতকামী সম্পর্কের সাথে মিল থাকলেও বুচ-ফেম একই সাথে এটিকে প্রশ্ন করে। [৪]
জুডিথ বাটলার এবং অ্যান ফ্যাস্টো-স্টার্লিংয়ের মতো পণ্ডিতরা বলেন যে বুচ এবং ফেম "ঐতিহ্যবাহী" লিঙ্গ ভূমিকা গ্রহণ করার চেষ্টা নয়। পরিবর্তে তারা যুক্তি দেন যে লিঙ্গ প্রয়োজনীয় "প্রাকৃতিক" বা জৈবিকের পরিবর্তে সামাজিক এবং ঐতিহাসিকভাবে নির্মিত হয়েছে ৷ ফেম লেসবিয়ান ঐতিহাসিক জোয়ান নেসলে যুক্তি দেখান যে ফেম এবং বুচকে নিজস্ব পরিচয়ে আলাদা লিঙ্গ হিসাবে দেখা যেতে পারে ৷
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Hollibaugh, Amber L. (২০০০)। My Dangerous Desires: A Queer Girl Dreaming Her Way Home। Duke University Press। পৃ. ২৪৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০৮২২৩২৬১৯৯।
- ↑ Boyd, Helen (২০০৪)। My Husband Betty: Love, Sex and Life With a Cross-Dresser। Sdal Press। পৃ. ৬৪। আইএসবিএন ৯৭৮-১৫৬০২৫৫১৫৪।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ Beeming, Brett (১৯৯৬)। Queer Studies: A Lesbian, Gay, Bisexual and Transgender Anthology। NYU press। পৃ. ২৩–২৭। আইএসবিএন ৯৭৮-০৮১৪৭১২৫৮০।
- ↑ Sullivan, Nikki (২০০৩)। Critical Introduction to Queer Theory। Edinburgh University Press। পৃ. ২৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০৭৪৮৬১৫৯৭১।