বিষমদৃষ্টি
| বিষমদৃষ্টি | |
|---|---|
| বিভিন্ন দূরত্বে ঝাপসা দৃষ্টি | |
| বিশেষত্ব | চক্ষুচিকিৎসাবিজ্ঞান, দৃষ্টিমিতি |
| লক্ষণ | সকল দূরত্বে বিকৃত বা ঝাপসা দৃষ্টি, মাথাব্যথা, চোখে চাপ বা টান অনুভব,[১] |
| জটিলতা | অ্যামব্লিয়োপিয়া[২] |
| কারণ | অস্পষ্ট[৩] |
| রোগনির্ণয়ের পদ্ধতি | চক্ষু পরীক্ষা[১] |
| চিকিৎসা | চশমা, কন্ট্যাক্ট লেন্স, শল্যচিকিৎসা[১] |
| সংঘটনের হার | ৩০% থেকে ৬০% প্রাপ্তবয়স্ক (ইউরোপ, এশিয়া)[৪] |
বিষমদৃষ্টি (ইংরেজি: Astigmatism) বা অ্যাস্টিগম্যাটিজম হলো একধরনের দৃষ্টিত্রুটি যেখানে কর্নিয়া বা লেন্সের বক্রতায় গরমিল থাকে, যার ফলে যে-কোনো দূরত্বে বিকৃত বা ঝাপসা দৃষ্টি হয়।[১] অন্যান্য লক্ষণের মধ্যে রয়েছে চোখে টান অনুভব, মাথাব্যথা ও রাতে গাড়ি চালাতে সমস্যা হওয়া।[১] বিষমদৃষ্টি প্রায়শই জন্ম থেকে থাকে এবং পরবর্তীতে পরিবর্তন হতে পারে বা নতুন করেও হতে পারে।[৫] যদি এটি অল্পবয়সে হয় এবং চিকিৎসা না করা হয় তাহলে অ্যামব্লিয়োপিয়া হতে পারে।[২]
বিষমদৃষ্টির সঠিক কারণ এখনও অস্পষ্ট; তবে জেনেটিক বিষয়াবলির সাথে সম্পর্ক থাকতে পারে বলে মনে করা হয়।[৩][৪] কর্নিয়ার অনিয়মিত বক্রতা অথবা চোখের লেন্সের কোনো সমস্যা থেকে এর সৃষ্টি হতে পারে।[১][৩] চক্ষু পরীক্ষার মাধ্যমে এই রোগ নির্ণয় সম্ভব।[১]
তিন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে: চশমা, কন্ট্যাক্ট লেন্স ও শল্যচিকিৎসা।[১] সবচেয়ে সহজ উপায় হলো চশমা ব্যবহার করা।[১] কন্ট্যাক্ট লেন্স প্রশস্ততর দৃষ্টিক্ষেত্র প্রদান করে।[১] প্রতিসরণমূলক শল্যচিকিৎসা স্থায়ীভাবে চোখের আকৃতি পরিবর্তন করে দেয়।[১]
ইউরোপ ও এশিয়াতে ৩০% থেকে ৬০% প্রাপ্তবয়স্ক লোক বিষমদৃষ্টিতে আক্রান্ত।[৪] সকল বয়সের লোক বিষমদৃষ্টিতে আক্রান্ত হতে পারে।[১] ১৮০১ সালে থমাস ইয়াং প্রথমবারের মতো বিষমদৃষ্টির বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।[৩][৬]
লক্ষণসমূহ
[সম্পাদনা]যদিও বিষমদৃষ্টি লক্ষণ বিহীন হতে পারে, তবে উচ্চমাত্রার বিষমদৃষ্টিতে কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে যেমন, ঝাপসা দৃষ্টি, দ্বিদৃষ্টি, তির্যক দৃষ্টি, চোখে টান অনুভব বা ক্লান্তি ও মাথাব্যথা।[৭] কিছু গবেষণায় বিষমদৃষ্টি ও মাইগ্রেন মাথাব্যথার সম্পর্ক পাওয়া গিয়েছে।[৮]
কারণ
[সম্পাদনা]বিষমদৃষ্টির প্রকৃত কারণটি স্পষ্ট নয়, তবে বংশীয় সংশ্লিষ্টতা আছে বলে মনে করা হয়।[৩] চোখে আঘাত বা চোখের অস্ত্রোপচারের কারণেও হতে পারে। একটি বিরল রোগ কেরাটোকোনাস থেকে বিষমদৃষ্টি হতে পারে যেখানে অচ্ছোদপটল বা কর্নিয়া পাতলা ও মোচাকৃতির হয়ে যায়।
নিদানতত্ত্ব
[সম্পাদনা]
স্বাভাবিক অবস্থায় চোখের লেন্স ও কর্নিয়াতে একটি মসৃণ বলের পৃষ্ঠতলের মতো গোলাকার বক্রতা থাকে যার ফলে কর্নিয়া ও লেন্সে আগত আলোকরশ্মি সমানভাবে প্রতিসরিত হয়ে অক্ষিপটে পতিত হয় এবং স্পষ্ট বিম্ব তৈরি হয়। যদি কর্নিয়া বা লেন্সের যে-কোনো একটি ভিন্ন বক্রতাসহ ডিম্বাকৃতির হয় তাহলে আলোকরশ্মিগুচ্ছ একইভাবে প্রতিসরিত হয় না ফলে ঝাপসা অথবা দ্বিদৃষ্টি হতে পারে। অল্প আলোয় পড়লে বা টেলিভিশনের খুব কাছে বসলে বিষমদৃষ্টি হয় না।[৯]
চিকিৎসা
[সম্পাদনা]বিষমদৃষ্টি চশমা, কন্ট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার ও রিফ্র্যাক্টিভ সার্জারি করে ভালো করা যায়।[১০] চশমা সবচেয়ে সহজ ও নিরাপদ, তবে কন্ট্যাক্ট বা স্পর্শ লেন্সের একটি সুবিধা হলো এটি চোখের সাথে সাথে ঘুরে এবং প্রশস্ততর দৃষ্টিক্ষেত্র প্রদান করে।[১১] শল্যচিকিৎসা করলে স্থায়ীভাবে চশমা বা লেন্স ব্যবহারের দরকার পড়ে না, তবে অন্যান্য শল্যচিকিৎসার মতো জটিলতার ঝুঁকি রয়েছে।
রোগতত্ত্ব
[সম্পাদনা]মার্কিন গবেষণা অনুসারে, পাঁচ থেকে সতেরো বছর বয়সি প্রতি দশজন শিশুর মধ্যে প্রায় তিনজন (২৮.৪%) বিষমদৃষ্টিতে ভুগছে।[১২] ২০০৫ সালে প্রকাশিত ব্রাজিলের একটি গবেষণায় দেখা যায় একটি শহরের ৩৪% ছাত্র বিষমদৃষ্টিসম্পন্ন।[১৩] সম্প্রতি বাংলাদেশে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির উপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা যায় ৩০ বছরের ঊর্ধ্বে প্রতি ৩ জনে ১ জনের (৩২.৪%) বিষমদৃষ্টি রয়েছে।[১৪]
২০০৫ সালে প্রকাশিত পোল্যান্ডের একটি গবেষণায় দেখা যায় উইদ-দ্যা-রুল অ্যাস্টিগম্যাটিজম মায়োপিয়া বা নিকটদৃষ্টি করতে পারে।[১৫] বেশকিছু গবেষণায় দেখা যায় বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে বিষমদৃষ্টির হার বাড়ে।[১৬]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]১৭৯৩ সালে ছাত্র থাকা অবস্থায় থমাস ইয়াং আবিষ্কার করেছিলেন যে তার এক চোখে সমস্যা আছে।[১৭] পরবর্তী বছরগুলোতে তিনি তার দৃষ্টির সমস্যা নিয়ে গবেষণা করেন।[১৮] ১৮০১ সালে তিনি বেকারিয়ান লেকচার প্রদানের সময় তার গবেষণা লব্ধ ফলাফল উপস্থাপন করেন।[১৯] ইয়াং ছাড়াও জর্জ বিডেল এয়ারি নামে আরেক বিজ্ঞানী আলাদাভাবে তার নিজের চোখে বিষমদৃষ্টির বিষয়টি আবিষ্কার করেন।[২০] এয়ারি ১৮২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্যামব্রিজ ফিলোসোফিক্যাল সোসাইটিতে নিজের চোখের উপর তার পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করেন।[২১][২২] এয়ারি ১৮২৫ সালের মধ্যে তার চোখের দৃষ্টিত্রুটি দূর করার জন্য লেন্স উৎপাদন করেন।[২০][২৩] অন্যান্য উৎসে ১৮২৭ সালের কথা বলা হয়েছে[২৪] যখন এয়ারি ইপ্সউইচের একজন অপটিশিয়ানের কাছ থেকে সিলিন্ডার আকৃতির লেন্স পেয়েছিলেন।[২৫] এর নামকরণ করেছিলেন উইলিয়াম হিউয়েল।[২৬][২৭][২৮] ১৮৬০ সালের মধ্যে চক্ষুবিজ্ঞানে বিষমদৃষ্টি একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ধারণা হিসেবে পরিচিত হয়।[২৯] এবং বইয়ের অধ্যায়ে বিষমদৃষ্টি আবিষ্কারের কথাও বর্ণনা করা ছিল।[৩০][৩১]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 "Facts About Astigmatism"। National Eye Institute। অক্টোবর ২০১০। ২ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০১৯।
- 1 2 Harvey, EM (জুন ২০০৯)। "Development and treatment of astigmatism-related amblyopia."। Optometry and Vision Science। ৮৬ (6): ৬৩৪–৯। ডিওআই:10.1097/opx.0b013e3181a6165f। পিএমসি 2706277। পিএমআইডি 19430327।
- 1 2 3 4 5 Read, SA; Collins, MJ; Carney, LG (জানুয়ারি ২০০৭)। "A review of astigmatism and its possible genesis."। Clinical & Experimental Optometry। ৯০ (1): ৫–১৯। ডিওআই:10.1111/j.1444-0938.2007.00112.x। পিএমআইডি 17177660। এস২সিআইডি 8876207।
- 1 2 3 Mozayan, E; Lee, JK (জুলাই ২০১৪)। "Update on astigmatism management."। Current Opinion in Ophthalmology। ২৫ (4): ২৮৬–৯০। ডিওআই:10.1097/icu.0000000000000068। পিএমআইডি 24837578। এস২সিআইডি 40929023।
- ↑ "The Ultimate Guide to Astigmatism"। Feel Good Contacts।
- ↑ "Thomas Young | British physician and physicist"। Encyclopædia Britannica (ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০১৭।
- ↑ "Astigmatism"। MedicineNet। OnHealth.com। ২ জুলাই ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩।
- ↑ Harle, Deacon E.; Evans, Bruce J. W. (২০০৬)। "The Correlation Between Migraine Headache and Refractive Errors"। Optometry and Vision Science। ৮৩ (2): ৮২–৭। ডিওআই:10.1097/01.opx.0000200680.95968.3e। পিএমআইডি 16501409। এস২সিআইডি 32019102।
- ↑ Kierstan Boyd। "What is Astigmatism?"। aao.org (English ভাষায়)। American Academy of Ophthalmology। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০২২।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - ↑ "Facts About Astigmatism"। National Eye Institute। National Institutes of Health। ২ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০১৯।
- ↑ Hall, John E.। "The Eye: I. Optics of vision"। Guyton And Hall textbook of Medical Physiology (13 সংস্করণ)। Elsevier। পৃ. ৬১৩। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৫৫৭-৭০১৬-৮।
- ↑ Kleinstein, R. N.; Jones, LA; Hullett, S; এবং অন্যান্য (২০০৩)। "Refractive Error and Ethnicity in Children"। Archives of Ophthalmology। ১২১ (8): ১১৪১–৭। ডিওআই:10.1001/archopht.121.8.1141। পিএমআইডি 12912692।
- ↑ Garcia, Carlos Alexandre de Amorim; Oréfice, Fernando; Nobre, Gabrielle Fernandes Dutra; Souza, Dilene de Brito; Rocha, Marta Liliane Ramalho; Vianna, Raul Navarro Garrido (২০০৫)। "Prevalence of refractive errors in students in Northeastern Brazil"। Arquivos Brasileiros de Oftalmologia। ৬৮ (3): ৩২১–৫। ডিওআই:10.1590/S0004-27492005000300009। পিএমআইডি 16059562।
- ↑ Bourne, R; Dineen, BP; Ali, SM; Noorul Huq, DM; Johnson, GJ (২০০৪)। "Prevalence of refractive error in Bangladeshi adults*1Results of the National Blindness and Low Vision Survey of Bangladesh"। Ophthalmology। ১১১ (6): ১১৫০–৬০। ডিওআই:10.1016/j.ophtha.2003.09.046। পিএমআইডি 15177965।
- ↑ Czepita, D; Filipiak, D (২০০৫)। "The effect of the type of astigmatism on the incidence of myopia"। Klinika Oczna। ১০৭ (1–3): ৭৩–৪। পিএমআইডি 16052807।
- ↑ Asano, Kazuko; Nomura, Hideki; Iwano, Makiko; Ando, Fujiko; Niino, Naoakira; Shimokata, Hiroshi; Miyake, Yozo (২০০৫)। "Relationship Between Astigmatism and Aging in Middle-aged and Elderly Japanese"। Japanese Journal of Ophthalmology। ৪৯ (2): ১২৭–৩৩। ডিওআই:10.1007/s10384-004-0152-1। পিএমআইডি 15838729। এস২সিআইডি 20925765।
- ↑ Coggin, David (১৮৯৩)। "Notes on the Centennial Anniversary of the Discovery of Astigmatism"। Boston Med Surg J। ১২৮ (6): ১৩৬–১৩৭। ডিওআই:10.1056/NEJM189302091280603।
- ↑ Atchison, David A; Charman, W Neil (২০১১)। "Thomas Young's contributions to geometrical optics" (পিডিএফ)। Clinical and Experimental Optometry। ৯৪ (4): ৩৩৩–৩৪০। ডিওআই:10.1111/j.1444-0938.2010.00560.x। পিএমআইডি 21214628। ২৭ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০২২।
- ↑ Thomas Young (১৮০১)। "II. The Bakerian Lecture. On the mechanism of the eye"। Philosophical Transactions of the Royal Society of London। ৯১: ২৩–৮৮। বিবকোড:1801RSPT...91...23Y। ডিওআই:10.1098/rstl.1801.0004।
- 1 2 Levene, J. R. (১৯৬৬)। "Sir George Biddell Airy, F.R.S. (1801-1892) and the Discovery and Correction of Astigmatism"। Notes and Records of the Royal Society of London। ২১ (2): ১৮০–১৯৯। ডিওআই:10.1098/rsnr.1966.0017। জেস্টোর 531067। এস২সিআইডি 72385672।
- ↑ Wang, Ming (২২ অক্টোবর ২০০৭)। Irregular Astigmatism: Diagnosis and Treatment। আইএসবিএন ৯৭৮১৫৫৬৪২৮৩৯৫।
- ↑ George Biddell Airy (১৮২৭)। "On a peculiar Defect in the Eye, and a mode of correcting it"। Transactions of the Cambridge Philosophical Society।
- ↑ Read, Scott A; Collins, Michael J; Carney, Leo G (২০০৭)। "A review of astigmatism and its possible genesis"। Clinical and Experimental Optometry। ৯০ (1): ৫–১৯। ডিওআই:10.1111/j.1444-0938.2007.00112.x। পিএমআইডি 17177660। এস২সিআইডি 8876207।
- ↑ Porter, Jason (২০০৬)। Adaptive optics for vision science: principles, practices, design, and applications। আইএসবিএন ৯৭৮০৪৭১৬৭৯৪১৭।
- ↑ Wood, Alexander; Oldham, Frank (১৯৫৪)। Thomas Young Natural Philosopher 1773–1829।
- ↑ Donders, Franciscus Cornelis (১৮৬৬)। Die Anomalien der Refraction und Accommodation des Auges। Braumüller। পৃ. ৩৮১।
- ↑ Wang, Ming (২২ অক্টোবর ২০০৭)। Irregular Astigmatism: Diagnosis and Treatment। আইএসবিএন ৯৭৮১৫৫৬৪২৮৩৯৫। ২৯ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Snyder, C. (১৯৬৫)। "The Rev. Mr. Goodrich and His Visual Problem"। Archives of Ophthalmology। ৭৩ (4): ৫৮৭–৫৮৯। ডিওআই:10.1001/archopht.1965.00970030589023। পিএমআইডি 14270148।
- ↑ Bumstead, J. F. (১৮৬৩)। "A Few Remarks on Astigmatism"। Boston Med Surg J। ৬৯ (14): ২৮০–২৮৪। ডিওআই:10.1056/NEJM186311050691404।
- ↑ Donders, Franciscus C (১৮৬২)। Astigmatismus und cylindrische Gläser। Peters। পৃ. ১২৯।
- ↑ Artal, Pablo; Tabernero, Juan (২০১০)। "Optics of human eye: 400 years of exploration from Galileo's time"। Applied Optics। ৪৯ (16): D১২৩–৩০। বিবকোড:2010ApOpt..49G.123A। ডিওআই:10.1364/AO.49.00D123। পিএমআইডি 20517354। এস২সিআইডি 1539303।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]
উইকিঅভিধানে বিষমদৃষ্টি-এর আভিধানিক সংজ্ঞা পড়ুন।
উইকিমিডিয়া কমন্সে বিষমদৃষ্টি সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।- কার্লিতে বিষমদৃষ্টি (ইংরেজি)
| শ্রেণীবিন্যাস | |
|---|---|
| বহিঃস্থ তথ্যসংস্থান |