বিষয়বস্তুতে চলুন

"নিখিলরঞ্জন সেন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
স্নাতকোত্তরের ফল ভাল থাকায় এবং [[সত্যেন্দ্রনাথ বসু]] ও [[মেঘনাদ সাহা]] পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে যোগ দেওয়ায় তিনি ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে [[কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়| কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে]] গণিতে অধ্যাপনা শুরু করেন এবং সেই সাথে গবেষণাও। ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি.এসসি ডিগ্রি লাভ করেন। প্রতিমাসে পাঁচশো টাকা অতিরিক্ত ভাতা লাভ করে তিনি জার্মানি গমন করেন বার্লিন, মিউনিখ ও প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার কাজে। <ref name ="TW"></ref>[[মাক্স ফন লাউয়ে|অধ্যাপক ভন লাউয়ের]] অধীনে আপেক্ষিক সাধারণ তত্ত্ব ও মহাকাশ (cosmogony) গবেষণার জন্য [[ হুমবোল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, বার্লিন| বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। এই সময়ে [[আপেক্ষিকতা তত্ত্ব]] (Quantum Theory) ক্রমশই প্রতিষ্ঠা লাভ করছিল। পদার্থবিজ্ঞানের এই বিভাগে তিনি [[ মাক্স প্লাংক| ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক]], [[আলবার্ট আইনস্টাইন]], [[ আর্নল্ড সমারফেল্ড|আর্নল্ড সোমারফিল্ড]], [[ লুই দ্য ব্রোয়ি |লুই ডি ব্রগলি]] প্রমুখ দিকপাল বিজ্ঞানীদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং পড়াশোনা করেন। ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলিত গণিত বিভাগে ''রাসবিহারী ঘোষ অধ্যাপক'' পদে নিযুক্ত হন। বিভাগ পুনর্গঠন, নুতন শিক্ষণীয় বিষয় স্থির করা ইত্যাদি কাজে যোগ্য নেতৃত্বের পরিচয় দেন। নানা বিষয়ে মৌলিক গবেষণা তাঁরই নেতৃত্ব শুরু হয়। স্বাধীনতার পর বৈদেশিক শক্তির প্রভাবমুক্ত নতুন ভারতে দেশরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞান ''ব্যালিস্টিক'' বিষয়টি তিনি পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করেন। নিজের শিক্ষার ভার নেন এবং 'The Physico Mathematical colloquium' নামে পত্র প্রকাশের ব্যবস্থা করেন।<ref name="সংসদ"></ref>১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি অবসর গ্রহণ করেন।
 
==মাতৃভাষায় বিজ্ঞান শিক্ষা==
 
ড. সেন ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার সমালোচক ছিলেন। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য ১৯১৭ -১৯১৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কমিশন গঠিত হলে তাঁর বক্তব্য ছিল - উদার সংস্কৃতির শিক্ষা পদ্ধতিতে বিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা থাকা উচিত। এর মধ্য দিয়ে মানুষের প্রকৃতি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ ও তার উপর প্রভুত্ব বিস্তার সহজ হবে। ছাত্রদের বিজ্ঞান সহজ ভাবে বুঝতে [[সত্যেন্দ্রনাথ বসু| সত্যেন্দ্রনাথ বসুর ]] ন্যায় তিনিও বাংলা ভাষাতেই বিজ্ঞান শিক্ষার পক্ষে অভিমত পোষণ করেন বিশ্ববিদ্যালয় কমিশনের কাছে। তিনি বাংলা ভাষায় রচনা করেন - ‘’সৌরজগৎ’’ । ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দে [[বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়| বিশ্বভারতী]] এটি প্রকাশ করে।
 
==অলঙ্কৃত পদসমূহ==