বিয়াস
| বিয়াস Salix tetrasperma | |
|---|---|
| বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ: | Plantae |
| বিভাগ: | Tracheophyta |
| শ্রেণী: | Magnoliopsida |
| বর্গ: | Malpighiales |
| পরিবার: | Salicaceae |
| গণ: | Salix |
| প্রজাতি: | Salix tetrasperma |
| দ্বিপদী নাম | |
| Salix tetrasperma Roxb. | |
| প্রতিশব্দ | |
|
Salix zollingeri Miq. | |
বিয়াস জলসহনীয় মাঝারি আকারের বৃক্ষ। এর ইংরেজি নাম ইন্ডিয়ান উইলো। বৈজ্ঞানিক নাম salix tetrasperma (স্যালিক্স টেট্ট্রাসপার্মা)। বিয়াস গাছ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপালসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখতে পাওয়া যায়।[১][২]
বৈশিষ্ট্য
[সম্পাদনা]বিয়াস গাছ পানিতে অনেক দিন বেঁচে থাকতে পারে। স্বভাবে এ গাছ তাই অনেকটা হিজল, করচের মতো। বাংলাদেশের হাওর অঞ্চলে এ গাছ বেশি দেখা যায়। শরৎকালে এ গাছের পাতা ঝরে যায়। পাতা ঝরা শেষে আবার নতুন পাতা গজায়। হেমন্ত ঋতুতে ফুলের কুঁড়ি আসতে শুরু করে এবং এ ঋতুর মাঝামাঝি ফুল ফোটে।[২]
ব্যবহার
[সম্পাদনা]বিয়াস গাছের কাঠের মান ভাল এবং ওজনে বেশ হালকা। এ কাঠ ক্রিকেট খেলার ব্যাট তৈরির উপযোগী। ঘরের আসবাবপত্র ও কৃষিযন্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এই গাছের ফল থেকে তুলা সংগ্রহ করা যায়। বিয়াস গাছের রয়েছে নানা ভেষজগুণ। এ গাছের শিকড়, বাকল ও পাতা বিভিন্ন অসুখ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। জ্বালানির প্রয়োজনে এ গাছের কাঠ ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে ব্যপকহারে এ গাছের সংখ্যা আশংকাজনকভাবে কমে যাচ্ছে।[২]
চিত্রশালা
[সম্পাদনা]- Arbre en pot.
- Écorce crevassée.
- Dessus des feuilles.
- Habitat.