বিঠোবা মন্দির, পণ্ঢরপুর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বিঠোবা মন্দির, পণ্ঢরপুর
विठ्ठल मंदिर, पंढरपूर
Pandharpur Vithoba temple.jpg
মন্দিরের প্রধান (পূর্বদিকের) দ্বার। এখানে ‘নামদেব চি পয়ারি’ অবস্থিত। দরজার সামনে ছোটো নীল মন্দিরটি সন্ত চোখামেলার স্মারকস্থল।
ধর্ম
অন্তর্ভুক্তিহিন্দুধর্ম
জেলাসোলাপুর জেলা
অবস্থান
অবস্থানপণ্ঢরপুর
রাজ্যমহারাষ্ট্র
দেশভারত
স্থাপত্য
ধরনহেমাদপন্থী
সৃষ্টিকারীরাজা বিষ্ণুবর্ধন (হোয়সল রাজবংশ)

বিঠোবা মন্দির, পণ্ঢরপুর, যা আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রীবিট্‌ঠল-রুক্মিণী মন্দির নামেও পরিচিত (মারাঠি: श्री विठ्ठल-रूक्मिणी मंदिर) হলো বিঠোবা উপাসনার প্রধান কেন্দ্র। বিট্‌ঠল বা বিঠোবাকে কৃষ্ণ বা বিষ্ণুর একটি রূপ মনে করা হয়। রুক্মিণী বা রাখুমাই হলেন তাঁর পত্নী। এটি ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের সর্বাধিক পরিদর্শিত মন্দির। প্রতি বছর আষাঢ়ী একাদশীকার্তিকী একাদশী উপলক্ষ্যে বারকরী সম্প্রদায়ের অনুগামীরা তাঁদের বাড়ি থেকে পণ্ঢরপুর মন্দিরের উদ্দেশ্যে তীর্থযাত্রা করেন। এই যাত্রাকে দিন্ডি বলা হয়। তাঁরা বিশ্বাস করেন, পণ্ঢরপুরের ধারে চন্দ্রভাগা নদীতে স্নান করলে সব রকম পাপ থেকে মুক্ত হওয়া যায়। সকল ভক্তই বিঠোবা বিগ্রহের পাদস্পর্শ করার অধিকারী। ২০১৪ সালের মে মাসে, এই মন্দিরই প্রথম নারী ও অনগ্রসর শ্রেণির মানুষদের পুরোহিত হওয়ার জন্য এই মন্দিরে আমন্ত্রণ জানায়।[১][২][৩][৪][৫]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Caste no bar: Women, non-Brahmins will be priests in Pandharpur temple"। Firstpost। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-০৭-২৯ 
  2. "Pandharpur temple allows women, men of all castes as priests"। The Hindu। ২০১৪-০৫-২৩। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-০৭-২৯ 
  3. Daily News & Analysis (২০১৪-০৫-১৫)। "Athawale slams Sanatan for opposing Dalit priest in temple | Latest News & Updates at Daily News & Analysis"। Dnaindia.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-০৭-২৯ 
  4. "First time in 900 yrs, Vitthal Rukmini temple may get non-Brahmin priests"। The Indian Express। ২০১৪-০৫-০৬। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-০৭-২৯ 
  5. "Lord Vithoba temple makes history by having women and lower-caste priests"IANS। news.biharprabha.com। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Hindu temples in Maharashtra