বান কি মুন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
Ban Ki-moon
반기문
Ban Ki-Moon November 2014.jpg
৮ম জাতিসংঘের মহাসচিব
অধিকৃত অফিস
১ জানুয়ারি ২০০৭
ডেপুটিAsha-Rose Migiro
Jan Eliasson
পূর্বসূরীকফি আনান
Minister of Foreign Affairs and Trade
কাজের মেয়াদ
১৭ জানুয়ারি ২০০৪ – ১ ডিসেম্বর ২০০৬
রাষ্ট্রপতিRoh Moo-hyun
প্রধানমন্ত্রীGoh Kun
Lee Hae-chan
Han Duck-soo
Han Myeong-sook
পূর্বসূরীYoon Young-kwan
উত্তরসূরীSong Min-soon
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (১৯৪৪-০৬-১৩) ১৩ জুন ১৯৪৪ (বয়স ৭৪)
Eumseong County, North Chungcheong Province, Korea
জাতীয়তাSouth Korean
দাম্পত্য সঙ্গীYoo Soon-taek
সন্তান[১]
প্রাক্তন শিক্ষার্থীSeoul National University (B.A.)
Harvard University (M.P.A.)
স্বাক্ষর
Korean name
হাঙ্গুল
হাঞ্জা
সংশোধিত রোমানীকরণBan Gimun
ম্যাক্কিউন-রাইশাওয়াPan Kimun
কোরীয় উচ্চারণ: [panɡimun]

বান কি মুন (কোরীয়: 반기문

আরও দেখুন

টেমপ্লেট:COinS safe

ব্যবহার

লুয়া ত্রুটি মডিউল:Lang/documentor_tool এর 29 নং লাইনে: attempt to index local 'content' (a nil value)। Template {{বান কি মুন}} indicates to readers the original form of a term or phrase in language. The term or phrase is the only mandatory parameter. The text is formatted according to recommendations in Wikipedia:Manual of Style/Text formatting#Foreign terms (italics for Latin-script languages, regular for others).

The template should generally be placed after the English translation of the foreign term or phrase.

The parameter |links=no prevents the language name from being linked.

The parameter |translit= enables a transliteration (of the original text with the Latin alphabet) to be given. The templates that have this param are listed here. (This parameter is not supported by lang-x templates for languages that are already written in Latin script.)

The parameter |lit= enables a literal translation (in English) to be given. It is being rolled out to these templates and so may be available for {{বান কি মুন}}.

Parameters

টেমপ্লেট:Lang-x/doc/parameters

উদাহরণ

The following examples show translations from German.

Edit

  • Weimar is located in the federal state of Thuringia ({{lang-de|Thüringen}}).
  • The Seafarers of Catan ({{lang-de|Die Seefahrer von Catan}}) is an expansion of the board game The Settlers of Catan.
  • Albert the Bear ({{lang-de|Albrecht der Bär|links=no}})
  • All Quiet on the Western Front ({{lang-de|Im Westen nichts Neues|lit=In the West Nothing New}}) is a novel by Erich Maria Remarque.

Resulting text

সমর্থনকারী টেমপ্লেট


টেমপ্লেটডাটা

নতুন দৃশ্যমান সম্পাদনা দ্বারা ব্যবহৃত টেমপ্লেটের জন্য টেমপ্লেটডাটা নথি।

বান কি মুন শীর্ষ

Indicates to readers the original form of a term or phrase in a foreign language.

টেমপ্লেট প্যারামিটার

প্যারামিটারবিবরণধরনঅবস্থা
Text1

The foreign text to display.

স্ট্রিংপ্রয়োজনীয়
Display linklinks

Set to no to disable the link to the article's language.

বুলিয়ানঐচ্ছিক
Literal translationlit

The literal translation of the foreign text

অজানাঐচ্ছিক
Transliterationtranslit

The transliteration of the foreign text, for languages that do not use the Latin alphabet. This field is ignored for languages that do use the Latin alphabet

স্ট্রিংঐচ্ছিক

আরও দেখুন

</noinclude>; জন্ম: ১৩ জুন, ১৯৪৪) জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিবদক্ষিণ কোরিয়ার অধিবাসীরূপে তিনিই দ্বিতীয় এশীয় নাগরিক যিনি জাতিসংঘের মহাসচিব হয়েছেন। এর আগে বার্মার উ থান্ট ৩০ নভেম্বর ১৯৬১ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন।[২]

জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে ১ জানুয়ারি, ২০০৭ সালে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ৩১ ডিসেম্বর, ২০১১ সালে তাঁর প্রথম দফার মেয়াদকাল শেষ হয়। পরবর্তীতে কোনরূপ বিরোধিতা না আসায় ২১ জুন, ২০১১ সালে মুন দ্বিতীয় মেয়াদে জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিবরূপে দায়িত্ব পালন করছেন।[৩]

শৈশব ও শিক্ষা

বান কি মুন ১৯৪৪ সালের ১৩ জুন কোরিয়ার উত্তর জাংজিয়ং-এর ইয়ামসিয়ংয়ে জন্মগ্রহণ করেন৷ ১৯৭০ সালে সিউল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে বান কি মুন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন৷ তারপর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জন এফ কেনেডি স্কুল অফ গভর্নমেন্ট থেকে ১৯৮৫ সালে লোকপ্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন৷ কোরিয়ান ভাষার পাশাপাশি তিনি ইংরেজি এবং ফরাসি ভাষায় পারঙ্গম৷ স্কুলে পড়ার সময় ১৯৬০ সালের প্রথমদিকে আমেরিকান রেডক্রস আয়োজিত একটি ইংরেজি ভাষা প্রতিযোগিতায় জিতেন বান কি মুন৷ সেই সুবাদে তৎকালীন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি জন এফ কেনেডির সঙ্গে তার দেখা হয়৷ এই সাক্ষাতের পরই বান কূটনীতিক হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন।[২]

কর্মজীবন

১৯৭০ সালে মে মাসে বান পররাষ্ট্র যোগদান করেন৷ বিদেশে তার প্রথম নিয়োগ হয় নয়াদিল্লীতে৷ তারপরই তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র দফতরে জাতিসংঘ বিভাগে কাজ করেন৷ পার্ক চুং হি (Park Chung Hee)-এর গুপ্তহত্যার পর বান নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের দক্ষিণ কোরিয়ার স্থায়ী পর্যবেক্ষকের ফার্স্ট সেক্রেটারি পদে অধিষ্ঠিত হন৷ ১৯৯১ সালে ১৭ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কোরিয়া জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য হয়৷ একই সময়ে বান কি মুন জাতিসংঘ বিভাগের পরিচালক পদে নিয়োগ পান৷ রিপাবলিক অফ কোরিয়ার ওয়াশিংটন ডিসির এমবাসিতে তিনি দু’বার নিয়োগ পান৷ ১৯৯০ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাজ্য বিষয়ক মহাপরিচালক হিসেবে কাজ করেন৷ ১৯৯৫ সালে বান কি মুন পলিসি প্ল্যানিং অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের ডেপুটি মিনিস্টার পদে উন্নীত হন৷ তার পরের বছরই তিনি রাষ্ট্রপতির ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজর হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন৷[২]

বান কি মুন দুই কোরিয়ার আন্তঃসম্পর্ক উন্নয়নে প্রত্যক্ষভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছেন৷ ১৯৯২ সালে তিনি সাউথ-নর্থ জয়েন্ট নিউক্লিয়ার কন্ট্রোল কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করেন। ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে বান কি মুন সাউথ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী হন৷ মন্ত্রীত্ব থাকাকালে ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে নর্থ কোরিয়ান নিউক্লিয়ার ইস্যু সমাধানে কূটনীতিক পদক্ষেপের ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা রাখেন৷ এ সম্পর্কে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত সিক্স-পার্টি আলোচনা অনুষ্ঠানেও বান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন৷ বান কি মুন ১ নভেম্বর ২০০৬ পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী ছিলেন৷[২]

জাতিসংঘের মহাসচিব পদে প্রার্থিতা

কোফি আন্নানের পর জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে বান কি মুন তার প্রার্থিতা ঘোষণা করেন ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে৷ জাতিসংঘের নতুন মহাসচিব নির্বাচনের জন্য ইউএন সেক্রেটারি কাউন্সিলের চারবার ভোটাভুটি হয়৷ ২৪ জুলাই, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২৮ সেপ্টেম্বর এবং ২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়া প্রতিটি ভোটাভুটিতেই বান কি মুন শীর্ষে ছিলেন৷[২]

২ অক্টোবরের ভোটাভুটিতে বান কি মুন তার পক্ষে ১৪টি ভোট পান৷ ১৫তম সদস্য দেশ তার পক্ষে-বিপক্ষে কোনো মতামত জানায়নি৷ তার সম্পর্কে একমাত্র জাপানি ডেলিগেশনই পুরোপুরি একমত হয়নি৷ তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বানই একমাত্র প্রার্থী ছিলেন যাকে জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য দেশের ভেটোর মুখোমুখি হতে হয়নি৷ তিনি ছাড়া বাকি পাঁচজন প্রার্থীর প্রত্যেকেই কোন না কোন কাউন্সিলের স্থায়ী সদস্য দেশের ভেটো পেয়েছেন৷ ২ অক্টোবরের ভোটের পর শশি থারুর যিনি ভোটাভুটিতে দ্বিতীয় হন, প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন৷ জাতিসংঘের কাউন্সিলের স্থায়ী সদস্য দেশ চীনের প্রতিনিধি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বান কি মুনের প্রার্থীতার ব্যাপারে বক্তব্য রাখেন৷ ৯ অক্টোবর নিরাপত্তা পরিষদ বানকে প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে পছন্দ করে৷ তারপর ১৩ অক্টোবরে সাধারণ পরিষদের ১৯২ সদস্য রাষ্ট্রই বান কি মুনের মহাসচিব হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি মেনে নেয়৷ ১৪ ডিসেম্বর ২০০৬ বান কি মুন জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন৷[২]

মহাসচিব প্রার্থীদের তালিকা

মহাসচিব প্রার্থীদের বিবরণ[৪]
নাম পদবী
বান কি-মুন পররাষ্ট্র মন্ত্রী, দক্ষিণ কোরিয়া
শশী থারুর জাতিসংঘের উপ-মহাসচিব, ভারত
ভায়রা ভাইক-ফ্রিবার্গা লাটভিয়ার প্রেসিডেন্ট
আশরাফ গণি কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর, আফগানিস্তান
সুরাকিআর্ত সাথিরাথাই উপ-প্রধানমন্ত্রী, থাইল্যান্ড
যুবরাজ জিদ বিন রা’আদ জাতিসংঘে জর্দানের প্রতিনিধি
জয়ন্ত ধানাপালা জাতিসংঘের সাবেক উপ-মহাসচিব, শ্রীলঙ্কা

তথ্যসূত্র

  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Official Bio নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  2. news.php?News-ID=25001&issue=185&nav id=11 দৈনিক যায়যায়দিন
  3. "Ban Ki-moon wins second-term as UN Secretary General". BBC News. 21 June 2011.
  4. Warren Hoge (২০০৬-০৯-২৯)। "South Korean Favored to Win Top Job at U.N."। The New York Times