বাধ্যতামূলক পরজীবী
বাধ্যতামূলক পরজীবী বা হলোপ্যারাসাইট হলো এক ধরনের পরজীবী জীব যা একটি উপযুক্ত পোষক ছাড়া তার জীবনচক্র সম্পূর্ণ করতে পারে না। যদি একটি বাধ্যতামূলক পরজীবী পোষক পেতে ব্যর্থ হয় তবে এটি বংশবৃদ্ধি করতেও ব্যর্থ হবে।
এটি ফ্যাকাল্টেটিভ প্যারাসাইটের বিপরীতধর্মী; ফ্যাকাল্টেটিভ প্যারাসাইটও পরজীবীর মতো আচরণ করতে পারে কিন্তু জীবনচক্র সম্পূর্ণ করতে এটি বাধ্যতামূলক পরজীবীর মতো তার পোষকের উপর নির্ভর করে না। বাধ্যতামূলক পরজীবীরা তাদের পোষাককে শোষণ করার জন্য বিভিন্ন পরজীবীয় কৌশল উদ্ভাবন করেছে। হলোপ্যারাসাইট এবং কিছু কিছু হেমিপ্যারাসাইট বাধ্যতামূলক পরজীবীর উদাহরণ। পরজীবীরা তাদের পোষককে ততক্ষন পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখে যতক্ষণ এর থেকে তারা পুষ্টি আহরণ করে। কিন্তু পরজীবী এক পোষক থেকে অন্য পোষকে গমন করলে তার পূর্ববর্তী পোষকের মৃত্যু ঘটে।[১]
প্রজাতি
[সম্পাদনা]বিভিন্ন ধরনের জীবের মধ্যে বাধ্যতামূলক পরজীবিতা লক্ষ করা যায় যেমন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, গাছপালা এবং প্রাণী।[২] নিজেদের বিকাশ ঘটানোর জন্য পরজীবীদের অন্তত একটি পরজীবীয় স্তরের মধ্য দিয়ে যেতে হয় যা তাদের জীবনচক্র সম্পূর্ণ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ভাইরাসকে জীবন্ত প্রাণী মনে করা হোক বা না হোক, এরা জীব কোষের উপাদান ছাড়া পুনরুৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে না। তদনুসারে, এগুলিকে বাধ্যতামূলক অন্তঃকোষীয় পরজীবী হিসাবে বিবেচনা করা যথোপযুক্ত এবং নিয়মানুগ হবে।
ভেস্পিডে পরিবারের মধ্যে, ভেস্পুলা অস্ট্রিয়াকা একটি বাধ্যতামূলক পুনরুৎপাদী পরজীবীর উদাহরণ, এর সাধারণ পোষক হলো ভেস্পুলা অ্যাকাডিকা।[৩] আর বম্বাস গণের মধ্যে বি.বোহেমিকাস হলো বি.লোকুরাম, বি.ক্রিপ্টারাম এবং বি.টেরেস্ট্রিসের একটি বাধ্যতামূলক পরজীবী।[৪]
পোষক-পরজীবী মিথস্ক্রিয়া
[সম্পাদনা]জীবনচক্র
[সম্পাদনা]একটি সম্পূর্ণ পরজীবী জীবনচক্রে অন্তত একটি পোষক শোষিত হয়ে থাকে। যে পরজীবীগুলি একটিমাত্র প্রজাতিকে সংক্রমিত করে তাদের জীবনচক্র সরল।[৫] যেমন বক্রকৃমির প্রজাতি নেকেটর অ্যামেরিকানাস। অন্যদিকে যে পরজীবীগুলি একাধিক পোষককে সংক্রমিত করে তাদের একটি জটিল বা অসরল জীবনচক্র রয়েছে।[৫] যেমন ম্যালেরিয়া প্লাজমোডিয়াম।
অন্তর্বর্তী ও চূড়ান্ত পোষক
[সম্পাদনা]একটি অন্তর্বর্তী বা গৌণ পোষক শুধুমাত্র একটি সংক্ষিপ্ত রূপান্তর পর্যায় ধরে পরজীবী দ্বারা শোষিত হয়। অন্যদিকে একটি চূড়ান্ত বা মুখ্য পোষক পরজীবী দ্বারা শোষিত হয় এবং এটিই একমাত্র স্থান যেখানে পরজীবী পরিপক্বতা লাভ করতে পারে এবং সম্ভব হলে যৌন প্রজননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, রিবেরোয়া অনডাট্রে তার প্রথম অন্তর্বর্তী পোষক হিসাবে র্যামশর্ন শামুক, দ্বিতীয় অন্তর্বর্তী পোষক হিসাবে উভচর প্রাণী ও মাছ এবং চূড়ান্ত পোষক হিসাবে পাখিদের ব্যবহার করে।[৬]
পরজীবিতার স্থায়িত্ব
[সম্পাদনা]জরুরী নয় যে বাধ্যতামূলক পরজীবী সব সময় পরজীবীর মতো আচরণ করবে। একটি পরজীবী যখন স্থায়ী হয়, তখন আক্রান্ত ব্যক্তির পোষক স্পটে (যে স্থানে পরজীবী জন্ম নেয় ও অবস্থান করে) এর বেশ কয়েকটি প্রজন্ম ঘটে। মাথার উকুন এর একটি উদাহরণ। আর অস্থায়ী পরজীবী হলো এমন জীব যাদের পরজীবী জীবনধারার বিকাশ একটি থেকে কয়েকটি পর্যায়ে সীমাবদ্ধ।[২] এর একটি উদাহরণ হলো হার্ভেস্ট মাইটের লার্ভা পর্যায়, যেখানে এর পূর্ণবয়স্ক পর্যায়টি সাধারণ প্রাণীর মত হয়।
পরজীবীর অবস্থান
[সম্পাদনা]পরজীবী পোষক এক্টোপ্যারাসাইটের বাইরে বাস করতে পারে। যেমন একটি টিক। বিকল্পভাবে, পরজীবী পোষক এন্ডোপ্যারাসাইটের মধ্যেও বাস করতে পারে। যেমন ফ্লুক। যে বাধ্যতামূলক পরজীবী সরাসরি পোষকের মধ্যে বা তার উপরে বাস করে না, যেমন একটি কোকিল, অনাত্মীয়দের (কোকিল এর ক্ষেত্রে কাক) দ্বারা যেটা ডিম ফুটে বের হয় এবং লালিত হয়, তাকে বাসা পরজীবী বলে।
আক্রমণের কৌশল
[সম্পাদনা]একটি সক্ষম পোষককে সফলভাবে সংক্রমিত করার জন্য, বাধ্যতামূলক পরজীবীদের পোষকের মধ্যে প্রবেশের আগে, প্রবেশের সময় এবং পরে প্রতিরোধ ব্যবস্থা এড়াতে হবে।[৭] বাধ্যতামূলক পরজীবীর প্রকারের বিস্তৃত পরিসরের কারণে, কোনো একটি সাধারণ আক্রমণ কৌশল সনাক্ত করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। অন্তঃকোষীয় পরজীবীগুলি কোষ আক্রমণ করতে এবং কোষীয় সংকেত পথগুলিকে ধ্বংস করতে বিভিন্নরকম কৌশল ব্যবহার করে। বেশিরভাগ ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসগুলি নিষ্ক্রিয় পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে, যেখানে তারা পরিবাহিত হওয়ার জন্য পোষক কোষের উপর নির্ভরশীল। আবার এপিকম্প্লেক্স্যানরা সক্রিয় প্রবেশ পদ্ধতির সঙ্গে জড়িত।[৮] বাধ্যতামূলকমূলক বোলতা পরজীবী, পলিস্টেস অ্যাট্রিম্যান্ডিবুলারিস, নিজেদের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যের রূপান্তর ঘটিয়ে পোষকের রূপ ধারণ করে তাদের দলে অনুপ্রবেশ করে।[৯] এটি পোষক বোলতাদের পরজীবীটিকে তাদের নিজস্ব দলের বলে মনে করতে প্ররোচিত করে।
প্রতিরক্ষা ফাঁকি
[সম্পাদনা]বেশ কয়েকটি বাধ্যতামূলক অন্তঃকোষীয় পরজীবী তাদের পোষকের কোষীয় প্রতিরক্ষা এড়ানোর প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করেছে, এছাড়াও এদের রয়েছে স্বতন্ত্র কোষীয় অংশে বেঁচে থাকার ক্ষমতা।[১০] প্যাথোজেনের প্রতিলিপিকরন এবং বিস্তার হ্রাস করার প্রচেষ্টায় পোষক যে প্রক্রিয়াগুলি ব্যবহার করে তার মধ্যে একটি হলো কোষপতন (পরিকল্পিত কোষ-ধ্বংস)। কিছু বাধ্যতামূলক পরজীবী এই ঘটনাকে দমন করার উপায় তৈরি করেছে। উদাহরণ টক্সোপ্লাজমা গন্ডি। যদিও প্রক্রিয়াটি এখনও পুরোপুরিভাবে বোঝা যায়নি।[১১]
পোষক-আচরণ পরিবর্তন
[সম্পাদনা]বাধ্যতামূলক পরজীবীর সংক্রমণের পরে পোষক-আচরণের পরিবর্তন অত্যন্ত সাধারণ বিষয়।[১২] আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করা যায় এবং যদি এর এই জটিল আচরণ থেকে বোঝা যায় যে এই আচরণটি পরজীবীর বিস্তারের জন্য অনুকূল হবে, তবে একে অভিযোজিত নিয়ন্ত্রণের একটি উদাহরণ বলে মনে করা হয়।[১৩] তবে, পরজীবী সংক্রমণের পক্ষপাতী একটি নির্বাচনমূলক পদ্ধতির ফলস্বরূপ এই আচরণের যে পরিবর্তন হয় তা প্রদর্শন করা কঠিন।[১৪] মনে করা হয় যে এই পরিবর্তনগুলি সংক্রমণের একটি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে।[১৫] বেশিরভাগ আচরণের পরিবর্তনকেই, পোষক অথবা পরজীবী একটাকেও ফিটনেস (প্রজনন করার সক্ষমতা) লাভের দিকে প্ররোচিত করতে দেখা যায় নি।[১২] এরকম আচরণের একটি উদাহরণ হলো টক্সোপ্লাজমা গন্ডির সংক্রমণের পর বিড়ালের প্রস্রাবের প্রতি ইঁদুরের আকর্ষণ।[১৬] যাইহোক, পোষক আচরণের পরিবর্তন বর্ণনা করার জন্য কখনও কখনও "জনপ্রিয় মিডিয়া এবং বৈজ্ঞানিক সাহিত্যে" ব্যবহৃত "নৃতাত্ত্বিকতা ও বৈজ্ঞানিক রূপক" কে "আকর্ষণীয় হলেও বিভ্রান্তিকর" বলা হয়েছে।[১৭]
বর্ধিত ফেনোটাইপ
[সম্পাদনা]কিছু কিছু ক্ষেত্রে কোনও জীবের মধ্যে আমরা যে আচরণ দেখি তা তাদের জিনের অভিব্যক্তির কারণে নয়, বরং ওই পরজীবীর জিনের কারণে হয় যার দ্বারা সে সংক্রামিত হয়েছে। এই আচরণটি একটি বর্ধিত ফেনোটাইপ।[১৩]
পোষক-আচরণ পরিবর্তনক্ষমতার বিবর্তন
[সম্পাদনা]পরজীবীদের দ্বারা পোষক আচরণের পরিবর্তন ঘটার জন্য তিনটি প্রধান বিবর্তনীয় পথ রয়েছে। প্রথমটি হলো পরজীবী পরিচালিত পরিবর্তন, অন্যদিকে দ্বিতীয় এবং তৃতীয়টি হলো পোষক পরিচালিত পরিবর্তন।
- ম্যানিপুলেশন সেন্সু স্ট্রিক্টো (পরজীবী সংক্রামিত পোষক দ্বারা প্রদর্শিত একটি বর্ধিত ফেনোটাইপ ধরনের ঘৃণ্য আচরণ যা পরজীবীর জিনের অভিব্যক্তির ফল) এই ক্ষমতাটি একই বৈশিষ্টসম্পন্ন একটি পূর্বপুরুষ পরজীবীর স্বাভাবিক নির্বাচনের ফল হতে পারে।[১৮]
- মাফিয়াদের মতো কৌশল হলো অবাধ্যতার শাস্তিমূলক এক ব্যবস্থা (যেমন.গ্রেট স্পটেড কোকিল এবং দোয়েল)। যে দোয়েল গুলো নিজের বাসা থেকে কোকিলের ডিম ফেলে দেয় তাদের কোকিলের শিকার হওয়ার হার অন্য দোয়েল গুলোর তুলনায় অনেক বেশি।[১৮]
- ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিক্রিয়াগুলির ব্যবহার পোষক ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিক্রিয়াগুলিকে প্ররোচিত করে কারণ এগুলি আংশিকভাবে হলেও পরজীবীর সংক্রমণ পথের সাথে মেলে। যেমন যৌনবাহিত এক্টোপ্যারাসাইট ক্রাইসোমেলোবিয়া ল্যাবিডোমেরা পাতার বিটল পোষককে পরজীবী করে তোলে। ল্যাবিডোমেরা ক্লিভিকোলিস সংক্রামিত পুরুষদের মধ্যে যৌনতা বৃদ্ধি পায় এবং ফলস্বরূপ আন্তঃ এবং অন্তঃ-যৌন যোগাযোগ (সঙ্গম এবং প্রতিযোগিতা) বৃদ্ধি পায় যা পরজীবী সংক্রমণের জন্য আরও সুযোগ তৈরি করে।[১৯]
বলা হয় যে বর্ধিত ফেনোটাইপ আচরণগুলি অভিযোজিত নয় বরং এক্সাপ্টেটিভ।[২০] যদিও পরজীবী জীবের জন্য এগুলি উপকারী হতে পারে, তবে এই উপকারের উদ্দেশ্যে এগুলির উদ্ভব হয়নি।[১৯]
বাসা পরজীবীর পরজীবীয় অভ্যাস
[সম্পাদনা]কাউবার্ড এবং কোকিলের বাচ্চাদের লালন-পালনের জন্য প্যাসেরিনদের বাসা এবং পিতৃ-মাতৃসূচক যত্নের প্রয়োজন হয়। এই ধরনের জীবরা বাসা পরজীবী নামে পরিচিত। পরজীবী পাখির প্রজাতি পোষক প্রজাতির ডিমের ধরণ এবং রঙ অনুকরণ করে, যা ডিম নিরাকরণ হ্রাস করে।[২১] কিছু প্রজাতির বাচ্চারা অন্তত চারটি পোষক পাখির বাচ্চার ডাক নকল করে পোষক পাখির আচরণ পরিবর্তন করতে পারে।[২২] পোষক প্রজাতির অনুকরণ পেপার ওয়াসপের প্রজাতি পোলিস্টস সেমেনোয়ি ও পোলিস্টস সালসিফার এবং বাম্বলবির প্রজাতি বম্বাস বোহেমিকাসেও ঘটতে দেখা যায় পরজীবীটি তার কিউটিকুলার হাইড্রোকার্বন, প্রজাতি-এবং দল-নির্দিষ্ট সনাক্তকারী রাসায়নিকের অনুপাত পরিবর্তন করে দখল করা পোষক প্রজাতির সাথে মিশে যায়।[৪][৯][২৩]
বেশ কয়েকটি প্রজাপতির প্রজাতিও বাসা পরজীবীর মত আচরণ করে। একটি উদাহরণ হল নিফান্ডা ফুস্কা, একটি প্রজাপতি যা কিউটিকুলার হাইড্রোকার্বন (সি.এইচ.সি) নির্গত করে তার পোষক পিঁপড়া, সি.জাপোনিকাসকে বিভ্রান্ত করে যার ফলে লার্ভাটিকে তারা নিজের মনে করে এবং বাসায় নিয়ে যায়। পিঁপড়ারা তারপর প্রজাপতির লার্ভাকে লালন করবে, মুখে করে খাবার এনে খাওয়াবে, যতক্ষণ না এটি পিউপাতে পরিণত হয়।[২৪]
মনে করা হয় যে এই অনুকরণ দুটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিবর্তিত হয়েছেঃ হয় বাসা পরজীবীর বিরুদ্ধে পোষক প্রতিরক্ষার সহ-বিবর্তনীয় প্রতিক্রিয়া হিসাবে বা পূর্ব-বিদ্যমান পোষক প্রভিশনিং কৌশলগুলি সংশোধন করে।[২৫] পিতামাতার সংস্থানের (মুখে করে নিয়ে আসা খাবার) জন্য পরজীবী এবং পোষকের শিশুদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ওই সংকেতটিকে অতিরঞ্জিত করতে পারে যা সবচেয়ে কার্যকরভাবে পোষক পিতামাতাকে এক্সপ্লয়েট (নিজের স্বার্থ বা লাভের জন্য ব্যবহার করা) করে।[২৬] পরজীবী শিশুরা পোষকের শিশুদের তুলনায় অধিক মাত্রায় অতিরঞ্জিত সংকেত সৃষ্টিকারী হিসেবে নির্বাচিত হতে পারে, কারণ তারা বাসার অন্যান্য ছানাগুলির সাথে সম্পর্কিত নয় এবং তাই তাদের প্রতি স্বার্থপর আচরণ করা হয়ে থাকে।[২৭]
বাধ্যতামূলক পরজীবীবাদের বিবর্তন
[সম্পাদনা]বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানের বর্তমান তত্ত্ব ইঙ্গিত দেয় যে পোষক-পরজীবী সম্পর্ক গুরুতর রোগের ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থার দিকে বিকশিত হতে পারে।[২৮] এটি প্রচলিত বিশ্বাসের থেকে পৃথক যে পোষক এবং পরজীবী উভয়ের জন্যই সামঞ্জস্যবাদ আদর্শ ভারসাম্য।[১]
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 Combes, Claude (১ জানুয়ারি ১৯৯৭)। "Fitness of parasites: Pathology and selection"। International Journal for Parasitology। ২৭ (1): ১–১০। ডিওআই:10.1016/s0020-7519(96)00168-3। আইএসএসএন 0020-7519।
- 1 2 Balashov, Yu. S. (২৬ জানুয়ারি ২০১২)। "Parasitism and ecological parasitology"। Entomological Review। ৯১ (9): ১২১৬–১২২৩। ডিওআই:10.1134/s001387381109017x। আইএসএসএন 0013-8738।
- ↑ Reed, Hal C.; Akre, Roger D. (১ জুলাই ১৯৮৩)। "Nesting Biology of a Forest Yellowjacket Vespula acadica (Sladen) (Hymenoptera: Vespidae), in the Pacific Northwest1"। Annals of the Entomological Society of America। ৭৬ (4): ৫৮২–৫৯০। ডিওআই:10.1093/aesa/76.4.582। আইএসএসএন 1938-2901।
- 1 2 Kreuter, Kirsten; Bunk, Elfi; Lückemeyer, Anna; Twele, Robert; Francke, Wittko; Ayasse, Manfred (২৩ নভেম্বর ২০১১)। "How the social parasitic bumblebee Bombus bohemicus sneaks into power of reproduction"। Behavioral Ecology and Sociobiology (ইংরেজি ভাষায়)। ৬৬ (3): ৪৭৫–৪৮৬। ডিওআই:10.1007/s00265-011-1294-z। আইএসএসএন 0340-5443।
- 1 2 May, Robert M.; Anderson, Roy M. (১ আগস্ট ১৯৭৯)। "Population biology of infectious diseases: Part II"। Nature। ২৮০ (5722): ৪৫৫–৪৬১। ডিওআই:10.1038/280455a0। আইএসএসএন 0028-0836।
- ↑ Goodman, Brett A.; Johnson, Pieter T. J. (২৫ মে ২০১১)। "Disease and the Extended Phenotype: Parasites Control Host Performance and Survival through Induced Changes in Body Plan"। PLoS ONE। ৬ (5): e২০১৯৩। ডিওআই:10.1371/journal.pone.0020193। আইএসএসএন 1932-6203।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পতাকাভুক্ত নয় এমন বিনামূল্যে ডিওআই (লিঙ্ক) - ↑ Hall, B. Fenton; Joiner, Keith A. (১৯৯১)। "Strategies of obligate intracellular parasites for evading host defences"। Immunology Today (ইংরেজি ভাষায়)। ১২ (3): A২২ – A২৭। ডিওআই:10.1016/S0167-5699(05)80007-6।
- ↑ Sibley, L. D. (৯ এপ্রিল ২০০৪)। "Intracellular Parasite Invasion Strategies"। Science। ৩০৪ (5668): ২৪৮–২৫৩। ডিওআই:10.1126/science.1094717। আইএসএসএন 0036-8075।
- 1 2 Signorotti, Lisa; Cappa, Federico; d’Ettorre, Patrizia; Cervo, Rita (৭ মে ২০১৪)। "Novel Insights into the Ontogeny of Nestmate Recognition in Polistes Social Wasps"। PLoS ONE। ৯ (5): e৯৭০২৪। ডিওআই:10.1371/journal.pone.0097024। আইএসএসএন 1932-6203।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পতাকাভুক্ত নয় এমন বিনামূল্যে ডিওআই (লিঙ্ক) - ↑ Hackstadt, Ted (ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮)। "The diverse habitats of obligate intracellular parasites"। Current Opinion in Microbiology। ১ (1): ৮২–৮৭। ডিওআই:10.1016/s1369-5274(98)80146-x। আইএসএসএন 1369-5274।
- ↑ Laliberté, J.; Carruthers, V. B. (১০ মার্চ ২০০৮)। "Host cell manipulation by the human pathogen Toxoplasma gondii"। Cellular and Molecular Life Sciences। ৬৫ (12): ১৯০০–১৯১৫। ডিওআই:10.1007/s00018-008-7556-x। আইএসএসএন 1420-682X।
- 1 2 Poulin, Robert (ডিসেম্বর ১৯৯৫)। ""Adaptive" changes in the behaviour of parasitized animals: A critical review"। International Journal for Parasitology। ২৫ (12): ১৩৭১–১৩৮৩। ডিওআই:10.1016/0020-7519(95)00100-x। আইএসএসএন 0020-7519।
- 1 2 Hughes, David (১ জানুয়ারি ২০১৩)। "Pathways to understanding the extended phenotype of parasites in their hosts"। Journal of Experimental Biology। ২১৬ (1): ১৪২–১৪৭। ডিওআই:10.1242/jeb.077461। আইএসএসএন 1477-9145।
- ↑ Combes, Claude (অক্টোবর ১৯৯১)। "Ethological Aspects of Parasite Transmission"। The American Naturalist। ১৩৮ (4): ৮৬৬–৮৮০। ডিওআই:10.1086/285257। আইএসএসএন 0003-0147।
- ↑ McNair D. M. & Timmons E. H. 1977. Effects of Aspiculuris tetraptera and Syphacia obvelata on exploratory behaviour of an inbred mouse strain. Laboratory Animal Science 27:38–42.
- ↑ Berdoy, M.; Webster, J. P.; Macdonald, D. W. (৭ আগস্ট ২০০০)। "Fatal attraction in rats infected withToxoplasma gondii"। Proceedings of the Royal Society of London. Series B: Biological Sciences। ২৬৭ (1452): ১৫৯১–১৫৯৪। ডিওআই:10.1098/rspb.2000.1182। আইএসএসএন 0962-8452।
- ↑ Doherty, Jean-François (১৪ অক্টোবর ২০২০)। "When fiction becomes fact: exaggerating host manipulation by parasites"। Proceedings of the Royal Society B: Biological Sciences (ইংরেজি ভাষায়)। ২৮৭ (1936): ২০২০১০৮১। ডিওআই:10.1098/rspb.2020.1081। আইএসএসএন 0962-8452।
- 1 2 Adamo, Shelley A. (৭ জুন ২০১২)। The strings of the puppet master: how parasites change host behavior। Oxford University Press। পৃ. ৩৬–৫১।
- 1 2 Abbot, Patrick; Dill, Larry M. (১৫ এপ্রিল ২০০৩)। "Sexually transmitted parasites and sexual selection in the milkweed leaf beetle, Labidomera clivicollis"। Oikos। ৯২ (1): ৯১–১০০। ডিওআই:10.1034/j.1600-0706.2001.920111.x। আইএসএসএন 0030-1299।
- ↑ Gould, Stephen Jay; Vrba, Elisabeth S. (১৯৮২)। "Exaptation—a Missing Term in the Science of Form"। Paleobiology। ৮ (1): ৪–১৫। ডিওআই:10.1017/s0094837300004310। আইএসএসএন 0094-8373।
- ↑ May, Robert M.; Robinson, Scott K. (অক্টোবর ১৯৮৫)। "Population Dynamics of Avian Brood Parasitism"। The American Naturalist। ১২৬ (4): ৪৭৫–৪৯৪। ডিওআই:10.1086/284433। আইএসএসএন 0003-0147।
- ↑ KILNER, R.M.; DAVIES, N.B. (অক্টোবর ১৯৯৯)। "How selfish is a cuckoo chick?"। Animal Behaviour। ৫৮ (4): ৭৯৭–৮০৮। ডিওআই:10.1006/anbe.1999.1197। আইএসএসএন 0003-3472।
- ↑ Sledge, Matthew F.; Dani, Francesca R.; Cervo, Rita; Dapporto, Leonardo; Turillazzi, Stefano (৭ নভেম্বর ২০০১)। "Recognition of social parasites as nest-mates: adoption of colony-specific host cuticular odours by the paper wasp parasitePolistes sulcifer"। Proceedings of the Royal Society of London. Series B: Biological Sciences। ২৬৮ (1482): ২২৫৩–২২৬০। ডিওআই:10.1098/rspb.2001.1799। আইএসএসএন 0962-8452।
- ↑ Hojo, Masaru K; Wada-Katsumata, Ayako; Akino, Toshiharu; Yamaguchi, Susumu; Ozaki, Mamiko; Yamaoka, Ryohei (৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯)। "Chemical disguise as particular caste of host ants in the ant inquiline parasite Niphanda fusca (Lepidoptera: Lycaenidae)"। Proceedings of the Royal Society B: Biological Sciences (ইংরেজি ভাষায়)। ২৭৬ (1656): ৫৫১–৫৫৮। ডিওআই:10.1098/rspb.2008.1064। আইএসএসএন 0962-8452।
- ↑ Langmore, Naomi E.; Spottiswoode, Claire N. (৭ জুন ২০১২)। Visual trickery in avian brood parasites। Oxford University Press। পৃ. ৯৫–১১৫।
- ↑ Hauber, Mark E.; Kilner, Rebecca M. (২১ নভেম্বর ২০০৬)। "Coevolution, communication, and host chick mimicry in parasitic finches: who mimics whom?"। Behavioral Ecology and Sociobiology। ৬১ (4): ৪৯৭–৫০৩। ডিওআই:10.1007/s00265-006-0291-0। আইএসএসএন 0340-5443।
- ↑ Lichtenstein, Gabriela (ফেব্রুয়ারি ২০০১)। "Low success of shiny cowbird chicks parasitizing rufous-bellied thrushes: chick–chick competition or parental discrimination?"। Animal Behaviour। ৬১ (2): ৪০১–৪১৩। ডিওআই:10.1006/anbe.2000.1595। আইএসএসএন 0003-3472।
- ↑ Ewald, P W (নভেম্বর ১৯৮৩)। "Host-Parasite Relations, Vectors, and the Evolution of Disease Severity"। Annual Review of Ecology and Systematics। ১৪ (1): ৪৬৫–৪৮৫। ডিওআই:10.1146/annurev.es.14.110183.002341। আইএসএসএন 0066-4162।