বিষয়বস্তুতে চলুন

বাংলাদেশে দুর্নীতি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ এবং দেশ, একটি প্রতীকী চিত্র, যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সম্পদ, দুর্নীতি এবং পুলিশের উপর ভিত্তি করে

বাংলাদেশে দুর্নীতি হলো দেশটির একটি চলমান সমস্যা, এছাড়াও দেশটি ২০০৫ সালে বিএনপি সরকারের সময়কালে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃক প্রকাশিত তালিকায় পৃথিবীর তৎকালীন সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে স্থান লাভ করে।

২০১১[১] এবং ২০১২ সালে[২] দেশটি তালিকার অবস্থানে যথাক্রমে ১২০ এবং ১৪৪ তম স্থান লাভ করে, যেখানে কোন দেশ নম্বরের দিক থেকে যত উপরের দিকে যাবে ততই বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে গণ্য হবে।

ভোগবাদী মানসিকতা এবং অনেক ক্ষেত্রে অভাব দুর্নীতির পেছনে দায়ী। তবে বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট দেখলে বোঝা যায় ভোগবাদী মানসিকতাই দায়ী। বাংলাদেশে বর্তমানে সব শ্রেণির ব্যক্তিরাই ঘুস গ্রহণ করে থাকে। তবে উচ্চ পর্যায়ের কর্তারা মূলত তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করতে গিয়ে ঘুস গ্রহণকে তাদের অভ্যাসে পরিণত করে। মধ্যবিত্তরা ও নিম্নবিত্তরাও তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ঘুস গ্রহণ করে থাকে। দেখা যায় যে প্রতি ক্ষেত্রেই মানুষ ঘুস খেয়ে থাকে।

দুর্নীতির কারণসমূহ

[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে বিভক্ত হওয়ার পর, বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি বেসামরিক ও সামরিক সরকারের দ্বারা শাসিত হয়েছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনকে ঘিরে দাঙ্গার ফলে শত শত লোক মারা যায় এবং ফ্রিডম হাউস দেশের "রাজনৈতিক অধিকারের" রেটিং ৩ থেকে ৪ এ পরিবর্তন করে (রেটিং ১ হলে অবস্থা ভালো এবং ৭-এর বেশি হলে খারাপ)। অত্যন্ত মারাত্মক রাজনৈতিক সহিংসতার আধুনিক ইতিহাসে এটি ছিল শুধুমাত্র একটি ঘটনা।[৩]

বিশ্বব্যাপী আইনের শাসনের সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ২০১১ সালে ২৮.৬ (০-১০০ স্কেলে) থেকে ২০১৩ সালে ২২.৭-এ নেমে আসে। বাংলাদেশে দুর্নীতির প্রধান কারণ হিসেবে এ আইনের শাসন না থাকা ও দুর্নীতিবাজদের বিচার না হওয়াকে দায়ী করা হয়।[৪] এছাড়া নেতিবাচক রাজনৈতিক প্রভাব ও সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে জবাবদিহিতার অভাবকেও বাংলাদেশে দুর্নীতির উল্লেখযোগ্য কারণ হিসেবে দেখা হয়।[৫]

ক্ষেত্র অনুযায়ী দুর্নীতি

[সম্পাদনা]

২০০১ সালের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি খাতজুড়ে ঘুষ, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, অতিরিক্ত তদবির, সেবা প্রদানে বিলম্ব, চুরি ও তছরুপ, দায়িত্বে অবহেলা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক অনিয়ম ব্যাপকভাবে বিস্তৃত ছিল। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, শুল্ক বিভাগ, কর কর্তৃপক্ষ, ব্যাংকিং খাত, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিচার বিভাগ এবং জনসেবামূলক সংস্থাসমূহ অন্তর্ভুক্ত ছিল।[৬][৭]

২০১২ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায় যে, ৯৭% সংসদ সদস্য কোনো না কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। এর মধ্যে ৭৭% স্থানীয় নির্বাচন বোর্ডে নিজেদের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন, ৭৫% ব্যক্তিগত স্বার্থে উন্নয়ন প্রকল্প ব্যবহার করেছেন—যার মধ্যে প্রকল্প বা কর্মসূচি অনুমোদনের বিনিময়ে কমিশন গ্রহণও অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়া ৫৩% প্রত্যক্ষ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন, ৬৯% ক্রয়সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করেছেন এবং ৬২% স্থানীয় নির্বাচনে অযাচিত প্রভাব খাটিয়েছেন।[৩]

বাংলাদেশের ৪৫% মানুষ রাজনৈতিক দলগুলোকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে মনে করেন, আর ৪১% সংসদকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে মনে করেন। জনগণের দৃষ্টিতে কেবল পুলিশ ও বিচার বিভাগই এর চেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর মতে, অনেক রাজনীতিবিদকে প্রকাশ্য অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং রাজনৈতিক দলগুলোও "অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেয়" বলে বিশ্বাস করা হয়। দলগুলো নিয়মিতভাবে সুবিধার বিনিময়ে দলীয় তহবিল ব্যবহার করে অথবা চাঁদাবাজির অর্থ দলীয় উদ্দেশ্যে ব্যয় করে। এছাড়া দলীয় সদস্যদের চাকরি, লাইসেন্স ও সরকারি চুক্তি পাইয়ে দিতে এবং অন্যান্য উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রের অর্থের অপব্যবহার করা হয়। নির্বাচন কমিশনে আর্থিক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিধান থাকা সত্ত্বেও দলীয় অর্থায়ন সম্পর্কে তথ্য অপ্রতুল বা অনুপস্থিত থাকে এবং নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য খুব কম ক্ষেত্রেই শাস্তি দেওয়া হয়। পাশাপাশি সংসদ ও রাজনৈতিক দল উভয়ই ব্যবসায়িক স্বার্থের প্রভাবে পরিচালিত হয়; বর্তমানে ৫৬% সংসদ সদস্য ব্যবসায়ী।[৩]

রাজনীতিবিদ

[সম্পাদনা]

জাতীয় নাগরিক পার্টি

[সম্পাদনা]
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, সাবেক যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়-এর উপদেষ্টা। তার সাবেক সহকারী একান্ত সচিব মো. মোয়াজ্জেম হোসেনকে ২০২৫ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করে।

২১ এপ্রিল ২০২৫ সালে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগে অবৈধ প্রভাব বিস্তার এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)-এর মাধ্যমে পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের জন্য কাগজ ক্রয়ে কমিশনভিত্তিক দুর্নীতির অভিযোগে দলের যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়কারী গাজী সালাহউদ্দিন তানভীর-কে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে।[৮][৯][১০]

১৫ মে ২০২৫ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এনসিপি-এর দুই নেতা—সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মো. মোয়াজ্জেম হোসেন এবং সাবেক পার্সোনাল অফিসার মো. তুহিন ফারাবী-এর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে পৃথক অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক উপদেষ্টা এবং সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া-এর সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রভাব খাটানো, চাঁদাবাজি এবং দরপত্রে কারসাজির অভিযোগ তদন্ত করা হয়। অন্যদিকে, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম-এর সাবেক পার্সোনাল অফিসার তুহিন ফারাবীর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়মের মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করা হয়।

দুদক অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য তুহিন ফারাবীকে ২০ মে ২০২৫ এবং মোয়াজ্জেম হোসেনকে ২২ মে ২০২৫ উপস্থিত হওয়ার জন্য তলব করে।[১১]

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল

[সম্পাদনা]
তারেক রহমান, বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, ২০০১–২০০৬ সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট একটি ডিজিটাল অর্থপাচার মামলায় অভিযুক্ত হন।

২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিস চৌধুরী-এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনে। ২০০৫ সালে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগেও তাকে অভিযুক্ত করা হয়।[১২] এছাড়াও ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকা গ্রেনেড হামলা এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা-য় জড়িত থাকার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে আনা হয়।[১৩] ২১ ডিসেম্বর ২০১৪ সালে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।[১৪] বাংলাদেশ উচ্চ আদালতের নির্দেশে তার সম্পত্তি জব্দ করা হয়।[১৫] ২০০৭ সাল থেকে হারিস চৌধুরী পলাতক রয়েছেন।[১৬]

২২ জুলাই ২০০৭ সালে ওয়াদুদ ভূঁইয়া অবৈধভাবে ১০ লক্ষ মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যের নগদ অর্থ ও সম্পদ অর্জনের দায়ে ২০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।[১৭]

১৬ অক্টোবর ২০০৮ সালে জানা যায় যে, ইন্টারপোল সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম. এম. মোরশেদ খান-এর হংকংয়ের একটি ব্যাংক হিসাবে ১৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা (১৪১.৫ মিলিয়ন টাকা) জমার সন্ধান পায়। ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর তিনি এবং তার ছেলে ফয়সাল মোরশেদ খান দুর্নীতি, সম্পদের তথ্য গোপন, ভূমি দখল এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড-সংক্রান্ত একাধিক মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন। তারা উভয়েই ২০০৭ সাল থেকে পলাতক।[১৮] ৫ জুন ২০১৬ সালে উচ্চ আদালত মোরশেদ খান, তার স্ত্রী এবং তার ছেলের হংকংয়ের ব্যাংক হিসাব জব্দ করার নির্দেশ দেন।[১৯]

৩ নভেম্বর ২০০৮ সালে ফাঁস হওয়া একটি মার্কিন দূতাবাস-এর কূটনৈতিক বার্তায় বলা হয় যে, ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের বিশ্বাস ছিল তারেক রহমান "গুরুতর রাজনৈতিক দুর্নীতির জন্য দায়ী, যা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে"।[২০] ২০১৬ সালে বাংলাদেশের একটি আদালত ২০ কোটি টাকা অর্থপাচারের অর্থপাচার মামলায় তাকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন।[২১] ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত ওই দণ্ডাদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করেন।[২২]

২৪ জুন ২০১১ সালে নিকো রিসোর্সেস, কানাডার ক্যালগেরি-ভিত্তিক একটি তেল ও গ্যাস কোম্পানি, বাংলাদেশের মন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেনকে একটি বিলাসবহুল এসইউভি গাড়ি এবং নিউইয়র্ক ও ক্যালগেরি সফরের মাধ্যমে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ স্বীকার করে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটি ৯.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জরিমানা দিতে সম্মত হয়।[২৩][২৪][২৫]

১৬ আগস্ট ২০১১ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গুলশান থানায় বিএনপি নেতা হাফিজ ইব্রাহিম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ১৭.৫ লাখ মার্কিন ডলার সিঙ্গাপারে অর্থপাচারের অভিযোগে মামলা দায়ের করে।[২৬] ২৩ আগস্ট ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট উচ্চ আদালতের দেওয়া তার খালাসের রায় বাতিল করেন।[২৭]

৪ জুলাই ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন এবং তার ছেলে মীর হেলাল উদ্দিনকে পৃথক দুটি দুর্নীতি মামলায় ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন।[২৮]

১৫ নভেম্বর ২০১৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ কে এম শফিউল ইসলাম লিলনকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর সহযোগী সংগঠন যুবদলের নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল কুপিয়ে হত্যা করেন।[২৯]

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

[সম্পাদনা]

৯ এপ্রিল ২০১২ সালে রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত-এর সহকারী একান্ত সচিব, পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক এবং নিরাপত্তা কমান্ড্যান্ট সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বাসভবনের উদ্দেশ্যে ৭৪ লাখ টাকা ঘুষের অর্থ বহন করছিলেন। এ সময় তাদের গাড়িচালক আজম খান বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।[৩০][৩১]

২০১২ সালে বিশ্বব্যাংক অভিযোগ করে যে, সৈয়দ আবুল হোসেন পদ্মা সেতু দুর্নীতি কেলেঙ্কারি-র ষড়যন্ত্রকারীদের একজন ছিলেন।[৩২] এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ২৩ জুলাই ২০১২ সালে মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।[৩৩]

আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য আবুল হাসান চৌধুরীও এই দুর্নীতির অভিযোগে জড়িত ছিলেন। এছাড়া মুজিবুর রহমান চৌধুরীও এই মামলার একজন অভিযুক্ত ছিলেন। তিনি শেখ হাসিনার ভাতিজা, সংসদ সদস্য এবং একজন ঠিকাদার ছিলেন। এসএনসি-লাভালিন চুক্তি লাভের উদ্দেশ্যে তাকে ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করে।[৩৪][৩৫] পরবর্তীতে ২০১৪ সালের বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-এর আগে শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে তার ভাতিজার সঙ্গে সম্পর্ক অস্বীকার করেন এবং নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বীর পক্ষে প্রচারণা চালান।[৩৬]

২৯ আগস্ট ২০১২ সালে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন জানায় যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী হলমার্ক গ্রুপকে বিতর্কিত ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের ওপর প্রভাব বিস্তার করেছিলেন বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে।[৩৭]

২৪ এপ্রিল ২০১৩ সালে ঢাকার সাভারে অবস্থিত বাণিজ্যিক ভবন রানা প্লাজা কাঠামোগত ত্রুটির কারণে ধসে পড়ে। ভবনটির মালিক ছিলেন সোহেল রানা, যিনি যুবলীগ-এর একজন নেতা ছিলেন।

২৭ এপ্রিল ২০১৪ সালে নারায়ণগঞ্জ সাত খুন সংঘটিত হয়। এ ঘটনার প্রধান পরিকল্পনাকারী নূর হোসেন নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।[৩৮]

১৫ অক্টোবর ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন ৯ বছর বয়সী শাহাদাত হোসেন শৌরাকে গুলি করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন।[৩৯]

১০ এপ্রিল ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ দুর্নীতির মামলায় সাবেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার ১৩ বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখে এবং তার পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে।[৪০][৪১][৪২][৪৩][৪৪][৪৫]

জাতীয় পার্টি (এরশাদ)

[সম্পাদনা]
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, জনতা টাওয়ার মামলায় দণ্ডিত।

বাংলাদেশে "সুগার জাফর" নামে পরিচিত কাজী জাফর আহমেদ বহুমূল্য বিদেশি সহায়তা হিসেবে আসা চিনির চালান আত্মসাতের অভিযোগে আলোচিত হন। ১৯৯৯ সালের নভেম্বরে ঢাকার একটি আদালত দুর্নীতির মামলায় তাকে অনুপস্থিত অবস্থায় ১৫ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।[৪৬][৪৭][৪৮] ২০ নভেম্বর ২০০০ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ জনতা টাওয়ার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন এবং দণ্ডিত হন। এর ফলে তিনি ২০০১ সালের বাংলাদেশ সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষিত হন। এছাড়া মেজর জেনারেল মুহাম্মদ আবুল মনজুর হত্যা মামলারও তিনি প্রধান আসামি ছিলেন।[৪৯][৫০][৫১] ১০ নভেম্বর ২০০২ সালে সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নী নামের একজন খ্যাতনামা মডেলের মরদেহ বুড়িগঙ্গা সেতুর নিচে উদ্ধার করা হয়। পরবর্তী তদন্তে জানা যায়, এ হত্যাকাণ্ডে জাতীয় পার্টির সাবেক ছাত্রনেতা ও সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক অভি জড়িত ছিলেন।[৫২] গোলাম ফারুক অভি পলাতক এবং তিনি কানাডায় আত্মগোপন করে আছেন বলে ধারণা করা হয়।[৫৩]

ছাত্র রাজনীতি

[সম্পাদনা]

সরকার

[সম্পাদনা]

সরকারি সেবা

[সম্পাদনা]

পররাষ্ট্র বিষয়াবলী

[সম্পাদনা]

ভূমি প্রশাসন

[সম্পাদনা]

কর প্রশাসন

[সম্পাদনা]

সরকারি ক্রয়

[সম্পাদনা]

বিচার বিভাগ

[সম্পাদনা]
বিচারকগণ
[সম্পাদনা]
দায়মুক্তি
[সম্পাদনা]
বিচারের রাজনীতি
[সম্পাদনা]
দেওয়ানি মামলা
[সম্পাদনা]

আইন প্রয়োগকারী সংস্থা

[সম্পাদনা]
বাংলাদেশ পুলিশ
[সম্পাদনা]
র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)
[সম্পাদনা]
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
[সম্পাদনা]

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত

[সম্পাদনা]

ব্যাংকিং খাত

[সম্পাদনা]

স্বাস্থ্য খাত

[সম্পাদনা]

ব্যবসায় খাত

[সম্পাদনা]

পরিবহন খাত

[সম্পাদনা]

নিরাপদ সড়ক

[সম্পাদনা]

দুর্নীতির পরিণতি

[সম্পাদনা]

বিশ্বের ১২৯ টি দেশে সমীক্ষার পর জার্মান প্রতিষ্ঠান 'বেরটেলসম্যান স্টিফটুং' তাদের রিপোর্টে বিশ্বের নতুন পাঁচ 'স্বৈরতান্ত্রিক দেশের তালিকায়' বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করে।[৫৪] ২০১৯ সালের ৯ই জানুয়ারি যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) যে প্রতিবেদন প্রকাশ করে সেখানে 'গণতান্ত্রিক' কিংবা 'ত্রুটিপূর্ণ গণতান্ত্রিক' দেশের তালিকায় স্থান পায়নি বাংলাদেশের নাম, যা দেশটির চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টির জানান দেয়।[৫৫] ওয়াশিংটন-ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির মতে, শুধুমাত্র ২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৫০,০০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়ে গেছে।[৫৬] ২০১৯ সালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে আসবাব কেনার ক্ষেত্রে দুর্নীতি ও অনিয়ম করে ১৬৯ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তুলে।[৫৭] যেখানে প্রতিটি বালিশ কিনতে খরচ দেখানো হয়েছে ৫৯৫৭ টাকা, প্রতিটি বালিশ আবাসিক ভবনের খাটে তোলার মজুরি ৭৬০ টাকা, কভারসহ কমফোর্টারের দাম ১৬৮০০ টাকা, এবং বিদেশি বিছানার চাদর কেনা হয়েছে ৫৯৩৬ টাকায়।[৫৮][৫৯] বালিশ কাণ্ডের পর দুর্নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশের একটি হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের একটি পর্দা ৩৭ লাখ টাকায় কেনা নিয়ে আবারো গণমাধ্যম সরব হয়।[৬০] ২০২২ সালের মার্চ মাসের শুরুর দিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায় যে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সয়াবিন তেলের বাড়তি দাম নিয়ে ১৫ দিনে ১০০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।[৬১] এদিকে সিলেটের শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডে (এসএফসিএল) লোহার এক কেজি নাটের দাম কোটি টাকা এবং বল্টুর দাম অর্ধকোটি টাকা দিয়ে কেনা হয়।[৬২] সরকারি অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে এভাবে ক্রয়ের বিষয়টি প্রকাশিত হয়ে গেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়।[৬৩] প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে সিল, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীকে মারধর, ভোটকেন্দ্র দখলসহ সংঘাত আর সহিংসতার মধ্য দিয়ে ২০২১-এ দেশে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভোট অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে চেয়ারম্যান ও মেম্বার পদে মোট ১৩৫৯ জন বিনা ভোটে নির্বাচিত হন৷ বিনা ভোটে নির্বাচিত প্রায় সবাই সরকারি দল আওয়ামী লীগের প্রার্থী৷[৬৪]

দুর্নীতিবিরোধী উদ্যোগ

[সম্পাদনা]

দুর্নীতি দমন কমিশন

[সম্পাদনা]

দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন, নিয়ন্ত্রণ, ও দুর্নীতি প্রতিরোধে গঠিত একটি কমিশন। এটি ২০০৪ সালের ৯ মে মাসের দুর্নীতি দমন আইন অনুসারে কার্যকর হয়েছে। একজন চেয়ারম্যান ও দুজন কমিশনার নিয়ে গঠিত দুর্নীতি দমন কমিশন কার্যালয় ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত। এ সংস্থার লক্ষ্য হচ্ছে দেশে দুর্নীতি ও দুর্নীতিমূলক কাজ প্রতিরোধ করা।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ

[সম্পাদনা]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑
    • "Corruption Perceptions Index 2011"। Transparency International। ২৭ মার্চ ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০১৩।
  2. ↑
  3. 1 2 3 "Bangladesh: Overview of corruption and anti-corruption with a focus on the health sector" (পিডিএফ)। Transparency International।
  4. ↑ "দুর্নীতি বাড়ার কারণ জানালেন ইফতেখারুজ্জামান"। NTV Online (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০২৪।
  5. ↑ "দুর্নীতির নেপথ্যে রাজনীতি"। Jugantor (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০২৪।
  6. ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "Zafarullah-2001" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  7. ↑ Khan, Mohammad Mohabbat (জুলাই ২০০৩)। "State of Governance in Bangladesh"। The Round Table। ৯২ (370)। Taylor & Francis: ৩৯১–৪০৫। ডিওআই:10.1080/0035853032000111116। আইএসএসএন 0035-8533। এস২সিআইডি 154698030।
  8. ↑ "NCP suspends senior leader Tanvir over corruption allegations"। The Daily Observer। ২১ এপ্রিল ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০২৬।
  9. ↑ "NCP's suspended leader Salahuddin Tanvir barred from leaving country"। The Business Standard। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০২৬।
  10. ↑ "NCP leader Tanvir sent to jail over Facebook post"। Dhaka Tribune। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০২৬।
  11. ↑ "ACC summons former APS, PA to 2 advisers, ex-NCP leader"। Dhaka Tribune। ১৫ মে ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০২৬।
  12. ↑ "Deputy speaker blames failure to try policemen's killers for Liton murder, seeks security for MPs"। bdnews24.com। সংগ্রহের তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০১৭।
  13. ↑ "Khaleda's ex-political secretary Harris Chowdhury implicated in Kibria murder"। bdnews24.com। ১৩ নভেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০১৭।
  14. ↑ "Arrest warrants for Harris Chowdhury, BNP mayors in Kibria murder"। bdnews24.com। ২১ ডিসেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০১৭।
  15. ↑ "Court orders impounding of assets of 10 fugitives in explosives case over ex-minister Kibria murder"। bdnews24.com। সংগ্রহের তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০১৭।
  16. ↑ "Absconder Harris Chowdhury hiding along with Khairuzzaman"। Dhaka Times 24। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  17. ↑ "Former Bangladesh lawmaker gets 20 years for graft"। Lanka Business Online (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০১৭।
  18. ↑ "Interpol finds Morshed Khan's Tk 14.15cr stashed in HK bank"। The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ১৬ অক্টোবর ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জানুয়ারি ২০১৭।
  19. ↑ "HC orders freezing of Morshed Khan, his wife and son's Hong Kong bank accounts"। bdnews24.com। ৫ জুন ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জানুয়ারি ২০১৭।
  20. ↑ Shakhawat Liton; Shamim Ashraf (৯ সেপ্টেম্বর ২০১১)। "Tarique symbol of violent politics"। The Daily Star। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩।
  21. ↑ "Bangladesh BNP leader sentenced to jail"। dw.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  22. ↑ "SC stays Tarique's 7-yr jail sentence in money laundering case"। The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  23. ↑ "Niko Resources pleads guilty in Bangladesh bribery case"। The Globe and Mail (কানাডীয় ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  24. ↑ "StAR – Stolen Asset Recovery Initiative – Corruption Cases – Niko Resources Ltd." (ইংরেজি ভাষায়)। World Bank। ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  25. ↑ "RCMP warn of crackdown on execs who bribe to win foreign business" (ইংরেজি ভাষায়)। CBC News। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  26. ↑ "SC stays case against BNP MP Hafiz Ibrahim, wife"। The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ১৬ অক্টোবর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  27. ↑ "SC scraps acquittal of ex-BNP MP Hafiz Ibrahim"। The Daily Observer। ৫ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  28. ↑ "SC scraps Mir Nasir, son's acquittal"। The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ৪ জুলাই ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০১৭।
  29. ↑ "Jubo Dal leader surrenders in RU prof Shafiul murder case"। Dhaka Tribune (ইংরেজি ভাষায়)। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০১৭।
  30. ↑ Majumder, Srabanti (১৩ এপ্রিল ২০১২)। "Slap on the ugly face of corrupt Suranjit"। Weekly Blitz। ২৭ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৩।
  31. ↑ "Tk 74 lakh was going to house of Suranjit"। The Daily Star। ৬ অক্টোবর ২০১২। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৩।
  32. ↑ Khan, Sharier; Azad, M Abul Kalam (১১ জুলাই ২০১৪)। "Failed company to get $0.78b Padma job"। The Daily Star।
  33. ↑ "Zillur accepts Abul Hossain's resignation"। bdnews24। ২৩ আগস্ট ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০১৫।
  34. ↑ "Names should not be disclosed now"। The Daily Star। ২৭ জুন ২০১২।
  35. ↑ "Padma bridge bribe was ready for 6"। The Daily Star। ২১ জুন ২০১২।
  36. ↑ "Hasina: Do not vote for Padma scam accused"। Dhaka Tribune। ২৬ ডিসেম্বর ২০১৩।
  37. ↑ "Adviser's shadow in Hallmark scam"। The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ আগস্ট ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  38. ↑ "Nur Hossain: From trucker's helper to mafia don"। The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ জানুয়ারি ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০১৭।
  39. ↑ "Ruling party lawmaker arrested for shooting 9-year-old in Bangladesh"। The Indian Express (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ অক্টোবর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০১৭।
  40. ↑ "13-yr jail to minister Maya upheld"। banglanews24.com (ইংরেজি ভাষায়)। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  41. ↑ "Court upholds Maya's 13-year jail sentence in corruption case"। Daily Sun। Dhaka। ১০ এপ্রিল ২০১৬। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  42. ↑ "SC upholds minister Maya's jail term"। The Financial Express। Dhaka। ১০ এপ্রিল ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  43. ↑ "SC upholds Maya's jail term"। The Daily Ittefaq (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  44. ↑ "Graft case: 13-yr jail term for Maya remains"। The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ১০ এপ্রিল ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  45. ↑ "Maya's 13-yr jail upheld"। The New Nation (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  46. ↑ "Bangladesh ex-PM in refugee row"। BBC News। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  47. ↑ "Safe haven here for corrupt ex-Bangladeshi PM"। The Sydney Morning Herald। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  48. ↑ "The World Today – Former Bangladeshi PM living in Aust accused of fraud"। Australian Broadcasting Corporation। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  49. ↑ "The murder of Major General Abul Manzur, Bir Uttam"। The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০১৭।
  50. ↑ "New findings on Murder of Major General Manzur"। Prothom Alo। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০১৭।
  51. ↑ "Nasim testifies in Manzur murder case"। bdnews24.com। ২০ অক্টোবর ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০১৭।
  52. ↑ "Ovi finally charged in model Tinni murder case"। bdnews24.com। ২৪ জুলাই ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০১৭।
  53. ↑ "61 Bangladeshis face Interpol 'Red Alert'"। The Daily Observer। ৩০ মে ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০১৭।
  54. ↑ "বিশ্বের নতুন পাঁচ 'স্বৈরতান্ত্রিক দেশের তালিকায়' বাংলাদেশ"। বিবিসি বাংলা। ২৩ মার্চ ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০২২।
  55. ↑ "ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্সের গণতান্ত্রিক দেশের তালিকায় নেই বাংলাদেশ"। বিবিসি বাংলা। ১০ জানুয়ারি ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০২২।
  56. ↑ "অর্থ পাচার: বাংলাদেশ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হলো যেভাবে"। বিবিসি বাংলা। ২৯ জানুয়ারি ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২২।
  57. ↑ "'বালিশ-কাণ্ডে' রূপপুর প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ১৩ জন গ্রেপ্তার"। প্রথম আলো। ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০২২।
  58. ↑ "বালিশ কাণ্ড : ঠিকাদার শাহাদাতের জামিন বাতিল চায় দুদক"। কালের কণ্ঠ। ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০২২।
  59. ↑ "১টি বালিশ ৫৯৫৭ টাকা, ভবনে উঠাতে ৭৬০ টাকা; তদন্ত কমিটি"। নয়া দিগন্ত। ১৯ মে ২০১৯। ২১ এপ্রিল ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০২২।
  60. ↑ "বালিশের পর ৩৭ লাখ টাকার পর্দা নিয়ে আলোচনা, সরকারি কেনা-কাটায় দুর্নীতি হয় কীভাবে?"। বিবিসি বাংলা। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০২২।
  61. ↑ "সয়াবিন তেলের বাড়তি দাম নিয়ে ১৫ দিনে ১০০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে: ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর"। বিবিসি বাংলা। ৯ মার্চ ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০২২।
  62. ↑ "লোহা বা স্টিলের এক কেজি নাটের দাম ১ কোটি টাকা কিনলো শাহজালাল সার কারখানা"। sylnewsbd.com। ২০ মার্চ ২০২২। ২১ এপ্রিল ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০২২।
  63. ↑ "এবার সরকারি সার কারখানায় নাট-বল্টু কাণ্ডে তোলপাড় লোহার এক কেজি নাটের দাম কোটি টাকা, বল্টুর দাম অর্ধকোটি"। দৈনিক ইনকিলাব। ২১ মার্চ ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০২২।
  64. ↑ "বিনা ভোটে পাশ আর সহিংসতার ইউপি নির্বাচন"। ডয়চে ভেলে। ২৬ ডিসেম্বর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০২২।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]