বিষয়বস্তুতে চলুন

বর্ণ কোকসা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

বর্ণ কোকসা
Barilius barna
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: Chordata
উপপর্ব: Vertebrata
মহাশ্রেণী: Osteichthyes
শ্রেণী: Actinopterygii
বর্গ: Cypriniformes
পরিবার: Cyprinidae
গণ: Barilius
প্রজাতি: Barilius barna
দ্বিপদী নাম
Barilius barna
(Hamilton, 1822)
প্রতিশব্দ

Barilius jayarami Barman, 1985[]
Opsarius latipinnatus McClelland, 1839[]
Opsarius acanthopterus McClelland, 1839[]
Leuciscus acanthopterus (McClelland, 1839)[]
Opsarius fasciatus McClelland, 1839[]
Barilius barana (Hamilton, 1822)[]
Leuciscus barna (Hamilton, 1822)[]
Opsarius barna (Hamilton, 1822)[]
Cyprinus barna Hamilton, 1822[]

বর্ণ কোকসা (বৈজ্ঞানিক নাম: Barilius barna) হচ্ছে Cyprinidae পরিবারের Barilius গণের একটি স্বাদুপানির মাছ

বর্ণনা

[সম্পাদনা]

এদের দেহ গভীর ও চাপা। অঙ্কীয়ভাগ পৃষ্ঠীয়ভাগ অপেক্ষায় অধিক উত্তল। মুখ চির মধ্যম মানের। মুখের হা এর আকৃতি মাঝারী ধরনের এবং সামান্য ঊর্ধ্বাভিমুখী। পরিণত অবস্থায় এদের দেহের বর্ণ হালকা সবুজ-রূপালী এবং দেহের উভয় পাশের পার্শ্বরেখা বরাবর ৯-১১টি গাঢ় নীল বা কালচে বর্ণের উলম্ব দাগ পর্যায়ক্রমে দেখতে পাওয়া যায়। পাখনার বর্ণ লালচে। অন্যদিকে পোনার পৃষ্ঠদেশের বর্ণ ধূসর এবং পাখনাগুলো হলুদাভ হয়।[]

বিস্তৃতি

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার, নেপাল অঞ্চলে পাওয়া যায়। এছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মেকং অববাহিকায় এদের দেখা মেলে।[] ঠাকুরগাঁয়ের টাঙ্গন নদীতেও কিছু প্রজাতি পাওয়া গিয়েছে। বাংলাদেশের রংপুর এবং দিনাজপুরের নদীতেও এদের দেখা পাওয়া যায়।

স্বভাব ও আবাস্থল

[সম্পাদনা]

এদের আবাস্থল উষ্ণজলের স্বাদুপানির পাহাড়ি ঝর্ণা ও ও বড় নদী। এই মাছ গর্ত বহুল তলদেশ বিশিষ্ট পরিষ্কার পাহাড়ি জলধারাতে বিদ্যমান। এরা বাস করে পরিষ্কার জলের নুড়ি পাথর সমৃদ্ধ তলদেশ বিশিষ্ট পাহাড়ি ঝর্ণাধারা ও বড় নদীতে।

খাদ্যাভ্যাস

[সম্পাদনা]

এর পানির তলদেশের খাবার খেয়ে থাকে। এরা যেমন তলদেশস্থ অমেরুদণ্ডী প্রাণী খেয়ে থাকে তেমনই জলাশয়ের উপরি স্তরের অমেরুদণ্ডী প্রাণী এমনকি ছোট মাছও খেয়ে থাকে। এদের অনেক সময় উড়ন্ত পতঙ্গ শিকার করেও খেতে দেখা যায়।

অর্থনৈতিক গুরুত্ব

[সম্পাদনা]

ভারতে এই মাছের কোন মৎস্য গুরুত্ব পাওয়া যায়না। নেপালে খাবারের মাছ হিসেবে এর গুরুত্ব রয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাহারি মাছ হিসেবে এর গুরুত্ব রয়েছে।

বাংলাদেশে বর্তমান অবস্থা এবং সংরক্ষণ

[সম্পাদনা]

আইইউসিএন বাংলাদেশ (২০০০) এর লাল তালিকা অনুযায়ী এই প্রজাতিটি সম্পর্কে বাংলাদেশে উপাত্তের অভাবের কথা উল্লেখ করা হয়ে থাকে।[]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Barilius barna"বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা। সংস্করণ 2012.2প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন। 2011। সংগ্রহের তারিখ 24/10/2012 {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |accessdate= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য); অবৈধ |ref=harv (সাহায্য)
  2. 1 2 3 Talwar, P.K. and A.G. Jhingran (1991) Inland fishes of India and adjacent countries. vol 1., A.A. Balkema, Rotterdam. 541 p.
  3. 1 2 3 4 5 6 Menon, A.G.K. (1999) Check list - fresh water fishes of India., Rec. Zool. Surv. India, Misc. Publ., Occas. Pap. No. 175, 366 p.
  4. 1 2 3 এ কে আতাউর রহমান, ফারহানা রুমা (অক্টোবর ২০০৯)। "স্বাদুপানির মাছ"। আহমেদ, জিয়া উদ্দিন; আবু তৈয়ব, আবু আহমদ; হুমায়ুন কবির, সৈয়দ মোহাম্মদ; আহমাদ, মোনাওয়ার (সম্পাদকগণ)। বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ। খণ্ড ২৩ (১ সংস্করণ)। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। পৃ. ৫১। আইএসবিএন ৯৮৪-৩০০০০-০২৮৬-০ {{বই উদ্ধৃতি}}: |আইএসবিন= মান: অবৈধ উপসর্গ পরীক্ষা করুন (সাহায্য)