পূর্ণিমা রানী শীল ধর্ষণ
| পূর্ণিমা রানী শীল ধর্ষণ | |
|---|---|
| ২০০১-এ বাংলাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার অংশ | |
| স্থান | পেরবা দেলুয়া, উল্লাপাড়া উপজেলা, সিরাজগঞ্জ জেলা, বাংলাদেশ |
| তারিখ | ৮ অক্টোবর ২০০১ রাত্রিবেলা (বিএসটি (ইউটিসি+৬)) |
| লক্ষ্য | পূর্ণিমা রানী শীল (হিন্দু সংখ্যালঘু) |
| হামলার ধরন | গণধর্ষণ, ধর্মীয় নিপীড়ন, রাজনৈতিক সহিংসতা |
| ব্যবহৃত অস্ত্র | শারীরিক বলপ্রয়োগ |
| নিহত | ০ |
| আহত | শারীরিক নিগ্রহ, দৃষ্টিশক্তি হানি (আত্মীয়), প্রবল মানসিক আঘাত |
| হামলাকারী দল | বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং জামায়াতে ইসলামীর কর্মীবৃন্দ |
| কারণ | নির্বাচন-পরবর্তী হিন্দুদের ওপর আক্রোশ |
পূর্ণিমা রানী শীল গণধর্ষণ হলো ২০০১ সালের ৮ অক্টোবর সংঘটিত একটি নারকীয় ঘটনা, যেখানে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনের অব্যবহিত পরে দেশজুড়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নেমে আসা নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার তরঙ্গে বাংলাদেশি হিন্দু কিশোরী পূর্ণিমা রানী শীলকে গণধর্ষণ করা হয়। এই আক্রমণটি পরিচালনা করেছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং জামায়াতে ইসলামী জোটের উগ্র সমর্থকরা। যদিও ২০১১ সালে ১১ জন অপরাধীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছিল, তবুও ভুক্তভোগী এবং মানবাধিকার কর্মীদের মতে, বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা এবং শাস্তির অভাব ন্যায়বিচারকে অকার্যকর করে দিয়েছে।
পটভূমি
[সম্পাদনা]২০০১ সালের অক্টোবরে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সাধারণ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এই বিজয় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত ও পদ্ধতিগত আক্রোশ উস্কে দেয়, যাদেরকে পরাজিত আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসেবে অভিযুক্ত করা হতো। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, হিন্দুদের ওপর চরম বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছিল এবং তাদের পৈতৃক ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল; পাশাপাশি ভীতি সঞ্চারের উদ্দেশ্যে হিন্দু নারীদের বিশেষভাবে যৌন সহিংসতার লক্ষ্যবস্তু করা হয়।[১]
সেসময় পূর্ণিমা রানী শীল ছিলেন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার পেরবা দেলুয়া গ্রামের বাসিন্দা, যার বয়স ছিল আনুমানিক ১২ থেকে ১৪ বছর।[২] ২০০১ সালের ১ অক্টোবর নির্বাচনের দিন তিনি নির্বাচনী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।[৩] যখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থীর সমর্থকরা জোরপূর্বক ব্যালট বাক্স পূর্ণ করার অপচেষ্টা চালায়, তখন পূর্ণিমা তার প্রতিবাদ করেন। এই সাহসিকতা ও অবাধ্যতার জেরে ভোটকেন্দ্রে উত্তপ্ত বাদানুবাদের সৃষ্টি হয়।[৪]
আক্রমণ
[সম্পাদনা]নির্বাচনের এক সপ্তাহ পর, ২০০১ সালের ৮ অক্টোবর রাতে, আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ জন পুরুষের এক উন্মত্ত জনতা উল্লাপাড়ায় পূর্ণিমার পৈতৃক বাড়িতে আক্রমণ চালায়।[৫] ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং জামায়াতে ইসলামীর কর্মী হিসেবে চিহ্নিত এই দুর্বৃত্তরা বাড়িঘরে লুটপাট চালায় এবং পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে প্রহার করে। এই হামলার সময় পরিবারের উপার্জনের উৎস সেলুন দুবার লুট করা হয়। পূর্ণিমার মায়ের হাত ভেঙে দেওয়া হয় এবং তার ভাই রাখাল চন্দ্র শীলকে এমনভাবে মারধর করা হয় যে তার চোখের মারাত্মক ক্ষতি হয় এবং শেষ পর্যন্ত তিনি দৃষ্টিশক্তি হারান। তৎকালীন প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই হামলার সময় তার বোনও দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছিলেন।[৬][৪]
পাষণ্ডরা পূর্ণিমাকে তার বাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে নিকটবর্তী শ্মশানঘাট ও সংলগ্ন মাঠে নিয়ে যায়। প্রতিবেশীসহ অন্যান্য প্রত্যক্ষদর্শীরা কুপির আলোয় ঘটনাটি অবলোকন করলেও প্রাণের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস করেননি। সেখানে একাধিক পুরুষ মিলে পূর্ণিমাকে গণধর্ষণ করে যতক্ষণ না তিনি সংজ্ঞা হারান। কয়েক ঘণ্টা পর তাকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীকালে পূর্ণিমা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন যে, তিনি তখন এতটাই ছোট ছিলেন যে "ধর্ষণ কী জিনিস, তা-ও জানতেন না"।[২]
পরবর্তী পরিস্থিতি
[সম্পাদনা]উগ্র ইসলামপন্থী এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আরও নির্যাতনের ভয়ে পূর্ণিমার পরিবার তাদের গ্রাম ত্যাগ করতে বাধ্য হয় এবং আর ফিরে আসতে পারেনি।[৭] তার পিতা, পেশায় একজন নাপিত, তার ব্যবসা হারান এবং মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তাকে অর্থের প্রলোভন দেখানো হয়। তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন যে তিনি অর্থের বিনিময়ে নয়, বরং ন্যায়বিচার চান।[৬]
রাষ্ট্র যখন পূর্ণিমাকে সহায়তা করতে ব্যর্থ হয়, তখন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ওয়াহিদুল হক এবং শাহরিয়ার কবিরের উদ্যোগে তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।[৩]
রাস্তায় চলাচলের সময় পূর্ণিমাকে হয়রানি ও শারীরিক নিগ্রহের শিকার হতে হতো এবং তাকে "ধর্ষিতা মেয়ে" হিসেবে চিহ্নিত করা হতো। পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য পরিচয় গোপন করতে তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে "পূর্ণিমা সরকার" রাখতে বাধ্য হন।[৭] বহু বছর পর, ২০১৩ এবং ২০১৬ সালে, ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে কুরুচিকর ও অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রচার করে অনলাইনে হয়রানি করা হয়, যার ফলে তিনি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে তার চাকরি ছাড়তে বাধ্য হন।[২]
আইনি কার্যক্রম
[সম্পাদনা]তদন্ত ও বিচার
[সম্পাদনা]ঘটনার অল্প কিছুদিন পরেই পূর্ণিমার পিতা অনিল চন্দ্র শীল সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন। তবে তদন্ত প্রক্রিয়াটি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং দীর্ঘসূত্রিতার কবলে পড়ে। ২০০৯ সালে গঠিত একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন পরবর্তীতে দেখতে পায় যে, বিএনপি-জামায়াত সরকারের মন্ত্রীসহ ২৬,০০০-এরও বেশি ব্যক্তি নির্বাচন-পরবর্তী অপরাধের সাথে জড়িত ছিল, অথচ পূর্ণিমার মামলাটি ছিল হাতেগোনা কয়েকটির মধ্যে একটি যা রায়ের মুখ দেখেছিল।[৮]
অবশেষে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরে আসার পর বিচারকার্য শুরু হয়। ২০১১ সালের ৪ মে, সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল গণধর্ষণের দায়ে ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে। আদালত প্রত্যেককে ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করে। রায়ের সময় ছয়জন আসামী কারাগারে ছিল, এবং পাঁচজন পলাতক ছিল।[৯][১০] পূর্ণিমা যুক্তি দিয়েছিলেন যে, অপরাধের জঘন্য প্রকৃতির কারণে অন্তত দুজন আসামী, যারা তার নিজের গ্রামেরই বাসিন্দা ছিল, তাদের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত ছিল।[৪]
পলাতক আসামীদের গ্রেপ্তার
[সম্পাদনা]দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীদের প্রায় সকলেই বছরের পর বছর ধরে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এড়িয়ে চলেছিল। ২০২৪ সালের ১ মে, পুলিশ ইয়াসিন আলী নামক এক পলাতক আসামীকে ঢাকার আশুলিয়া থেকে গ্রেপ্তার করে, যে ২০১১ সালের রায়ের পর থেকে আত্মগোপনে ছিল।[১১]
২০২৫ সালে ধর্ষকদের মুক্তির দাবি
[সম্পাদনা]২০২৪ সালের আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন এবং পরবর্তীতে সহিংসতার মাত্রা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে উল্লাপাড়ায় ১১ জন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর মুক্তির দাবিতে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। আন্দোলনকারীরা দাবি করে যে, মামলাটি "ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের" দ্বারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল এবং তারা পূর্ণিমাকে দেওয়া সকল রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা বাতিলসহ মামলার পুনঃবিচারের দাবি জানায়।[১২]
পরবর্তী জীবন
[সম্পাদনা]পূর্ণিমা তার শিক্ষার জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা লাভ করেন। পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি ঢাকায় সঙ্গীত শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।[১৩] কালক্রমে তিনি যৌন সহিংসতার শিকার নারীদের জন্য একজন সোচ্চার কন্ঠস্বর হয়ে ওঠেন। তিনি 'পূর্ণিমা ফাউন্ডেশন' নামে একটি অলাভজনক সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন যা ধর্ষণ থেকে বেঁচে যাওয়া নারীদের সহায়তা এবং নারীদের প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে।[১৪]
২০১৮ সালে, পূর্ণিমা তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হন। তিনি আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় উপকমিটিরও সদস্য।[১৫] তবে, তারানা হালিমের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পূর্ণিমার চাকরি স্থায়ীকরণ করা হয়নি, ফলে তিনি পুনরায় আর্থিক সংকটের মুখে পড়েন।[১৪] ২০১৯ সালের ১৬ জানুয়ারি, তিনি নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হওয়ার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।[১৬]
পূর্ণিমা প্রকাশ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বের সমালোচনা করেছেন এবং দলটির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে তার দলের শাসনামলে সংঘটিত সহিংসতার জন্য একটি "ব্যাধি" হিসেবে অভিহিত করেছেন।[৫]
সাংস্কৃতিক প্রভাব
[সম্পাদনা]২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সময়, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) "দিদি তুমি আমাদের ভালোবাসো না" শিরোনামে একটি ভিডিওতে পূর্ণিমার ছবি ও কাহিনী প্রদর্শন করে। হিন্দু ভোটারদের আকৃষ্ট করার জন্য প্রচার সামগ্রীটিতে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা হয়।[১৭]
২০১১ সালের রায় সত্ত্বেও, মানবাধিকার কর্মী এবং স্বয়ং পূর্ণিমা বিচারহীনতার সংস্কৃতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তারা উল্লেখ করেছেন যে, একই ধরনের বহু মামলায় অভিযুক্তরা কখনোই শাস্তির মুখোমুখি হয়নি।[৬][৭] পূর্ণিমা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, বিএনপি-জামায়াত জোট পুনরায় ক্ষমতায় এলে ২০০১ সালের সেই বিভীষিকাময় সহিংসতার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে, যা থেকে তিনি কোনোক্রমে প্রাণে বেঁচেছিলেন।[১৮]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Bangladesh: Attacks on members of the Hindu minority"। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল (ইংরেজি ভাষায়)। ১ ডিসেম্বর ২০০১। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 3 "Shamed again in the age of Facebook"। বিবিসি নিউজ (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ অক্টোবর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 "Purnima proves a few points for her and her kind"। দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস (বাংলাদেশ) (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 3 "লজ্জা আমি পাব কেন, লজ্জা তো সমাজের-রাষ্ট্রের"। দৈনিক সমকাল (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ মে ২০১৭। ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 "Tarique Rahman is a disease: Purnima Shil, gang-raped during 2001 post-election violence, says"। ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (English ভাষায়)। ৩০ জুলাই ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - 1 2 3 Vidal, John (২১ জুলাই ২০০৩)। "Rape and torture empties the villages"। দ্য গার্ডিয়ান (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0261-3077। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 3 Jahan, Nilima (১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯)। "A victim no more"। দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ) (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ Rahman, M. (২ ডিসেম্বর ২০১১)। "25 ministers, MPs complicit"। দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ) (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "11 jailed for life for rape of Sirajganj schoolgirl"। দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ) (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ মে ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Eleven sentenced to life for Bangladesh gang rape"। বিবিসি নিউজ (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ৪ মে ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Fugitive life-term convict in gang-raping of Purnima, arrested"। দ্য ডেইলি অবজারভার (বাংলাদেশ)। ১ মে ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Human chain demands release of convicted accused and retrial of the case"। দ্য ডেইলি স্কাই (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১ মার্চ ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Purnima Shil, the 2001 post-election gang-rape victim, buys AL nomination form"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম (ইংরেজি ভাষায়)। ১৬ জানুয়ারি ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 ShowT, Intern (৮ অক্টোবর ২০২১)। "2001 post-poll violence: Purnima is forgotten"। ঢাকা ট্রিবিউন (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Tarana appoints 2001 post-election gangrape victim Purnima as personal officer"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ জানুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Purnima Shil hopes for MP seat"। ঢাকা ট্রিবিউন (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ জানুয়ারি ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ Bhattacharjee, Partha Pratim (১৪ এপ্রিল ২০২১)। "Bangladesh cards rule West Bengal polls"। দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ) (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ Halder, Deep (১৯ আগস্ট ২০২৩)। "Bangladesh gangrape survivor fears 2024 polls. The 2001 election violence changed her life"। দ্য প্রিন্ট (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।