পান্থ রহমান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
পান্থ রহমান
Pantho Rahaman.jpg
জন্ম (1980-09-11) ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৮০ (বয়স ৩৯)
বাসস্থানঢাকা
জাতীয়তাবাংলাদেশী
জাতিসত্তাবাঙালি
নাগরিকত্ব বাংলাদেশ
যেখানের শিক্ষার্থীঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
পেশাসাংবাদিকতা
পরিচিতির কারণসাংবাদিক
অফিসচ্যানেল আই
পুরস্কারজাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পুরস্কার, ২০১৭

পান্থ রহমান (১১ সেপ্টেম্বর ১৯৮০) বাংলাদেশের একজন সাংবাদিক। তথ্যপ্রযুক্তি সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পুরস্কার ২০১৭ পান।[১][২][৩]

জন্ম ও পারিবারিক পরিচয়[সম্পাদনা]

পান্থ রহমানের জন্ম রাজবাড়ী জেলায়। তার বাবার নাম মোহাম্মদ হারুণ অর রশিদ এবং মায়ের নাম তহমিনা রশিদ। একমাত্র বোনের নাম লাবনী আফরোজ।

শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

সেন্ট জেভিয়ার্সে প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলেও পান্থ রহমান মূলত পড়াশোনা শুরু করেন খুলনার এইচআরএইচ আগাখান স্কুলে। সেখানে তিন বছর কাটানোর পর বাবার চাকরী সূত্রে রাজবাড়ী ফিরে আসেন এবং সেখানে বছরের মাঝামাঝি বলে ভর্তি হন রাজারবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। চতুর্থ শ্রেণী থেকে এসএসসি পর্যন্ত রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে (যা স্থানীয় ভাবে রাজবাড়ী জেলা স্কুল নামে পরিচিত) পড়াশোনা করেন তিনি। পরবর্তীতে রাজবাড়ী সরকারী কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনিষ্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলোজি থেকে বিএনসি ইন লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক সম্পন্ন করেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

পান্থ রহমানের অনানুষ্ঠানিক কর্মজীবন শুরু কলেজ জীবন থেকেই। সাপ্তাহিক রোববারের রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি হিসাবে কাজ শুরু করেন তিনি। এরপর বেশ ক’টি দৈনিক পত্রিকায় ফ্রি-ল্যান্সার হিসাবেও কাজ করেন। এছাড়া চলতিপত্র এবং সাপ্তাহিক যায়যায়দিনেও কাজ করেছেন ফিচার লেখক হিসেবে। দৈনিক মুক্তকন্ঠে প্রদায়ক হিসেবে কাজ শুরুর পর দৈনিক প্রথম আলোতে প্রদায়ক হিসাবে কাজ শুরু ফিচার বিভাগে। ফিচার রিপোর্টিংয়ের পাশাপাশি ওই দৈনিকের নিয়মিত বিজ্ঞান সাময়িকী বিজ্ঞান প্রজন্মে লেখক এবং সম্পাদনা সহকারী হিসাবে কাজ করেন তিনি। ১৯৯৮ সালের অক্টোবর থেকেই প্রথম আলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রথম আলোর বিভিন্ন বিভাগে ফিচার রিপোর্টার, সম্পাদনা সহকারী হিসাবে কাজ করা ছাড়াও প্রথম আলোর আয়োজনে গণিত অলিম্পিয়াডের স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রধান হিসাবে কাজ করেছেন পান্থ। ২০০৬ সালে পত্রিকার কাজ বদলে যোগ দেন টেলিভিশন সাংবাদিকতায়। সেই থেকে যুক্ত আছেন চ্যানেল আইতে শুরু করেছিলেন ক্রীড়া সাংবাদিকতার মধ্য দিয়ে। ক্রীড়া সাংবাদিক হিসাবে কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমস, বেইজিং অলিম্পিক, তিন দেশের আয়োজনে ক্রিকেট ওয়ার্ল্ডকাপ এবং দিল্লী কমনওয়েলথ গেমস কাভার করেন তিনি। এরপর একে একে স্বল্প সময়ের জন্য রাজনীতি, অর্থনীতি, বিমান ও পর্যটন, সংস্কৃতি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য, আইন আর অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদকের কাজ করলেও নিয়মিত ভাবে তথ্য-প্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ, পরিবেশ ও নদী বিষয়ক সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত আছেন তিনি। পরবর্তীতে সঙ্গে যুক্ত হন জনপ্রশাসন ও কূটনৈতিক বিষয়ক সাংবাবাদিকতায়। [৪]

সাংবাদিক সংগঠন[সম্পাদনা]

পান্থ রহমান কূটনৈতিক সাংবাদিকদের সংগঠন ডিপ্লোমেটিক করসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিক্যাব) একাধিকবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।[৫] এছাড়া তিনি তথ্যপ্রযুক্তি সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ) সক্রিয় সদস্য।

প্রকাশিত গ্রন্থ[সম্পাদনা]

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পুরস্কার পেলেন তিন সাংবাদিক"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০২-১৩ 
  2. jugantor.com। "তথ্যপ্রযুক্তি সাংবাদিকতায় পুরস্কৃত"jugantor.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০২-১৩ 
  3. "জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পুরস্কার পেলেন তিন সাংবাদিক"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০২-১৩ 
  4. "'জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পুরস্কার' পেল ৯ ব্যক্তি ও ৬ প্রতিষ্ঠান"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০২-১৩ 
  5. "রেজাউল করিম ডিকাব সভাপতি ও পান্থ রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০২-১৪ 
  6. "জাতীয় তথ্যপ্রযুক্তি পুরস্কার পেলেন মুহম্মদ খান"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০২-১৩ 
  7. "জাতীয় তথ্য-প্রযুক্তি দিবসে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরের প্রধান সম্পাদককে বিশেষ সম্মাননা"। ১২ ডিসেম্বর ২০১৭। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]