পণ্ডিতা রমাবাই

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পণ্ডিতা রমাবাই
Pandita Ramabai Sarasvati 1858-1922 front-page-portrait.jpg
পণ্ডিতা রমাবাই সরস্বতী
জন্ম
রমা ডোংরে

(১৮৫৮-০৪-২৩)২৩ এপ্রিল ১৮৫৮
মৃত্যু৫ এপ্রিল ১৯২২(1922-04-05) (বয়স ৬৩)
জাতীয়তাভারতীয়
নাগরিকত্বভারতীয়
পেশাসমাজ সংস্কারক
কর্মজীবন১৮৮৫ - ১৯২২
প্রতিষ্ঠানপণ্ডিতা রমাবাই মুক্তি মিশন, কেদগাঁও
পরিচিতির কারণনিঃস্ব ও অনাথ মেয়েদের মধ্যে সেবা
উল্লেখযোগ্য কর্ম
উচ্চ-বর্ণীয় হিন্দু মহিলা
সন্তানমনোরমা

পণ্ডিতা রমাবাই সরস্বতী (২৩ এপ্রিল ১৮৫৮ - ৫ এপ্রিল ১৯২২) একজন মহিলা অধিকার ও শিক্ষা কর্মী, ভারতের নারীদের শিক্ষা ও মুক্তি দানের অগ্রদূত এবং একজন সমাজ সংস্কারক। তিনি প্রথম নারী যিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পণ্ডিতা এবং সরস্বতী উপাধিতে ভূষিত হন।[১] তিনি ১৮৮৯ সালের কংগ্রেস অধিবেশনে ১০ জন মহিলা প্রতিনিধিদের একজন ছিলেন।[২][৩] ১৮৯০-এর সালের শেষদিকে, তিনি পুনে শহর থেকে চল্লিশ মাইল পূর্বে কেদগাঁও গ্রামে মুক্তি মিশন প্রতিষ্ঠা করেন।[৪][৫] মিশনটির পরে নামকরণ করা হয় পণ্ডিতা রমাবাই মুক্তি মিশন

প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা[সম্পাদনা]

পণ্ডিতা রমাবাই সরস্বতী ১৮৫৮ সালের ২৩ এপ্রিল মারাঠি ভাষী ব্রাহ্মণ পরিবারে রমা ডোংরে হিসাবে জন্মগ্রহণ করেন।[৬] তাঁর বাবা অনন্ত ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত অনন্ত ডোংরে। ১৮৭৬-৭৮ এর মহা দুর্ভিক্ষের সময় ১০ বছর বয়সে অনাথ হয়ে রমাবাই এবং তার ভাই দোংরে সংস্কৃত শিক্ষার জন্য ভারতে ভ্রমণ করেন। প্রভাষক হিসাবে রমাবাইয়ের খ্যাতি কলকাতায় পৌঁছালে, সেখানকার পণ্ডিতেরা তাঁকে বক্তব্য রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানান।[৭] ১৮৭৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় রমাবাইকে সংস্কৃত রচনায় পাণ্ডিত্যের স্বীকৃতি হিসাবে পণ্ডিতা এবং সরস্বতী উপাধিতে ভূষিত করে।[৮] একেশ্বরবাদী সংস্কারক কেশবচন্দ্র সেন তাঁকে হিন্দু সাহিত্যের পবিত্রতম সাহিত্য বেদের অনুলিপি প্রদান করেন এবং রমাবাই সেগুলি পড়তে উৎসাহিত হন। ১৮৮০ সালে শ্রীনিবাসের মৃত্যুর পর, রামবাই এক বাঙালি আইনজীবী বিপিন বিহারী মেধ্বীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বর ছিলেন একজন বাঙালি কায়স্থ। তাই বিবাহটি আন্তঃবর্ণ ছিল এবং তাই সে সময়ে যথেষ্ট আলোচিত হয়। ১৮৮০ সালের ১৩ নভেম্বর একটি নাগরিক অনুষ্ঠানে তাদের বিয়ে হয়েছিল। এই দম্পতির একটি কন্যা সন্তান হয় যার নাম ছিল মনোরমা। ১৮৮২ সালে মেধ্বীর মৃত্যুর পর, ২৩ বছর বয়সী রমাবাঈ পুনে চলে আসেন এবং মহিলাদের শিক্ষার প্রচারের জন্য একটি সংস্থা গঠন করেন। [৯]

সামাজিক সক্রিয়তা[সম্পাদনা]

১৮৮২ সালে মেধ্বীর মৃত্যুর পর রমাবাই পুনেতে আর্য মহিলা সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন (আর্য মহিলা সমিতি)। এ সমাজের উদ্দেশ্য ছিল স্ত্রী শিক্ষার প্রসার এবং কন্যা শিশুর বাল্যবিবাহের নিপীড়ন থেকে রক্ষা করা। ১৮৮২ সালে যখন ভারত সরকার একটি শিক্ষা কমিশন নিয়োগ করেছিল, তখন রমাবাই সেটার পক্ষে ছিলেন। লর্ড রিপনের শিক্ষা কমিশনকে সমর্থন করে তিনি অত্যন্ত বিচলিত ও উদ্বেগের সাথে ঘোষণা করেছিলেন, "এ দেশের শিক্ষিত লোকের মধ্যে শতকরা ৯৯ জনই নারী শিক্ষার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে যথাযথ শিক্ষার বিরোধিতা করেন। যদি সামান্যতম ত্রুটি পান তবে তারা সে সরিষার দানাটিকে পাহাড়সমে পরিণত করেন এবং যেকোন মহিলার চরিত্র হননের প্রয়াস করে থাকেন।" তিনি মহিলা প্রশিক্ষক ও মহিলা স্কুল পরিদর্শক নিয়োগের পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন যে ভারতে পরিস্থিতি যেমন ছিল যে নারীর অবস্থা এমন ছিল যে মহিলারা কেবল চিকিৎসা করতে পারেন, কিন্তু চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন না। তাই ভারতীয় মহিলাদের মেডিকেল কলেজগুলিতে ভর্তি শুরু করা উচিত। রমাবাইয়ের আলোড়ন সৃষ্টিকারী বক্তব্য রানী ভিক্টোরিয়া পর্যন্ত পৌঁছেছিল। লর্ড ডাফরিনের মহিলা চিকিৎসা আন্দোলন শুরু করার পরে এটির ফল এসেছিল।[৯]

রমাবাই ১৮৮৩ সালে মেডিকেল শিক্ষার জন্য ব্রিটেনে যান; কিন্তু বধিরতার কারণে তিনি চিকিৎসা শিক্ষা কার্যক্রম থেকে প্রত্যাখ্যাত হন।[১০] বিট্রেন অবস্থান কালে তিনি খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেন। ১৮৮৬ সালে তিনি তার আত্মীয় এবং প্রথম মহিলা ভারতীয় ডাক্তার, আনন্দবাই যোশীর স্নাতকোত্তর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আমেরিকা যান। সেখানে দুই বছর অবস্থান কালে পাঠ্যপুস্তকের অনুবাদ করেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় বক্তৃতা প্রদান করেন।[১১] সেখানে তিনি তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বই ' দ্য হাই-কাস্ট হিন্দু ওম্যান ইংরেজিতে প্রকাশ করেন। রমাবাই এই বইটি উৎসর্গ করেছিলেন, উচ্চ-বর্ণের হিন্দু মহিলা, আরও নির্দিষ্ট করে বললে ব্রাহ্মণ মহিলা ডাঃ আনন্দীবাঈ যোশীর উদ্দেশ্যে, ব্রিটিশ ভারতে হিন্দু নারী জীবনের অন্ধকার দিক দেখিয়ে হিন্দু শিশু, কন্যা ও বিধবা মহিলাদের উপর নিপীড়নের প্রতিরোধের চেষ্টা করেছেন।

ভারতে তাঁর বিভিন্ন কর্মের জন্য সমর্থন চেয়ে উপস্থাপনা দেওয়ার সময় ১৮ জুলাই ১৮৮৭ সালে ফ্রান্সেস উইলার্ডের সাথে তার দেখা হয়। সে বছরের নভেম্বরে জাতীয় ক্রিশ্চিয়ান উইমেন টেম্পারেন্স ইউনিয়ন সম্মেলনে উইলার্ড রমাবাইকে বক্তব্য রাখার আমন্ত্রণ জানালে, সেখানে গিয়ে এই বৃহৎ পরিসরে সমর্থন অর্জন করেন। তিনি ১৮৮৮ সালের জুনে ডব্লুসিটিএ-এর প্রভাষক হিসেবে ভারতে ফিরে আসেন। ভারতে ডব্লিউসিটী-এর সঙ্গে অবশ্য রমাবাইয়ের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে সম্ভব হয় ১৮৯৩ সালের দিকে।[১২]

১৮৯৬ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের সময়, রমাবাই গরুগাড়ী যোগে মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন গ্রাম ভ্রমণ করেছেন এবং হাজার হাজার পরিত্যাক্ত, অনাথ শিশু এবং নিঃস্ব মহিলাদের উদ্ধার করে তাদের মুক্তি মিশন ও সারদা সদনে আশ্রয় দান করেন। তিনি সাতটে ভাষায় দক্ষ একজন শিক্ষিত মহিলা যিনি মূল হিব্রু এবং গ্রীক থেকে তাঁর মাতৃভাষা — মারাঠিতে বাইবেলের অনুবাদ করেছেন।[৮]

১৯০০ সালে মুক্তি মিশনে ১৫০০ জন বাসিন্দা এবং শতাধিক গবাদি পশু ছিল এবং তিনি মুক্তি মিশনে একটি গির্জা প্রতিষ্ঠা করেন। পণ্ডিতা রমাবাই মুক্তি মিশন আজও চালু আছে যা বিধবা, অনাথ এবং অন্ধসহ অনেক অভাবী গোষ্ঠীর জন্য আবাসন, শিক্ষা, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।[১৩]

পারিবারিক জীবন[সম্পাদনা]

সামাজিক বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকবার দরুন রমাবাঈ এর পারিবারিক জীবন সংক্ষিপ্ত ছিল। পিতামাতাকে কম বয়সে হারিয়ে তার শৈশব খুব দুঃখ-কস্টে কেটেছে, স্বামীকেও অল্প সময়েই হারান। তিনি তার কন্যা '''মনোরমা'''কে সুশিক্ষিত করেছেন। মনোরমা বোম্বে বিশ্ববিদ্যালয় হতে BA শেষ করে আমেরিকা হতে উচ্চতর শিক্ষা সমাপ্ত করেন। ভারতে ফিরে তিনি মুম্বাই এর ''সারদা সদন'' এ অধ্যক্ষা হিসেবে নিয়োজিত হন। এ সময়েই পণ্ডিতা রমাবাই দক্ষিণ ভারতের গুলবার্গে (বর্তমান কর্ণাটক) ''খ্রিস্টান হাই স্কুল'' প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২০ মনোরমা ''মুক্তি মিশনের'' প্রধান হন কিন্তু এক বছরের মধ্যেই মারা যান। এতে রমাবাই মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েন। এরপর যক্ষায় আক্রান্ত হয়ে নয় মাস পর ১৯২২ সালের ৫ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন ৬৩ বছর বয়সে।[১৪]

রমাবাই বিষয়াবলি[সম্পাদনা]

১৯৮৯ সালে ভারতের ডাকটিকিটে রমাবাই

স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর এক চিঠিতে রমাবাই সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন। ---"আমার ও রমাবাই এর পরিচিতদের সম্পর্কে যে কেলেঙ্কারীর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে তাতে আমি বিস্মিত হয়েছি। দেখছেন না মিসেস বুল। যদিও কোন মানুষ নিজেকে পরিচালনা করতে পারে তবে তাদের বিরুদ্ধেও যারা সর্বদা ঘৃণ্য মিথ্যা তৈরি করে। শিকাগোতে আমার বিরুদ্ধে প্রতিদিন এই জাতীয় জিনিস ছড়িয়ে ছিল। এই মহিলারা খ্রিস্টানদের নিকট বিশাল খ্রিস্টান! "[১৫]

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

  • "পণ্ডিত" এবং "সরস্বতী" বাংলায় (ব্রিটেনে যাওয়ার আগে) সংস্কৃত ভাষায় তার দক্ষতার জন্য স্বীকৃত হয়েছিলেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
  • ব্রিটিশ ঐপনিবেশিক ভারত সরকার কর্তৃক ১৯১৯ সালে সম্প্রদায় সেবার জন্য কৈসারি-ই-হিন্দ পদক ।[১৬]
  • তিনি এপিসকোপাল চার্চের (ইউএসএ) লিটারজিকাল ক্যালেন্ডারে ৫ এপ্রিল,[১৭] এবং চার্চ অব ইংল্যান্ডের লিটারজিকাল ক্যালেন্ডারে ৩০ এপ্রিল একটি স্মরণসভার ভোজ দিবসে সম্মানিত হন।[১৮]
  • ১৯৮৮ সালের ২৬ অক্টোবর, ভারতীয় মহিলাদের অগ্রগতিতে তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ, ভারত সরকার একটি স্মারক ডাকটিকেট জারি করে।[১৯]
  • মুম্বাইয়ের একটি রাস্তার নামও রাখা হয়েছে তাঁর সম্মানে। গামদেবী লোকালয়ের আশেপাশে হুজেস সড়ককে নানার চকের সাথে সংযুক্ত রাস্তাটি পণ্ডিতা রমাবাই মার্গ নামে পরিচিত।[২০]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Women's History Month: Pandita Ramabai"Women's History Network। ১১ মার্চ ২০১১। 
  2. Kollanoor, Greger। "Indian Christianity and National Movements" 
  3. "Short Biography of Ramabai"। ২৫ মে ২০১৫। ৭ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০২১ 
  4. Ramabai Sarasvati (Pandita); Pandita Ramabai (২০০৩)। Pandita Ramabai's American Encounter: The Peoples of the United States (1889)। Indiana University Press। পৃষ্ঠা 29–30। আইএসবিএন 0-253-21571-4 
  5. Anne Feldhaus (২৯ জানুয়ারি ১৯৯৮)। Images of Women in Maharashtrian Society। SUNY Press। পৃষ্ঠা 205। আইএসবিএন 978-0-7914-3660-8 
  6. Khan, Aisha (১৪ নভেম্বর ২০১৮)। "Overlooked No More: Pandita Ramabai, Indian Scholar, Feminist and Educator"The New York Times 
  7. My Story by Pandita Ramabai. Pub: Christian Institute for Study of Religion and Society, Bangalore.
  8. "Intl' Christian Women's History Project & Hall of Fame"। Icwhp.org। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মে ২০১৫ 
  9. "Sarla R. Murgai"। Utc.edu। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মে ২০১৫ 
  10. "Overlooked No More: Pandita Ramabai, Indian Scholar, Feminist and Educator"The New York Times (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৮-১১-১৪। আইএসএসএন 0362-4331। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-২৬ 
  11. Jayawardena, Kumari (১৯৯৫)। The white woman's other burden: Western women and South Asia during British colonial rule। Routledge। পৃষ্ঠা 56। আইএসবিএন 978-0-415-91104-7 
  12. Osborne, Lori (২০১৭)। "The World Woman's Christian Temperance Union: An Early Transnational Women's Organization and its Work in India, 1883-1900" (PDF): 129–142। ২২ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২০ 
  13. "Untold Tale of Revival: Pandita Ramabai | Grace Valley Christian Center"। Gracevalley.org। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মে ২০১৫ 
  14. Panditha Ramabai Sarasvathi – Book in Kannada (1962) Pub by Christ Sahitya Sangha, Bangalore
  15. Vivekanada, Ramabai circles ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৫ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে (1895)
  16. Butler (1922), p. 83
  17. A Great Cloud of Witnesses (PDF)। Church Publishing। অক্টোবর ১৫, ২০১৬। পৃষ্ঠা 8। আইএসবিএন 9780898699661 
  18. Atwell, Robert (২০১৭-০২-২৭)। Celebrating the Saints: Daily spiritual readings for the calendars of the Church of England, the Church of Ireland, the Scottish Episcopal Church & the Church in Wales। Canterbury Press। পৃষ্ঠা 152। আইএসবিএন 9781848258822 
  19. "Indian Postage Stamps 1947–2000"। Department of Posts, Ministry of Communications, Government of India। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৪-০৯ 
  20. Thale, Siddharaj (২০১৭-০৮-১৪)। "Road in Mumbai named after woman who started Arya Mahila Samaj"The Indian Express। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৪-০৯ 

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

  • বার্টন, অ্যান্টিয়েট "দেরী-ভিক্টোরিয়ান ইংল্যান্ডে ঐপনিবেশিক লড়াই: চেল্টেনহ্যাম ও ওয়ান্টেজের পান্ডিতা রামাবাই ১৮৮৩-৬। নারীবাদী পর্যালোচনা ৪৯.১ (১৯৯৫): ২৯-৪৯।
  • Butler, Clementina (১৯২২)। Pandita Ramabai Sarasvati: Pioneer in the movement for the education of the child-widow of India। Fleming H. Revell Company, New York। 
  • কেস, জে রিলে একটি অনির্দেশ্য গসপেল (অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, ২০১২)
  • চক্রবর্তী, উমা। পুনর্লিখনের ইতিহাস: পান্ডিতা রামবাইয়ের জীবন ও সময় (জুবায়ান, ২০১৪)।
  • ডায়ার, হেলেন এস পান্ডিতা রামাবাই: তার জীবনের গল্প (১৯০০) অনলাইন
  • কোসাম্বি, মীরা। "খ্রিস্টান, গির্জা এবং উপনিবেশবাদ সম্পর্কে ভারতীয় জবাব: পণ্ডিত রামাবাইয়ের মামলা।" অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সাপ্তাহিক (1992): WS61-WS71। অনলাইন
  • হোয়াইট, কিথ জে। "পান্ডিতা রামাবাইয়ের জীবন ও কাজের মাধ্যমে শিশুদের ধর্মতত্ত্ব সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি" " রূপান্তর (২০০৭): ৯৫-১০২। অনলাইন

প্রাথমিক উৎস[সম্পাদনা]