নাকতা হাঁস
| নাকতা হাঁস Sarkidiornis melanotos | |
|---|---|
| পুরুষ S. m. sylvicola | |
| বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ: | Animalia |
| পর্ব: | কর্ডাটা |
| শ্রেণী: | পক্ষী |
| বর্গ: | Anseriformes |
| পরিবার: | Anatidae |
| উপপরিবার: | Tadorninae or Anatinae |
| গণ: | Sarkidiornis Eyton, 1838 |
| প্রজাতি: | S. melanotos |
| দ্বিপদী নাম | |
| Sarkidiornis melanotos (Pennant, 1769) | |
| Global range | |
| প্রতিশব্দ | |
|
Anser melanotos Pennant, 1769 | |
নাকতা হাঁস (বৈজ্ঞানিক নাম: Sarkidiornis melanotos), বোঁচা হাঁস বা শুধুই নাকতা Anatidae (অ্যানাটিডি) গোত্র বা পরিবারের অন্তর্গত Sarkidiornis (সার্কিডিওর্নিস) গণের অন্তর্ভুক্ত এক প্রজাতির বড় আকারের হাঁস।[২][৩] পাখিটি বাংলাদেশ, ভারত ছাড়াও দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা যায়। নাকতা হাঁস বৈজ্ঞানিক নামের অর্থ নাকওয়ালা কালোপিঠ (গ্রিক: sarx = মাংসল উপাঙ্গ, ornis = পাখি, melas = কালো, notos = পিঠের)।[৩] সারা পৃথিবীতে এক বিশাল এলাকা জুড়ে এরা বিস্তৃত, প্রায় ২ কোটি ৮২ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এদের আবাস।[৪] বিগত কয়েক দশক ধরে এদের সংখ্যা ক্রমেই কমছে, তবে এখনও আশঙ্কাজনক পর্যায়ে যেয়ে পৌঁছেনি। সেকারণে আই. ইউ. সি. এন. এই প্রজাতিটিকে ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত বলে ঘোষণা করেছে।[১] বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী আইনে এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।[৩]
নাকতা হাঁস একপ্রজাতিক, অর্থাৎ এটি সার্কিডিওর্নিস গণের একমাত্র প্রজাতি। অবশ্য কোন কোন পক্ষীবিদ বিলুপ্ত মরিশীয় চখাকে (Alopochen mauritianus) ভুল করে মরিশীয়া বোঁচা হাঁস বলে অভিহিত করেন। এই ভুলটি ১৮৯৭ সালেই চিহ্নিত করা হয়েছিল,[৫] কিন্তু সাম্প্রতিক উৎসগুলোতে এ ভুলটির পরিমাণ এখনও যথেষ্ট প্রকট।

তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "Sarkidiornis melanotos"। The IUCN Red List of Threatened Species। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৩।
- ↑ রেজা খান (২০০৮)। বাংলাদেশের পাখি। ঢাকা: বাংলা একাডেমী। পৃ. ১২০। আইএসবিএন ৯৮৪০৭৪৬৯০১।
- 1 2 3 জিয়া উদ্দিন আহমেদ (সম্পা.) (২০০৯)। বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ: পাখি, খণ্ড: ২৬। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। পৃ. ১৯–২০।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|লেখক=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ "Sarkidiornis melanotos"। BirdLife International। ১০ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩।
- ↑ Andrews, C.W. (১৮৯৭)। "On some fossil remains of Carinate birds from central Madagascar"। Ibis। ৭ (3): ৩৪৩–৩৫৯। ডিওআই:10.1111/j.1474-919X.1897.tb03281.x।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ARKive, তথ্য, আলোকচিত্র ও ভিডিও
- Species text in The Atlas of Southern African Birds
- আইইউসিএন লাল তালিকার ন্যূনতম উদ্বেগজনক প্রজাতি
- আন্সেরিনি
- জলচর পাখি
- এশিয়ার পাখি
- আফ্রিকার পাখি
- দক্ষিণ আমেরিকার পাখি
- বাংলাদেশের পাখি
- ভারতের পাখি
- নেপালের পাখি
- মিয়ানমারের পাখি
- থাইল্যান্ডের পাখি
- ভিয়েতনামের পাখি
- লাওসের পাখি
- চীনের পাখি
- অ্যাঙ্গোলার পাখি
- আরুবার পাখি
- আর্জেন্টিনার পাখি
- বেনিনের পাখি
- বলিভিয়ার পাখি
- বুর্কিনা ফাসোর পাখি
- বুরুন্ডির পাখি
- বতসোয়ানার পাখি
- ব্রাজিলের পাখি
- কম্বোডিয়ার পাখি
- ক্যামেরুনের পাখি
- কলম্বিয়ার পাখি
- মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রের পাখি
- চাদের পাখি
- গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের পাখি
- কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের পাখি
- কোত দিভোয়ারের পাখি
- ইকুয়েডরের পাখি
- ইথিওপিয়ার পাখি
- ইরিত্রিয়ার পাখি
- ফরাসি গায়ানার পাখি
- গাম্বিয়ার পাখি
- গ্যাবনের পাখি
- ঘানার পাখি
- গিনি-বিসাউয়ের পাখি
- গায়ানার পাখি
- গিনির পাখি
- কেনিয়ার পাখি
- লাইবেরিয়ার পাখি
- লেসোথোর পাখি
- মাদাগাস্কারের পাখি
- মালির পাখি
- মালাউইয়ের পাখি
- মৌরিতানিয়ার পাখি
- মোজাম্বিকের পাখি
- নাইজারের পাখি
- নামিবিয়ারপাখি
- নাইজেরিয়ার পাখি
- পেরুর পাখি
- পানামার পাখি
- প্যারাগুয়ের পাখি
- রুয়ান্ডার পাখি
- সেনেগালের পাখি
- সোমালিয়ার পাখি
- সিয়েরা লিওনের পাখি
- দক্ষিণ আফ্রিকার পাখি
- দক্ষিণ সুদানের পাখি
- সোয়াজিল্যান্ডের পাখি
- তাঞ্জানিয়ার পাখি
- টোগোর পাখি
- উগান্ডার পাখি
- উরুগুয়ের পাখি
- ভেনিজুয়েলার পাখি
- জিম্বাবুয়ের পাখি
- জাম্বিয়ার পাখি
- হাঁস
- ১৭৬৯-এ বর্ণিত পাখি
- সাহারা-নিম্ন আফ্রিকার পাখি
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পাখি