দয়ারামপুর জমিদার বাড়ি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
দয়ারামপুর জমিদার বাড়ি
বিকল্প নামদয়ারামপুর রাজবাড়ি
শ্রীযুক্ত বাবু শরৎচন্দ্র রায়ের জমিদার বাড়ি
কাদিরাবাদ সেনানিবাস
সাধারণ তথ্য
ধরনবাসস্থান
অবস্থানবাগাতিপাড়া উপজেলা
ঠিকানাদয়ারামপুর
শহরবাগাতিপাড়া উপজেলা, নাটোর জেলা
দেশবাংলাদেশ
খোলা হয়েছেঅজানা
স্বত্বাধিকারীকুমার বসন্ত কুমার রায়/শ্রী বাবু শরৎচন্দ্র রায়
কারিগরী বিবরণ
পদার্থইট, সুরকি ও রড

দয়ারামপুর জমিদার বাড়ি বাংলাদেশ এর নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার দয়ারামপুর নামক স্থানে অবস্থিত এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। যা স্থানীয়দের কাছে দয়ারামপুর রাজবাড়িশরৎচন্দ্র রায়ের জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত। তবে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এই জমিদার বাড়িটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনানিবাস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই এর আরেক নাম হচ্ছে কাদিরাবাদ সেনানিবাস।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

দয়ারামপুর জমিদার বংশধররা দিঘাপতিয়া জমিদার বংশধরদের উত্তসূরী। মূলত এই দয়ারামপুর এলাকার নামকরণ করা হয়েছে দিঘাপতিয়া জমিদার বংশের গোড়াপত্তনকারী দয়ারামের নামানুসারেই। দিঘাপতিয়া জমিদার বংশের প্রমদানাথ রায় যখন দিঘাপতিয়া জমিদারীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তখন তিনি তার তিন সন্তানদের জন্য বর্তমান নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার দয়ারামপুর নামক এলাকায় পূর্বের নন্দিকুজায় বড়াল নদীর তীরে একটি বাড়ি নির্মাণ করেন। যা তখন দিঘাপতিয়া জুনিয়র রাজ দয়ারামপুর এস্টেটস নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে এই বাড়িটিই এলাকার নামানুসারে দয়ারামপুর জমিদার বাড়ি বা দয়ারামপুর রাজবাড়ি নামে পরিচিতি লাভ করে। প্রথম জমিদার হিসেবে কুমার বসন্ত কুমার রায় ছিলেন উক্ত জমিদার বাড়ির জমিদার। এই জমিদার বাড়ির শেষ জমিদার ছিলেন শ্রী বাবু শরৎচন্দ্র রায়। জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির আগ পর্যন্ত তিনি এখানে শেষ জমিদার হিসেবে বসবাস করেন। তাই অনেকের কাছে এই বাড়িটি তার নামেও বেশ পরিচিত।

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

বর্তমান অবস্থা[সম্পাদনা]

জমিদার বাড়িটি এখন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনানিবাস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যা ১৯৭৪ সাল হতে সেনানিবাস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বীর সৈনিক আব্দুল কাদেরের নামানুসারে উক্ত সেনানিবাসের নামকরণ করা হয় কাদিরাবাদ সেনানিবাস।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "দয়ারামপুর রাজবাড়ি"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১৮ আগস্ট ২০১৯। ১৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১৯