তবারক হুসাইন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মহামান্য
তবারক হুসাইন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত[১]
কাজের মেয়াদ
২ অক্টোবর, ১৯৭৮ – ১৯ মে, ১৯৮২
পূর্বসূরীমুস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী
উত্তরসূরীহুমায়ূন রশীদ চৌধুরী
পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের পররাষ্ট্র সচিব রূপে[২]
কাজের মেয়াদ
১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ – ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮
পূর্বসূরীফখরুদ্দীন আহমেদ
উত্তরসূরীশাহ এ এম এস কিবরিয়া
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম(১৯২৪-০৪-০৬)৬ এপ্রিল ১৯২৪
নোয়াখালী, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত
(বর্তমানে বাংলাদেশ)
মৃত্যু২৯ এপ্রিল ২০১৮(2018-04-29) (বয়স ৯৪)
দাম্পত্য সঙ্গীউজরা হুসাইন[৩]
সন্তানতিন (রিয়াজ হুসাইন,
জামিল হুসাইন,
তাহের হুসাইন)
পিতামাতামৌলভি বদিউজ্জামান (পিতা)
আঞ্জুমান আরা বেগম (মাতা)
প্রাক্তন শিক্ষার্থীঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,
লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স
জীবিকাকূটনীতিবিদ
ধর্মইসলাম

তবারক হুসাইন (৬ এপ্রিল, ১৯২৪- ২৯ এপ্রিল, ২০১৮) একজন বাংলাদেশি কূটনীতিবিদ ছিলেন।[৪][৫]

প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা[সম্পাদনা]

তাবারক হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪২ সালে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রী এবং স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।[৪] তারপর তিনি লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স, যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।[৫]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

হুসাইন উজরা হুসাইনকে বিয়ে করেন। তাদের তিন পুত্র (রিয়াজ হুসাইন, জামিল হুসাইন ও তাহের হুসাইন)। তাঁর স্ত্রী ২০১১ সালে মারা যান।[৩]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

হুসাইন ১৯৪৯ সালে প্রথম নিয়মিত ব্যাচের সদস্য হিসেবে পাকিস্তান পররাষ্ট্র বিভাগে যোগ দেন।[৪] তিনি ভারত, নেদারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও থাইল্যান্ডে পাকিস্তানের কূটনৈতিক মিশনের বিভিন্ন অবস্থানে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়কালে তিনি দ্বিপাক্ষিক পরিদর্শনে নয়টি দেশে বৈঠক করেন। তিনি দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য একটি একক সদস্যের প্রতিনিধি দল হিসেবে ১৯৭৫ এবং ১৯৭৬ সালে দুইবার মস্কো সফর করেন।[৪]

  • ১৯৪৯: যোগদান করেছেন পাকিস্তান পররাষ্ট্র বিভাগে
  • ১৯৬৮: পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ডাইরেক্টর জেনারেল হিসাবে নিযুক্ত, যা রাষ্ট্রদূত পদমর্যাদার সমান।[৪]
  • ১৯৭১: আলজেরিয়ায় দূত হিসেবে নিযুক্ত, কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে কারণে তাকে করাচি, পাকিস্তানে আটক করা হয়।[৬]
  • ১৫-১১-১৯৭৫ থেকে ০৬-০৯-১৯৭৮: হুসাইন পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে বাংলাদেশ সরকার অধীনে দায়িত্ব পালন করেন।[২]
  • ১৯৭৮-১৯৮২: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত।[১][৫]
  • ১৯৮২: বাংলাদেশ সরকারের চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ।[৫]
  • ১৯৯৫-১৯৯৬: সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান।
  • ২০০২-২০১০: গ্রামীণ ব্যাংক-এর চেয়ারম্যান, বিশ্বের বৃহত্তম ক্ষুদ্রঋণের একটি প্রতিষ্ঠান।[৭]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

তবারক হুসাইন ২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল ৯৪ বছর বয়সে ওয়াশিংটন ডিসির রকভিলে ঘুমের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন।[৮]

আরোও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Diplomatic Representation for People's Republic of Bangladesh"United States Department of State। ২০১৪-০৮-১৪। ২০১৫-১০-১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১১-২০ 
  2. "List of Former Foreign Secretaries"। Ministry of Foreign Affairs, Dhaka। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১১-২০ 
  3. Hossaini, Wahed (২০১১-১১-২৬)। "UZRA HUSSAIN JANAZA : SUNDAY AT MCC"। Yahoo! Groups। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১১-২০ 
  4. "Former Foreign Secretaries Tabarak Hosain"। Ministry of Foreign Affairs, Dhaka। ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১১-২০ 
  5. "Ambassador Tabarak Hussain"। Embassy of Bangladesh in USA। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১১-২০ 
  6. "FOR IMMEDIATE RELEASE" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। Eastern Illinois University। ১৯৮১-১১-০৬। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১১-২০ 
  7. "Board of Directors"। grameen-info.org। ২০০৬। ২০০৯-১১-০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১১-২০ 
  8. Alam, Shahid (২০১৮-০৫-০২)। "Former foreign secretary Tabarak Husain dies at 94"Bdnews24.com। Dhaka। ২০১৮-০৫-০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৫-০৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]