ঠার
| লেখক | হাবিবুর রহমান |
|---|---|
| প্রকাশনার স্থান | |
| ভাষা | বাংলা |
মুক্তির সংখ্যা | ১৬ |
| বিষয় | বেদে সম্প্রদায়ের ভাষা |
| ধরন | ভাষা |
| প্রকাশিত | ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২২ |
| প্রকাশক | পাঞ্জেরী প্রকাশনী |
প্রকাশনার তারিখ | ফেব্রুয়ারি বইমেলা ২০২২ |
| মিডিয়া ধরন | ছাপা (শক্তমলাট) |
| পৃষ্ঠাসংখ্যা | ৩২০ [১] |
| পূর্ববর্তী বই | মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রতিরোধ |
ঠারঃ বেদে জনগোষ্ঠির ভাষা বাংলাদেশ পুলিশের একজন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান রচিত বেদে সম্প্রদায়ের বিলুপ্তপ্রায় মাতৃভাষা নিয়ে গবেষনামূলক একটি গ্রন্থ।[২][৩] ঠার ভাষার ব্যাকারণ আর ভাষাতাত্ত্বিক আলোচনা এই বইয়ের প্রধান কীর্তি।[৪][৫] দীর্ঘ ৮ বছরেরও অধিক সময় ধরে বেদেদের এই ভাষার ওপর গবেষনার পর বইটি রচনা সম্পন্ন করেন হাবিবুর রহমান।[৬][৭] ২০২৩ সালে "ঠার: বেদে জনগোষ্ঠীর ভাষা" গ্রন্থের জন্য লেখক হাবিবুর রহমান, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদকে ভূষিত হন।[৮][৯] ২০২২ সালের ২২ এ ফেব্রুয়ারী অমর ২১ এ গ্রন্থ মেলায় পাঞ্জেরী প্রকাশনী থেকে বইটি প্রকাশিত হয়।[১০]
অধ্যায়
[সম্পাদনা]- প্রথম অধ্যায়
- ১ম পরিচ্ছদ (ভাষার সঙ্গা ও বৈশিষ্ট্য)
- ২য় পরিচ্ছদ (ভাষার রুপভেদ)
- ৩য় পরিচ্ছদ (ভাষার বৈচিত্র)
- ৪থ পরিচ্ছদ (ভাষার আধিপত্যবাদ ও সম্রাজ্যবাদ)
- ৫ম পরিচ্ছদ (প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে ভাষা সংরক্ষণে গৃহীত পদক্ষেপ)
- দ্বিতীয় অধ্যায় (ভাষার উদ্ভবসংক্রান্ত মতবাদ)
- তৃতীয় অধ্যায় (বেদেদের জাতিগত পরিচয় ও ঠার ভাষা)
- ১ম পরিচ্ছদ (ভাষার সঙ্গা ও বৈশিষ্ট্য)
- ২য় পরিচ্ছদ (ভাষার রুপভেদ)
- ৩য় পরিচ্ছদ (ভাষা ও সাহিত্য)
- চতুর্থ অধ্যায় (নোয়াম চমস্কি, আধুনিক ভাষাবিজ্ঞান ও ঠার ভাষা)
- পঞ্চম অধ্যায় (ঠার ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি)
- ষষ্ঠ অধ্যায়
- সপ্তম অধ্যায় (রুপতত্ব)
- ১ম পরিচ্ছদ (রূপতত্ব)
- ২য় পরিচ্ছদ (মৌলিক শব্দ)
- ৩য় পরিচ্ছদ (ঠার ভাষায় ব্যাবহৃত দেশী ও বিদেশী শব্দ)
- ৪থ পরিচ্ছদ (ক্রিয়ার কাল)
- ৫ম পরিচ্ছদ (পদাশ্রিত নির্দেশক)
- ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ (ক্রিয়াপদ)
- ৭ম পরিচ্ছেদ (লিঙ্গ)
- অষ্টম অধ্যায় (বাক্যতত্ব)
- ১ম পরিচ্ছদ (বাক্যতত্ব)
- ২য় পরিচ্ছদ (বাক্য প্রকরণ)
- ৩য় পরিচ্ছদ (ঠার ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় অনুবাদ)
- নবম অধ্যায় (বাগার্থ তত্ব)
- ১ম পরিচ্ছদ (বাগার্থ তত্ব)
- ২য় পরিচ্ছদ (সমার্থক শব্দ)
- ৩য় পরিচ্ছদ (বিপরিতার্থক শব্দ)
- দশম অধ্যায় (ঠার ভাষার শব্দকোষ)
- উপসংহার
- শেষের আগে
- 'বেদে জনগোষ্ঠি ও ঠার ভাষার উন্নয়ন ভাবনা' শীর্ষক প্রস্তাবনা
পটভূমি
[সম্পাদনা]সারা বিশ্বে লক্ষ বেদে সম্প্রদায়ের লোক আছে। তারা প্রায় সবাইই একই ভাষায় কথা বলে। তাদের নিজস্ব একটি ভাষা আছে যা ঠার বা ঠেট নামে পরিচিত।[৫] ভাষা বিজ্ঞানের সূত্র সম্মত বাংলাদেশে বেদে সমাজ নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি আছে, বিদ্বেষও আছে।[৩] সাপের খেলা দেখানো, সাপ সঙ্গে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর কারণে, এবং যাযাবর এলোমেলো জীবন জাপনের জন্য মূল ধারার মানুষ তাদের কাছে থাকতে অস্বস্তি বোধ করে।[১২] তাই যুগের পর যুগ তারা শিক্ষিত ও সভ্য সমাজের ছোয়া থেকে দুরে থাকার কারণে তাদের নিজদের ভাষা ঠার সংরক্ষণের জন্যও কেউ কখনো এগিয়ে আসেনি। খুব কম মানুষই সেই চেষ্টা করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে এই কাজটি করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহা পরিদর্শক হাবিবুর রহমান।[১৩] তিনি দীর্ঘদিন থেকে এই জনগােষ্ঠীর দুঃখ-দুর্দশা মােচন ও তাদেরকে স্বাভাবিক জীবনের মূলধারায় নিয়ে আসার জন্য চেষ্টা করে আসছেন[১৪][১৫]। বস্তুগত সহায়তা দেওয়া ও তাদের মূলধারায় আনার চেষ্টার পাশাপাশি হাবিবুর রহমান বেদেদের ভাষা নিয়ে দীর্ঘ আট বছর গবেষণা করে ঠার বেদে জনগোষ্ঠীর ভাষা নামে বইটি লিখেছেন। [১৬]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "ঠার -(বেদে জনগোষ্ঠীর ভাষা)"। www.prothoma.com। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০২৩।
- ↑ Quadir, Serajul Islam (১৮ আগস্ট ২০২২)। "Habibur Rahman's 'Thar': Unpacking the language of the Bede community"। The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০২৩।
- 1 2 কুদরত-ই-হুদা। "ঠার: বেদে জনগোষ্ঠীর ভাষা ও বাঙালির ভাষা আন্দোলনের চেতনা"। প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০২৩।
- ↑ Ahmed, Sarfuddin। "Reviving a language, rescuing a community, and an extraordinary Habibur Rahman"। দৈনিক প্রথম আলো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০২৩।
- 1 2 "'ঠার' ভাষা: সংগ্রাহক হাবিবুর রহমান"। www.jugantor.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০২৩।
- ↑ "আগামীকাল প্রকাশ পাচ্ছে ডিআইজি হাবিবুরের 'ঠার'"। দৈনিক ইত্তেফাক। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০২৩।
- ↑ Barman, Nirodh Kumar; Correspondent, D. U.। "Habibur Rahman's drive to preserve 'Thar' language | The Asian Age Online, Bangladesh"। The Asian Age (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০২৩।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ2=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ প্রতিবেদক, বিশেষ। "মাতৃভাষা পদক পাচ্ছেন অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুরসহ তিন ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০২৩।
- ↑ আহমেদ, সারফুদ্দিন। "আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা জাতীয় পদকে বেদেদের 'ঠার' ভাষা কতটা বল পেল"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০২৩।
- ↑ ডটকম, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর। "বেদে ভাষা 'ঠার' নিয়ে ডিআইজি হাবিবুর রহমানের বই"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১৩ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০২৩।
- ↑ "ঠার (বেদে জনগোষ্ঠীর ভাষা) - হাবিবুর রহমান বিপিএম(বার)পিপিএম"। www.rokomari.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০২৩।
- ↑ "মুসলমান হয়েও সমাজবিচ্ছিন্ন বেদে সম্প্রদায়...-475435 | কালের কণ্ঠ | kalerkantho"। web.archive.org Kaler Kantho। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০২৩।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ "জীবন বদলানোর কারিগর"। Kaler Kantho। ৫ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০১৮।
- ↑ "দিন বদলের হাওয়া বেদে পল্লীতে"। দৈনিক ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০২৩।
- ↑ "সাভারের বেদে পল্লীতে দিন বদলের ছোঁয়া | নগর-মহানগর | Jugantor"। web.archive.org। ৯ জানুয়ারি ২০১৯। ৯ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০২৩।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ আহমেদ, সারফুদ্দিন। "সাপের ঝাঁপি ও ঠার ভাষার গল্প"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০২৩।